kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করি

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করি

স্কুলের শুরুর গল্প জানতে চাচ্ছি।

এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখার জন্য ১৯৫৮ সালে আমাদের স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষানুরাগী উদ্যোগী হয়ে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। তখন এটি উর্দু মিডিয়াম স্কুল ছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বিদ্যালয়টি বাংলা মিডিয়ামে রূপ নেয়। তখন এটি আবার বাংলা মাধ্যমিক স্কুল হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন পায়।

 

স্বাধীনতার পর স্কুলের পরিস্থিতি কেমন ছিল?

স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজান। তখন, ১৯৭২ সালে স্কুলটিকে উর্দু থেকে বাংলা মাধ্যম করা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে যে গুটিকয়েক সরকারি-স্বায়ত্তশাসিত স্কুল শিক্ষা বিস্তারে অবদান রেখেছে, তার মধ্যে এই স্কুলটি অন্যতম। পাশাপাশি শুরু থেকেই স্কুলটি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে ভালো ভূমিকা রেখে আসছে। ১৯৯০ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে প্রথম স্ট্যান্ড করে এই স্কুলের শিক্ষার্থী। এরপর বিভিন্ন সময়ে প্রথম, তৃতীয়, পঞ্চম, চতুর্দশ—এসব স্থান অর্জন করেছে স্কুলের ছাত্রীরা।

 

অন্যান্য স্কুলের সঙ্গে আপনার স্কুলের কী পার্থক্য রয়েছে?

আমি মনে করি, ভালো ফল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং চেষ্টার ফসল।

একটি পরিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এই বিদ্যালয়ে। বড় খেলার মাঠ, কমনরুম, স্টুডেন্ট কমনরুম, ইনডোর খেলার সুবিধা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সুসজ্জিত বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার প্রভৃতি।

 

স্কুলের সফলতার কারণ কী কী বলে মনে করেন?

একটি স্কুল কখনোই একক প্রচেষ্টায় ভালো করে না। সমন্বিত প্রয়াস খুব জরুরি। আমি মনে করি, আমরা তেমন পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছি, যার কারণে আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মনে করি, এটি বিদ্যালয়ের একটি বড় প্রাপ্তি।

 

বাড়তি টিউশন ফি নিয়ে অভিভাবকরা প্রায়ই অভিযোগ করে থাকেন। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?

এখন শিক্ষা বাণিজ্যিকীকরণের একটি বড় ধরনের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সেই সুযোগ নেই। টিউশন ফিসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে আমরা সরকারের নীতিমালা শতভাগ মেনে চলি।

 

প্রতিবছর এখানে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন হয়। এর প্রভাব সম্পর্কে কিছু বলুন।

আমি মনে করি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রও। এখানে শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ শিক্ষা দেওয়া হয়। স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন সে রকমই একটি সহায়ক বিষয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করে। গণতান্ত্রিক মানসিকতার সঙ্গে পরিচয় ঘটে। বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং তা সংশ্লিষ্ট স্থানে উপস্থাপনের জ্ঞান অর্জন করেন। এটি সরকারের খুবই ভালো একটি উদ্যোগ। প্রতিবছর আমরা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী আনন্দঘন পরিবেশে এই স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনের ব্যবস্থা করি। বাংলাদেশ যেহেতু গণতান্ত্রিক দেশ, তাই আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই নির্বাচনের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনব্যবস্থার পরিচয় ঘটানোর চেষ্টা করি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা