kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

টেলি ডিকশনারি

কলার আইডি

১৬ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



কলার আইডি

কলার আইডেন্টিফিকেশনের সংক্ষিপ্ত রূপ কলার আইডি। একে কলিং লাইন আইডেন্টিফিকেশন (সিএলআইডি), কলিং নাম্বার ডেলিভারি (সিএনডি), কলিং নাম্বার আইডেন্টিফিকেশন (সিএনআইডি), কলিং লাইন আইডেন্টিফিকেশন প্রেজেনটেশনও বলা হয়। যিনি ফোন করেন, তাঁর টেলিফোন বা মোবাইল নাম্বার ও নাম কলার আইডিতে তথ্য হিসেবে থাকে। ফোন করার পর যিনি ফোন করেছেন তাঁর নম্বর ও নাম একটি মডেমের মাধ্যমে চলে যায় কম্পিউটারে।

বিজ্ঞাপন

সেই কম্পিউটার থেকে কলার আইডি যায় গ্রাহকের কাছে। দেশভেদে এসব মডেমের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারগত ভিন্নতা দেখা যায়।

১৯৬৮ সালে এথেন্সের যোগাযোগ প্রকৌশলী থিয়োডোর জর্জ টেড প্যারাসকেভাকোস কলার আইডি প্রযুক্তি নিয়ে প্রথম গবেষণা করেন। তিনি এমন একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে চাইছিলেন, যাতে যিনি ফোন করবেন এবং যিনি গ্রহণ করবেন—এই দুজনকেই চিহ্নিত করা যাবে। ১৯৭১ সালে এসে বিমান তৈরির প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের জন্য প্রথম কলার আইডেন্টিফিকেশন যন্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হন তিনি। এর পর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রযুক্তিটি আরো উন্নতি করতে কাজ করে যান থিয়োডোর। তাঁর দেখানো পথ ধরেই আজকের অবস্থানে এসেছে কলার আইডি।

 

তুসিন আহমেদ



সাতদিনের সেরা