kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

কো-আর্টিস্ট আপনিই!

ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ডের সঙ্গে নানা ধরনের অভিব্যক্তি, নাচের মুদ্রা ও ঠোঁট মিলিয়ে অনেকেই তৈরি করছেন মজার মজার সব ভিডিও। নানা ধরনের অ্যাপের সাহায্যে তৈরি ভিডিওগুলো ফেইসবুকেও পোস্ট করেন তাঁরা। কিশোর-তরুণদের ক্রেজে পরিণত হওয়া এসব অ্যাপ সম্পর্কে জানাচ্ছেন আনিকা জীনাত

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কো-আর্টিস্ট আপনিই!

মডেল : তাহরিমা তিমা ছবি : মোহাম্মদ আসাদ

সবচেয়ে জনপ্রিয় টিকটক

চীনের তৈরি টিকটক অ্যাপটি দোউইন নামেও পরিচিত। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই অ্যাপটি এশিয়ার শীর্ষ জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপে পরিণত হয়েছে। জুন মাসের হিসাব অনুযায়ী অ্যাপটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ কোটি। এর মধ্যে শুধু চীনেই রয়েছে ১৫ কোটি।

অ্যাপটির এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখে একই ধরনের অ্যাপ তৈরির কাজে হাত দিয়েছে ফেইসবুকও। তাদের নির্মাণাধীন মিউজিক অ্যাপটির কোডনেম ‘লাসসো’।

টিকটকের মতোই জনপ্রিয় ছিল ‘মিউজিক্যালি’। সাংহাইভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপটি উন্মোচন করা হয় ২০১৪ সালের আগস্টে। মাসে অ্যাপটির ব্যবহারকারী সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় কোটি। ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর মিউজিক্যালিকে এক বিলিয়ন ডলারে কিনে নেয় টিকটক অ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান ‘বাইটড্যান্স’।

এরপর টিকটক ও মিউজিক্যালিকে একীভূত করে একটি অ্যাপে পরিণত করে বাইটড্যান্স। সেই অ্যাপই হলো আজকের ‘টিকটক’। এতে গানের সঙ্গে ঠোঁট মেলানো (লিপ সিংক) ছাড়াও জনপ্রিয় বিভিন্ন সিনেমার সংলাপ,  কোটেশন ও পছন্দের অডিও ফাইলজুড়ে দিয়েও ভিডিও বানানো যায়।

অ্যাপটির আকারও বেশ কম, মাত্র ২১২ মেগাবাইট। অ্যানড্রয়েড ও আইওএস ব্যবহারকারীরা  http://bit.ly/2qig5EU ‰es https://apple.co/2AxAKul থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

 

চলছে ফানিমেটও

আকারে ছোট মিউজিক ভিডিও বানানোর জনপ্রিয় অ্যাপ ‘ফানিমেট’। মাত্র ৯৪ মেগাবাইটের অ্যাপটি কাজে লাগিয়ে শুধু মিউজিক ভিডিও নয়, লাইভ এনিমেশন ও নানা ধরনের সাউন্ড অ্যাফেক্টও যুক্ত করা যায়। শুধু তা-ই নয়, আটটি ভাষায় ব্যবহার করা যায় অ্যাপটি। এ পর্যন্ত পাঁচ কোটিরও বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে অ্যাপটি। অ্যানড্রয়েড ও আইওএস ব্যবহারকারীরা http://bit.ly/2Rm6HLL ‰es https://apple.co/2Awjrda  থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

 

ভিভা ভিডিও

অ্যাপটি মূলত একটি ভিডিও এডিটর। মাত্র ৩৭ মেগাবাইটের অ্যাপটিতে তৈরি ভিডিওতে স্পেশাল ইফেক্ট, ফিল্টার, এনিমেটেড ক্লিপ, স্টিকার ও সাবটাইটেল যুক্ত করা যায়। বিশ্বজুড়ে অ্যাপটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২০ কোটি| http://bit.ly/2Dd8Bva ‰es https://apple.co/2CJgVC5 থেকে অ্যাপটির অ্যানড্রয়েড ও আইওএস সংস্করণ ডাউনলোড করা যাবে।

 

ট্রিলার

মিউজিক ভিডিও তৈরির আরেকটি অ্যাপ হলো ট্রিলার। এখন পর্যন্ত এটি অ্যাপস্টোর থেকেই এক কোটিবার ডাউনলোড হয়েছে। অ্যাপটির সাইজ ৪৭ মেগাবাইট। প্লেস্টোরে অ্যাপটির রেটিং ৪.৬। অ্যানড্রয়েড ও আইওএস ব্যবহারকারীরা http://bit.ly/2OWx2nb ‰es https://apple.co/2ERPHvP  থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

 

ভিডিও স্টার

কয়েক শ বিল্ট ইন ইফেক্ট রয়েছে অ্যাপটিতে। ফলে যেকোনো ভিডিও স্লো মোশন ও ফাস্ট ফরোয়ার্ড করা যায়। এমনকি চলতে থাকা দৃশ্য থামিয়ে নতুন দৃশ্যও যোগ করা যায়। যত দৃশ্যই যুক্ত করা হোক না কেন, গানের সঙ্গে দৃশ্যগুলো একদম নিখুঁতভাবে সিংক করা যাবে। অ্যাপটি শুধু অ্যাপস্টোরেই পাওয়া যাবে। বিস্তারিত https://apple.co/2PZmrUY

 

মিউজিক ভিডিও শো

২৫ মেগাবাইটের মিউজিক ভিডিও শো অ্যাপটি ১০ লাখেরও বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে। অ্যাপটির ইফেক্টগুলো সাধারণ মানের হলেও ইউজার ইন্টারফেইস থাকায় মিনিট খানেকের মধ্যেই ভিডিও তৈরি করা যায়। অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি অ্যাপটি http://bit.ly/2OYJPFC থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা