kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

গেম

পোর্শিয়ায় বেঁচে থাকার লড়াই

মোহাম্মদ তাহমিদ    

১৭ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পোর্শিয়ায় বেঁচে থাকার লড়াই

পিসির পর এবার স্মার্টফোনেও হাজির হয়েছে তুমুল জনপ্রিয় গেম ‘মাই টাইম অ্যাট পোর্শিয়া’। নিজস্ব খামার গড়ে তোলা, চারপাশের নষ্ট জিনিসপত্র ঠিক করা এবং একটি সমাজ গঠন করা নিয়ে তৈরি এ গেম। সাধারণত পোস্ট-অ্যাপোকালিপ্টিক গেমগুলো হয়ে থাকে অ্যাকশনভিত্তিক, বেঁচে থাকার জন্য করতে হয় চরম লড়াই, কিন্তু এই গেমে সেগুলো বাদ দিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে গেমারকে শুধু ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন করে জীবন গড়ার অভিজ্ঞতা দেওয়ার।

পুরো গেমটির সব ঘটনার পটভূমি ‘পোর্শিয়া’ নামের এক ছোট গ্রাম। গেমারের চরিত্র সেই গ্রামে ফিরে যায় তার দাদার মৃত্যুর পর, আবিষ্কার করে তার রেখে যাওয়া পরিত্যক্ত এক খামার আর ওয়ার্কশপ। দাদার রেখে যাওয়া প্ল্যান হাতে পেয়ে সে সিদ্ধান্ত নেয় খামারটিকে আবারও নতুন করে গড়ে তোলার, পোর্শিয়ায়ই নিজের জীবন শুরু করার। এভাবেই শুরু হবে গেম। মূলত গেমার যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারবে এখানে, তবে মিশন হিসেবে থাকবে দাদার করা কাজের তালিকা। সেই কাজ করতে প্রয়োজন হবে এলাকা পরিষ্কার করা, নানা রকম রসদ জোগাড় করা। রসদ সংগ্রহের জন্য যেতে হবে বনে, গাছপালা থেকে পাওয়া যাবে কাঠ, ফল, বীজ। পাথর ভেঙে পাওয়া যাবে খনিজ, নদী থেকে পাওয়া যাবে পানি। রসদ সংগ্রহের অংশটি পুরোই মাইনক্রাফট গেমের মতো বলা যায়। সংগ্রহ শেষে সেগুলো ব্যবহার করে গড়া যাবে বাড়ি, শস্যক্ষেত, ফলের বাগান। বাড়ির ছোটখাটো জিনিসও মনমতো বানিয়ে নেওয়া যাবে, যেমন—দরজারই ডিজাইন আছে অনেক ধরনের। সময়মতো ক্ষেতে পানি দেওয়া, ফসল সংগ্রহ করা, পোকা দমন করার মতো কাজ করেই ধীরে ধীরে বাড়বে খামারের পরিধি। এদিকে গেম দুনিয়ায় আছে বেশ কিছু ধ্বংসস্তূপ, যেখানে পাওয়া যাবে অকেজো নানা রকম মেশিন। ওয়ার্কশপ মেরামত করে সেগুলো ঠিকঠাক করে চালু করাও গেমের অন্যতম কাজ।

এরপর আছে পোর্শিয়ার অন্য নাগরিকদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা। তাদের সঙ্গে বলতে হবে কথা, করতে হবে তাদের নানা রকম কাজে সাহায্য। তাদের সঙ্গে খেলা যাবে ছোট ছোট গেম, দেওয়া যাবে উপহার। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার মাধ্যমেই গেমের অন্যান্য কাজে এগোনো যাবে, কেননা সব কাজ একা করা সম্ভব নয়। গ্রামের প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতা কতটুকু, সেটাও গেমারের সামনে তুলে ধরা হবে, কাজ করতে হবে সে অনুযায়ী।

সর্বশেষ মনে হতে পারে, স্টারডিউ ভ্যালি বা মাইনক্রাফটের মতোই গেম এটি। সেখানেই গেমটি বাকি গেমের থেকে আলাদা, কেননা এতে অ্যাকশন একেবারেই বাদ দেওয়া হয়নি। ধ্বংসপ্রাপ্ত দুনিয়ায় আছে নানা রকম শত্রু, রসদ সংগ্রহে বের হলে তাদের হামলার মুখে পড়তেই হবে। সঠিক অস্ত্রপাতি তৈরি করে তবেই প্রস্তুত হয়ে নামতে হবে সংগ্রামে। বেশ কিছু এলাকায় শুধু শত্রুই নেই, আছে কঠিন কিছু বসফাইটও। এদিক থেকে লিজেন্ড অব জেলডার সঙ্গেও মিল আছে গেমটির। গ্রাফিকস অনবদ্য, গেমে নেই কোনো ইন-অ্যাপ পারচেজ। বোঝাই যায় এটি পিসি গেমের পোর্ট।

 

খেলতে যা যা লাগবে

বেশ শক্তিশালী ডিভাইস লাগবে, অন্তত অক্টাকোর প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট র‌্যাম এবং অ্যানড্রয়েড ৯ পাই অপারেটিং সিস্টেম।

 

ডাউনলোড লিংক

https://urlzs.com/FjEiT [অ্যানড্রয়েড]

https://apps.apple.com/us/app/my-time-at-portia/id1555184523 [আইওএস]

 

বয়স

খেলতে পারবে কিশোর বয়সীরা।



সাতদিনের সেরা