kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

গেম

মাথা খাটানোর গেম

এস এম তাহমিদ   

১২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাথা খাটানোর গেম

‘দ্য রুম’ সিরিজকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। পাজল ঘরানার অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সিরিজের নতুন গেম—‘ওল্ড সিনস’। চমৎকার গ্রাফিকস, মাথা খারাপ করে দেওয়ার মতো ধাঁধা আর কোনো ইন-অ্যাপ পারচেজের যন্ত্রণা না থাকায় এ সিরিজের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছেই।

এবারের পর্বের কাহিনি শুরু এক প্রকৌশলীর অন্তর্ধানের মধ্য দিয়ে। তার রুমে পাওয়া যায় কিছু পাজল বক্স ও অন্যান্য পাজলের অংশ। সেগুলো ব্যবহার করে সমাধান করতে হবে এক রহস্য, যার উত্তর থেকেই পাওয়া যাবে প্রকৌশলী ও তাঁর স্ত্রীর খোঁজ। পুরো রুমেই পাওয়া যাবে রহস্যময় পরিবেশ। সিরিজের আগের গেমগুলোর সঙ্গে বেশ মিল পাওয়া যাবে এই গেমেও। 

গেমারকে শুরুতে দেওয়া হবে একটি লেন্স। যার মাধ্যমে রুমের পাজল বক্স এবং অন্যান্য কনট্র্যাপশনে (অদ্ভুতদর্শন কল) থাকা অদৃশ্য চিহ্নগুলো দেখা যাবে। এগুলোর মাধ্যমেই গেমার বুঝতে পারবেন ধাঁধার সমাধান কী হতে পারে। একটি ধাঁধার সমাধান থেকে হয়তো পাওয়া যাবে একটি যন্ত্র। সেটি ব্যবহার করে পাওয়া যাবে প্রিজম। সেই যন্ত্র আর প্রিজম দুটি ব্যবহার করে সমাধান করা হবে আরেকটি ধাঁধা। এভাবেই এগোতে থাকবে গেম।

উনিশ শতকের সায়েন্স ফিকশনে যে ধরনের উন্মাদ বিজ্ঞানীদের গবেষণাগারের কথা উল্লেখ আছে, ঠিক সে ধরনের গবেষণাগারের পরিবেশ দেখা যাবে গেমটিতে।

কাঠের কাজ, কাঁসার তৈরি সব যন্ত্রপাতি, আর অদ্ভূতুড়ে বিজ্ঞান—সবই আছে এ গেমে। খেলার সময় হেডফোন ব্যবহার করাটাই উত্তম, কেননা গেমের সাউন্ডটাও পরিবেশের একটি বড় অংশ।

কোনো সহিংসতা বা নৃশংসতা না থাকায় গেমটি প্রায় সবাই খেলতে পারবে। তবে ছোটরা সব ধরনের ধাঁধার সমাধান না-ও পারতে পারে।

মস্তিষ্ক ঝালাই করার জন্য গেমটি এককথায় চমৎকার। প্রাফিকসের দিক থেকে সাধারণত পাজল গেম বেশ পিছিয়ে থাকে। সেই হিসেবে ‘দ্য রুম : ওল্ড সিনস’ তেমনটা নয়।

 

খেলার জন্য যা লাগবে

অন্তত অ্যানড্রয়েড কিটক্যাট

২ গিগাবাইট র‌্যাম

কোয়াডকোর প্রসেসর এবং হালনাগাদ জিপিউ।

খুব পুরনো ফোনে গেমটি খেলতে বেশ সমস্যা হবে।

 

ডাউলোড লিংক

https://urlzs.com/Dr7YD (অ্যানড্রয়েড)

https://apps.apple.com/gb/app/the-room-old-sins/id1286676015 (আইওএস)

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা