kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ডিমানিতে ব্যাংক এখন পকেটে

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



ডিমানিতে ব্যাংক এখন পকেটে

পকেটে টাকা, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড না থাকলেও ক্ষতি নেই। ডিমানি থাকলে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ কাজে লাগিয়েই পণ্য কেনাসহ বিভিন্ন সেবার বিল দেওয়া যাবে। চাইলে প্রয়োজনের সময় পরিচিতদের টাকা পাঠানোরও সুযোগ মিলবে। বিস্তারিত ইশতিয়াক মাহমুদের কাছে

বিভিন্ন ব্র্যান্ড শপ বা শপিং মলে পণ্যের দাম দেওয়ার সময় কার্ডের নেটওয়ার্ক জটিলতায় পড়েন অনেকে। কার্ডে থাকা অর্থের পরিমাণ কম হলেও ঝামেলা হয় বেশ। প্রয়োজনীয় টাকা না থাকলে মুখোমুখি হতে হয় বিব্রত অভিজ্ঞতার। কিন্তু এসব নিয়ে আর ঝামেলা পোহাতে হবে না, ‘ডিমানি’ অ্যাপের সাহায্যে দোকানের ক্যাশ কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়েই নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের টাকা দিয়ে শোধ করা যাবে পণ্যের দাম। ফলে প্রয়োজনের সময় আর ব্যাংক বা বুথে ছুটতে হবে না। নগদবিহীন লেনদেনের লক্ষ্য নিয়ে গত মাসে যাত্রা শুরু করা অ্যাপটিতে রয়েছে আরো বেশ কিছু সেবা।

 

ডিমানি

এ বছরের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) লাইসেন্স লাভ করে ডিমানি। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের পাশাপাশি মাস্টার কার্ড, ভিসা, ইউনিয়ন পের সঙ্গে কাজ করছে ডিমানি। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। ভাইস চেয়ারম্যান ও সহপ্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া বশির কবির। প্রতিষ্ঠানটির আরেক সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরেফ আর বশির।

 

কিউআর কোডে মূল্য পরিশোধ

বাংলাদেশ ব্যাংকের কিউআর মানদণ্ড ‘বাংলাকিউআর’ ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে মূল্য পরিশোধের সুযোগ দিয়ে থাকে ডিমানি। এ জন্য বাড়তি কোনো ঝামেলাও পোহাতে হবে না, ক্যাশ কাউন্টারের সামনে থাকা অ্যাপটির কিউআর কোড স্ক্যান করেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা যাবে। চাইলে রেস্তোরাঁর বিলও দেওয়া যাবে। বর্তমানে আড়াই হাজারেরও বেশি অফলাইন এবং অনলাইন স্টোরে ডিমানির মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা যায়। ডিমানির রিটেইল কিউআর কোডে বিভিন্ন ব্যাংকের পাশাপাশি শীর্ষস্থানীয় পেমেন্ট নেটওয়ার্ক ভিসা, মাস্টার কার্ড ও ইউনিয়ন পের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ডেবিট কার্ডের মতো সহজেই মূল্য পরিশোধ করা সম্ভব। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লেনদেনের সুযোগ না থাকায় গুগল প্লেস্টোর বা বিদেশি অনলাইন স্টোর থেকে পণ্য বা অ্যাপ কেনার সুযোগ মিলবে না। 

 

অন ডিমান্ড সার্ভিস

একই অ্যাপে কেনাকাটা, অর্থ বিনিময়ের পাশাপাশি দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা মিলে থাকে। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি যদি তাঁর গাড়ি মেরামত বা ঘর পরিষ্কারের জন্য সেবা নিতে চান, তবে ডিমানি অ্যাপে থাকা অন ডিমান্ড সার্ভিসে ক্লিক করলেই হবে। দেশি গাড়ি মেরামত বা ঘর পরিষ্কারের সেবা দেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করিয়ে দেবে ফিচারটি। কাজের ধরন এবং খরচ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগও মিলবে।

 

টপআপ

দেশের সব মোবাইল অপারেটরের মোবাইল ব্যালান্স রিচার্জ করার সুযোগ মিলবে এতে। চাইলে প্রিয়জনের অ্যাকাউন্টেও টাকা পাঠানো যাবে। 

 

বিল পে

ইন্টারনেট ও কেবল সেবার বিল, ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন সেবা খাতের বিল পরিশোধের সুযোগ মিলে থাকে ডিমানিতে। শুধু তা-ই নয়, ব্যাংকের ডিপিএস, ভেহিকল ট্র্যাকিং সেবার বিলও দেওয়া যায়। মোবাইল থেকে বিল পরিশোধের পাশাপাশি রিমাইন্ডারও সেট করা সম্ভব। ফলে সময়মতো বিল পরিশোধ করতে আর ভুলে যাবেন না ডিমানি ব্যবহারকারী।

 

গাড়ি মেরামত

চলতি পথে গাড়ি নষ্ট হলে চিন্তার শেষ থাকে না। আশপাশে গ্যারেজের সন্ধান করতে করতেই কেটে যায় অনেকটা সময়। দামি গাড়ি হলে তো কথাই নেই, আশপাশে থাকা অনভিজ্ঞ কারিগরদের পক্ষে ভালোভাবে মেরামত করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এ সমস্যা দূর করতে ঢাকার রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হলেই সরাসরি অ্যাপ থেকে ফোন করা যাবে ‘যান্ত্রিক’-এ। গাড়ি মেরামতের সেবা প্রদানকারী এই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে গাড়ি মেরামত করে দেবে। সঙ্গে প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকলেও ক্ষতি নেই, ডিমানিতেই পরিশোধ করা যাবে বিল।

 

খাবার

ভেজাল খাবার থেকে নিজেকে রক্ষা করতে অনেকেই অর্গানিক খাবার বা শাকসবজি কিনে থাকেন। দিন দিন এসব পণ্যের চাহিদা বাড়লেও এখনো এসব পণ্য খুব একটা সহজলভ্য হয়ে ওঠেনি। ফলে অর্গানিক খাবার বা শাকসবজি কিনতে যেতে হয় নির্দিষ্ট স্থানে, এতে সময়ও খরচ হয় বেশ। দৈনন্দিন এ প্রয়োজন মেটাতে গ্রাহকের পাশে রয়েছে ডিমানি। অ্যাপটি কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে অর্গানিক খাবার বা শাকসবজির পাশাপাশি গরুর খাঁটি দুধও সংগ্রহ করা যাবে।

 

স্বাস্থ্যসেবা

অ্যাপটির মাধ্যমে ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য পরীক্ষার অর্থও পরিশোধ করা সম্ভব। শুধু তা-ই নয়, অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে ব্যবহারকারীদের ঘরে এসে বিভিন্ন পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহও করবে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীরা। পরে পরীক্ষার ফলাফল ই-মেইলে পাঠিয়ে দেবে।

 

বীমা

বিভিন্ন বীমা প্রতিষ্ঠানের পলিসি সম্পর্কে জানার পাশাপাশি সেগুলোর সেবা গ্রহণের সুযোগ করে দেবে ডিমানি। পাশাপাশি ইনস্যুরেন্সের প্রিমিয়ামও জমা দেওয়া যাবে।

 

ইন্টার-অপারেবল ওয়ালেট ট্র্যান্সফার

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে পেমেন্ট সার্ভিস প্রভাইডার (পিএসপি) লাইসেন্স পাওয়ায় নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ডিমানিতে সহজেই যুক্ত করা যায়। কেনাকাটার পরিমাণ বেশি হলেও ক্ষতি নেই, কারো সাহায্য ছাড়াই অ্যাপটির অ্যাকাউন্টে টাকা গ্রহণ করা যায়। চাইলে অন্য ডিমানি ব্যবহারকারীকেও টাকা পাঠানো যাবে। এমনকি অ্যাপটি কাজে লাগিয়ে যেকোনো ব্যাংকের যেকোনো অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়। শুধু তা-ই নয়, অন্যদের পাঠানো অর্থও সংগ্রহ করা সম্ভব। ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীর পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও নগদ অর্থের পরিবর্তে দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনের সুযোগ পেয়ে থাকেন।

 

বাসা পরিবর্তন

বাসা পরিবর্তন করা বেশ ঝামেলার। ট্রাক ভাড়ার পাশাপাশি মালামাল স্থানান্তরে দক্ষ কর্মীর সন্ধান পেতেও বেশ ঝক্কি সামলাতে হয়। সব সমস্যার সমাধান দেবে ডিমানি। অ্যাপটি কাজে লাগিয়ে বাসা বা অফিসের মালামাল পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগেরও সুযোগ রয়েছে। 

 

অর্থ সাহায্য পাঠানো

ডিমানি কাজে লাগিয়ে নির্বাচিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে অর্থ সাহায্য পাঠানো যাবে।

 

ই-কমার্স সাইটে পণ্য কেনার সুযোগ

অনলাইনে সরাসরি বিভিন্ন ই-কমার্স সাইট থেকে পণ্য কেনার সুযোগ দিয়ে থাকে ডিমানি। শুধু তা-ই নয়, চাইলে বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সাইটে প্রবেশ না করেই সরাসরি পণ্য কেনার সুযোগ মিলে থাকে অ্যাপটিতে। মূল্যও পরিশোধ করা যায়।

 

অর্থ লেনদেনের পরিধি

পেমেন্ট সার্ভিস প্রভাইডার (পিএসপি) লাইসেন্সের নীতিমালা অনুযায়ী ডিমানি অ্যাপে এক দিনে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা অর্থ গ্রহণ করা যায়। মাসে সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা। কিন্তু ‘পি২বি’, ‘বি২পি’ এবং ‘বি২বি’ সেবায় সীমাবদ্ধতা না থাকায় বড় পরিমাণের অর্থ লেনদেন করা সম্ভব। ফলে উড়োজাহাজের টিকিটের মূল্য পরিশোধের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতনও অ্যাপটির মাধ্যমে দেওয়া যায়।

 

অ্যাপেই মিলবে গ্রাহকসেবা

গতানুগতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতো জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট নম্বর রয়েছে। সমস্যা সমাধানে ২৪ ঘণ্টাই একদল দক্ষ কর্মী গ্রাহকসেবা দিয়ে থাকেন। কিন্তু তার পরও অ্যাপে ক্লিক করেই নিজেদের ছোটখাটো সমস্যা দ্রুত সমাধানের সুযোগ দিয়ে থাকে ডিমানি। সমস্যার পরিধি বেশি হলে বিষয়টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকসেবা কেন্দ্রের কাছে বার্তা চলে যায়, ফলে তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে পারে। 

 

অ্যাপেই মিলবে খরচের হিসাব

পকেটে টাকা বা কার্ড না থাকলেও কেনাকাটা করা যায়—এ সুযোগের অনেকেই অহেতুক অর্থ খরচ করেন। ব্যবহারকারীদের এই হিসাবের লাগামও টেনে ধরার সুযোগ রয়েছে। সারা মাসে অ্যাপের মাধ্যমে কত খরচ হয়েছে, তা সহজেই জানার সুযোগ দেবে ডিমানি। এমনকি ব্যাংক থেকে ডিমানি অ্যাপে টাকা লেনদেনের পরিমাণ বা কোন খাতে কত খরচ হয়েছে তা-ও বিস্তারিত জানা যাবে। 

 

নিরাপত্তা

গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় এ প্ল্যাটফর্ম বেশ নিরাপদ। অর্থিক লেনদেনের সময় ব্যাংকও গ্রাহকের তথ্য পর্যালোচনা করে থাকে। শুধু তা-ই নয়, ডিমানিতে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন পদ্ধতি এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করায় আর্থিক নিরাপত্তা বিঘ্নের আশঙ্কা খুবই কম। তার পরও গ্রাহকের কাছ থেকে অভিযোগ পেলেই সরাসরি ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধান করে থাকে ডিমানি কর্তৃপক্ষ। এ জন্য ২৪ ঘণ্টা হটলাইন ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় নিয়মিত সব ধরনের অ্যাকাউন্টের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করা হয়। ব্যবহারকারীরাও অ্যাপটি কাজে লাগিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টের লেনদেন করা সব তথ্য, এমনকি কোন কোন ডিভাইস থেকে লগইন করা হয়েছে তা-ও জানতে পারেন। ফলে অন্য কেউ অ্যাকাউন্টে প্রবেশের চেষ্টা করলেই বিষয়টি তিনি জানতে পারবেন। পাশাপাশি ডিভাইস চুরি হলেই সরাসরি ডিমানির গ্রাহকসেবাকেন্দ্রে ফোন করে নিজের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা।

 

অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি

গুগল প্লেস্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের স্মার্টফোনে ডিমানি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ই নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য যুক্ত করতে হবে।

ডাউনলোড লিংক

https://urlzs.com/HmiDL (অ্যানড্রয়েড)

https://apps.apple.com/us/app/dmoney/id1441277786 (আইওএস)

সাক্ষাৎকার

আরেফ আর বশির

সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিমানি

আর্থিক লেনদেনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম বা সেবা থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই নগদ অর্থ বিনিময় হয়। ১০ শতাংশের কম মানুষের কাছে ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড রয়েছে। এমনকি ই-কমার্স শিল্পে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় ১০ শতাংশের নিচে ডিজিটাল অর্থ লেনদেন হয়। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, সব ক্ষেত্রে ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের ক্ষেত্র এখনো তেমনভাবে তৈরি হয়নি। আর তাই অন্য প্ল্যাটফর্ম বা প্রতিষ্ঠান নয়; বরং ডিজিটাল পেমেন্টবিহীন ৯৫ শতাংশ বাজারকে লক্ষ্য করেই আমরা কাজ শুরু করেছি। বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির আকার বেড়েছে। মধ্যবিত্তের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে কেনার ক্ষমতাও বাড়ছে। ক্যাশ ডিজিটালের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে খরচ। ‘পি২পি’ বা কাউকে টাকা পাঠানোর জন্য কোনো চার্জ নিই না। এমনকি ব্যাংক থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা আনার জন্যও ডিমানিতে কোনো খরচ নেই। মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠানে পণ্য কিনে অর্থ পরিশোধের সময়ও ব্যবহারকারীকে বাড়তি কোনো খরচ গুনতে হয় না। বর্তমানে ব্যাংকের এটিএমের মাধ্যমে ডিমানি অ্যাকাউন্টের টাকা ওঠানো গেলেও শিগগিরই ক্যাশ আউটের জন্য পার্টনার এজেন্টের মাধ্যমে কাজ শুরু করব। ভবিষ্যতে আরো বেশ কিছু সেবা চালু করা হবে। ডিজিটাল সেবার খরচকে অনেকে একটা বাধা হিসেবে বিবেচনা করে। আর তাই আমরা চাই ‘কম খরচে ভালো সেবা’। এ জন্য দ্রুত পার্টনার ইকো সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছি। এখন ব্যাংক টু ব্যাংক ট্রান্সফারের পাশাপাশি ডিমানি থেকে অন্য ডিজিটাল ওয়ালেটে অর্থ বিনিময় করা যায়। আমরা চাই এক অ্যাপের মধ্যেই সব ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের সুযোগ দিতে। আমাদের প্রতিযোগী হচ্ছে ক্যাশ ব্যবস্থা। পিএসপি লাইসেন্সের আওতায় ডিমানি শুধু যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে তাদের নিয়ে কাজ করছে। শিগগিরই মাল্টি-অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সেবা পরিচালনা করা হবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা