kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

১০০X জুম কি রূপকথা নাকি বাস্তবতা?

কে কত বেশি অপটিক্যাল জুম নিজেদের স্মার্টফোনে দিতে পারে, এটা যেন অলিখিত এক প্রতিযোগিতা। কিন্তু বাস্তবতা কী বলে? স্মার্টফোনে ১০০X জুম দেওয়া কি সত্যি সম্ভব? জানাচ্ছেন তুসিন আহম্মেদ

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১০০X জুম কি রূপকথা নাকি বাস্তবতা?

বর্তমান বাজারে ৬৪ মেগাপিক্সেল কিংবা ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাসমৃদ্ধ ফোন পাওয়া যায়। অন্যদিকে বাজারে থাকা অনেক ডিএসএলআর ক্যামেরায় এর চেয়েও কম মেগাপিক্সেল থাকে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন—মেগাপিক্সেল বেশি হলে কি ছবির মান ভালো হয়? আসলে কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। মেগাপিক্সেল হলো এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ পিক্সেলের সংক্ষিপ্ত রূপ।

একটি ক্যামেরার সেন্সরে ছোট ছোট পিক্সেল অনুভূমিক ও খাড়াভাবে সাজানো থাকে। ক্যামেরা দিয়ে যখন কোনো ছবি ধারণ করা হয়, তখন সেই ছবিটি একটি খণ্ডে না উঠে লাখ লাখ খণ্ড আকারে ওঠে। এই লাখ লাখ খণ্ড একত্র হয়ে একটি পুরো ছবি সম্পূর্ণ করে। আর এই লাখ লাখ খণ্ডের একেকটি হলো একটি করে পিক্সেল। একাধিক পিক্সেল মিলে একটি ছবি পরিণত হয়।

১ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার সেন্সরে ১১৫২ পিক্সেল থাকে অনুভূমিকভাবে এবং ৮৬৪ পিক্সেল থাকে খাড়াভাবে। যখন আপনি পিক্সেলগুলোকে গুণ করবেন, তখন গড়ে ১০ লাখ পিক্সেল হবে। অনুরূপভাবে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রেজল্যুশন হয় ১৬০০X১২০০।

ক্যামেরায় যত বেশি মেগাপিক্সেল থাকবে, ততই এর ইমেজ সেন্সরের পিক্সেলসংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পিক্সেলসংখ্যা বাড়লেই কি ইমেজের মান উন্নত হবে?

আসলে কিন্তু তা নয়।

মেগাপিক্সেল ছবির মান নির্ধারণ করে না, এটি মূলত ছবির আকারকে বোঝায়।

ছবি ভালো হবে কি মন্দ হবে সেটি নির্ভর করে ক্যামেরার অন্য যন্ত্রাংশের ওপর। এর মধ্যে অন্যতম সেন্সর, যেটি ক্যামেরার ভেতরে থাকে। এ ছাড়া লেন্স, সফটওয়্যার তো আছেই।

এসবের পাশাপাশি সঠিক হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, অটোফোকাস সক্ষমতা, ভালো ফ্ল্যাশ এবং জুম লেভেলও এসব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

একটি ৬৪ মেগাপিক্সেলের ফোন থেকে ২০ মেগাপিক্সেল ডিএসএলআর ক্যামেরায় বেশি ভালো মানের ছবি তোলা যায়। কেননা ডিএসএলআর ক্যামেরায় অনেক বড় সেন্সর থাকায় এর পিক্সেলের আকারও অনেক বড় হয়ে থাকে। আর বড় পিক্সেল বেশি আলো, রং ও তথ্য ধারণ করতে সক্ষম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা