kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৩০ নভেম্বর ২০২১। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

গেম

আর্কোলজিতে ধুন্ধুমার কাণ্ড

সালাম মোহাম্মদ   

২৪ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আর্কোলজিতে ধুন্ধুমার কাণ্ড

অ্যাসেন্ট করপোরেশনের গড়া শহর আর্কোলজি। মেঘেরও ওপরে অবস্থিত এ শহরে বাস করে অ্যাসেন্ট করপোরেশনের কর্মচারীরা, সঙ্গে থাকে কিছু এলিয়েন ব্যবসায়ী। শহরের সব কিছুর দায়িত্বে রয়েছে অ্যাসেন্ট কম্পানি। কাগজে-কলমে নাগরিকরা কম্পানির কর্মচারী হলেও আদতে তারা দাস। কম্পানি তাদের দায়িত্ব নিয়েছে ঠিকই, কিন্তু কম্পানিকে ছাড়া তাদের টিকে থাকার কোনো উপায়ই রাখা হয়নি। এর মধ্যে একদিন জানা গেল, শহরটির সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে অ্যাসেন্ট করপোরেশন হয়ে গেছে বন্ধ। চারদিকে নিমিষেই শুরু হয়ে যায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা, বেঁচে থাকার জন্য লড়াই শুরু করে সবাই। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় অ্যাকশন শ্যুটার আরপিজি গেম ‘দি অ্যাসেন্ট’। টপ-ডাউন ভিউর এই শ্যুটিং গেমটির গভীরতা হয়তো তেমন নেই, কিন্তু শহরের ডিজাইন আর অ্যাকশন অনবদ্য।

শুরুতেই যে কথা না বললেই নয়, নির্মাতারা সরাসরি না বললেও দি অ্যাসেন্ট পুরোপুরি সাইবারপাংক ঘরানার। গ্রাফিকস, আর্ট স্টাইল এবং কাহিনির ধরন পুরোপুরি সাইবারপাংক আর্ট বলা যায়। এই গেমে সেটি এতটাই চমৎকারভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যে দি অ্যাসেন্টকে দেখে লজ্জা পেতে হবে ‘সাইবারপাংক ২০৭৭’-এর নির্মাতাদের। যারা সাইবারপাংক ঘরানার ভক্ত তাদের উচিত একবার হলেও দি অ্যাসেন্ট খেলা।

আরপিজি বলা হলেও, আসলে দি অ্যাসেন্ট বলা যায় অ্যাকশন কো-অপ শ্যুটার। রোল প্লেয়িং বলতে আছে শুধু শরীরের অগমেন্টেশন বদলে বিভিন্ন ধরনের ক্ষমতা বাড়ানো, যাতে একই মিশন নানাভাবে খেলা যায়। চরিত্রগুলোর নেই তেমন গভীরতা, মূলত তাদের কাজই হচ্ছে গেমারকে মিশনে পাঠানো। আর মিশনগুলো তেমন জটিল নয়, মূলত শক্র দমন করাই হবে গেমারের মূল এবং কিছু ক্ষেত্রে একমাত্র কাজ।

মজার বিষয় হচ্ছে, শত্রু দমন করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বেশির ভাগ শত্রুই থাকবে গেমারের চেয়ে বেশ শক্তিশালী, তাই নানা ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে বুদ্ধি খাটিয়ে তবেই তাদের পরাস্ত করার উপায় বের করতে হবে। এক সেকেন্ডের জন্যও বেখেয়ালি হলে এগোনো যাবে না আর। গেমের দুনিয়া উন্মুক্ত হওয়ায় গেমার ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়াতে পারবে, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে শত্রুদল যাতে অতর্কিত হামলা করতে না পারে। অ্যাকশনও দুর্দান্তভাবে তুলে ধরা হয়েছে, আলোর চমৎকার ব্যবহারে এই অন্ধকার দুনিয়া বন্দুকের গুলির ঝলকানিতে আলোকিত করে ফেলার অনুভূতি আর কোনো গেমে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।

ল্যান বা অনলাইন—দুভাবেই কো-অপ খেলা যাবে। 

 

খেলতে যা যা লাগবে

অন্তত ৬৪বিট উইন্ডোজ ১০, ইন্টেল কোর আই৫ ৩৪৭০ প্রসেসর বা এএমডি এফএক্স ৮৩৫০, ৮ গিগাবাইট র‌্যাম, জিটিএক্স ৬৬০ বা রেডিওন আর৯ ৩৯০এক্স জিপিউ এবং ৩৩ গিগাবাইট জায়গা।

 

বয়স

গেমটি শুধু প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য।



সাতদিনের সেরা