kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

গেম

কোয়ারিতে গণ্ডগোল

এস এম তাহমিদ   

২৬ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোয়ারিতে গণ্ডগোল

‘আনটিল ডন’ গেমটি ২০১৫ সালে হরর গেমকেই বদলে দিয়েছে। হরর সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় ঘরানা ‘টিন স্ল্যাশার’ নিয়ে এসেছে ভিডিও গেমের দুনিয়ায়। সেই গেমেরই উত্তরসূরি ‘দ্য কোয়ারি’।

এবারের গেমটি আটটি তরুণ-তরুণীকে ঘিরে তৈরি।

বিজ্ঞাপন

ক্যাম্পিংয়ে তাদের অভিজ্ঞতা নিয়েই গেমটি সাজানো।

সুপারম্যাসিভ স্টুডিও এবারও তাদের চমৎকার চরিত্র গঠনের ক্ষমতা প্রমাণ করেছে। গেমটির প্রথম দুই ঘণ্টার পুরো সময়েই আটটি চরিত্রকে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরই মূল গেমের অ্যাকশন শুরু।

সাধারণত হরর গেমে চরিত্রগুলোর চেয়ে গেমারকে টান টান উত্তেজনার মধ্যে রাখার জন্য ঘটনাবলি সাজানোর দিকেই নজর দেওয়া হয়। সুপারম্যাসিভ দুই দিকেই সমান নজর দিয়ে তৈরি করেছে দ্য কোয়ারি।

হ্যাকেটস কোয়ারি সামার ক্যাম্পে কাজ করতে এসেছে আটজন কাউন্সিলর। এরপর কেটে যায় দুটি মাস, এসে যায় ফেরার পালা। সকালে সব গোছগাছ শেষ করার পর দেখা যায়, মিনিবাস স্টার্ট নিচ্ছে না। কোয়ারিতে তাদের আরো একটি রাত কাটাতে হবে। ঘটনা দেখে ভড়কে যায় ক্যাম্পের মালিক ক্রিস হ্যাকেট। সে কাউন্সিলরদের বলে, যা-ই ঘটুক, বিল্ডিং থেকে বেরোনো যাবে না। এখান থেকেই মূল গেম শুরু।

মূল অ্যাকশন অবশ্য আনটিল ডনের মতোই রাখা হয়েছে। ক্লু খুঁজে বের করা, শত্রুদের ফাঁকি দিয়ে পালানো, আর ফাঁদ থেকে বন্ধুদের উদ্ধার করার মাধ্যমে গেম এগোতে থাকবে। মাত্র ১০ ঘণ্টায় শেষ করা যাবে গেমটি। তবে একাধিকবার না খেললে সব কটি উপসংহার জানা যাবে না।

একা না খেলে আটজন মিলে কো-অপারেটিভভাবে গেমটি খেললে সবচেয়ে বেশি মজা পাওয়া যাবে। তবে অনলাইন কো-অপ আপাতত চালু নেই, ল্যানের মাধ্যমে খেলা যাবে।

 

বয়স

১৮+

 

খেলতে যা যা লাগবে

অন্তত কোয়াকোর প্রসেসর, ৮ গিগাবাইট র‌্যাম এবং অনধিক সাত বছরের পুরনো মডেলের ৪ গিগাবাইট এনভিডিয়া বা রেডিওন জিপিইউ।



সাতদিনের সেরা