kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

শিক্ষিত জনশক্তি গড়ার প্রয়াসে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শিক্ষিত জনশক্তি গড়ার প্রয়াসে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়

আপনার স্কুলের শুরুর গল্প বলুন?

শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজমান অস্থিরতা ও নৈরাজ্যের অন্ধকার থেকে মুক্তির প্রত্যাশায় এবং আদর্শ ও নৈতিক চরিত্রের গুণাবলিসম্পন্ন যোগ্য নাগরিক গড়ে তোলার প্রয়াসে ধর্মীয় মূল্যবোধে উজ্জীবিত একটি স্বতন্ত্র আদর্শিক চিন্তাচেতনায় গড়ে তোলা হয় ‘ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউট’।

১৯৯৮ সালের ৭ মার্চ তারিখে পান্থপথ এলাকায় অবস্থিত ৬৮/ডি, গ্রিন রোডে (শমরিতা হাসপাতালের পুরনো ভবন) প্রতিষ্ঠানটির প্রথম কার্যক্রম শুরু হয়।

 

আপনাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসংখ্যা কত? কয় শিফটে পড়ানো হয়?

প্রতিষ্ঠানের তিনটি ক্যাম্পাসে বর্তমানে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মরত আছেন। প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রভাতি ও দিবা দুই শিফটে তিনটি ক্যাম্পাসে প্রায় ছয় হাজার ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন করছে। বালিকাদের জন্য প্রভাতি শিফট ৭:১৫-১১:৫০ মিনিট এবং বালকদের জন্য দিবা শিফট ১২:১৫-৫:১৫ মিনিট।

 

অন্য স্কুলগুলোর তুলনায় আপনার স্কুলের বিশেষত্ব কোথায়?

আমাদের স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই ছিল ভিন্ন। নৈতিকতাবিবর্জিত উচ্চশিক্ষিতদের দুর্নীতি ও পাশবিকতার দৃষ্টান্ত এখন সমাজের সামনে দৃশ্যমান। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম ফয়জুর রহমান এই রূঢ় বাস্তবতা উপলব্ধি করে নৈতিক গুণসম্পন্ন শিক্ষিত জনশক্তি গড়ে তোলার প্রয়াসে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানটি সেই মিশনকে সামনে রেখেই পরিচালিত হচ্ছে। সংগত কারণেই যা অন্য সব স্কুলের তুলনায় সমাজে ভিন্ন মাত্রা সংযোজন করছে নিঃসন্দেহে।

 

একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে আর কোনো সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেন?

বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া, শিক্ষা সফর, সিরাত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সহপাঠ্যক্রমিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করা হয় এখানে। একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে উল্লেখযোগ্য প্রগ্রামের মধ্যে সাংস্কৃতিক উৎসব, শিক্ষার্থীদের নিজস্ব সংগ্রহের বইমেলা, বিজ্ঞান মেলা, বাংলা ঐতিহ্যের প্রদর্শনী, সায়েন্স ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব অন্যতম; যার ফলে এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কাউট ও কাবে প্রেসিডেন্ট পদক, বিজ্ঞান মেলায় প্রথম, দ্বিতীয় স্থান অধিকার এবং বিজয় ফুল প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিকভাবে বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

 

আপনাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলুন।

অচিরেই সুপ্রশস্ত শ্রেণিকক্ষ, উন্নত সায়েন্স ল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সভাকক্ষ, নামাজের স্থান ইত্যাদিসহ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ যেমন—সততা সংঘ, ট্রাফিক আইন সচেতনতা, বই পড়া প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা