kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

গেম

শীতল যুদ্ধের দিনগুলোতে

তানভীর রহমান পার্থ   

১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শীতল যুদ্ধের দিনগুলোতে

১৯৮১ সাল, ইরানে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখা কাসিম জাভেদি ও আরাশ কাদিভারকে দমন করতে পাঠানো হলো সিআইয়ের দুর্ধর্ষ এজেন্ট এডলার, মেসন ও উডসকে। কিন্তু আরাশকে দমন করার সময় তারা জানতে পারে এর পেছনে মূলত কলকাঠি নাড়ছে রুশ কেজিবি এজেন্ট ‘পার্সিয়াস’। এভাবেই শুরু হয় ‘কল অব ডিউটি’ সিরিজের নতুন গেম ‘ব্ল্যাক অপস : কোল্ড ওয়ার’।

২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কল অব ডিউটি : ব্ল্যাক অপস’-এর সাফল্যের ধারাবাহিকতার পর ১৩ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছে ‘ব্ল্যাক অপস : কোল্ড ওয়ার’, যা ‘ব্ল্যাক অপস’ সিরিজের ষষ্ঠ এবং ‘কল অব ডিউটি’ সিরিজের ১৭তম গেম। এই ‘পার্সিয়াস’কে নিয়েই সিরিজের এ পর্বের কাহিনি এগিয়ে যাবে। মূল চরিত্র হিসেবে থাকছে একজন এজেন্ট, যার একমাত্র পরিচয় ‘বেল’ নামে। এজেন্ট বেলকে তার বুদ্ধিমত্তা ও বন্দুকযুদ্ধের পারদর্শিতার প্রমাণ দিয়ে হাজির হতে হবে ‘পার্সিয়াস’ পর্যন্ত।

গেমটিতে এবার রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন সংলাপ ও সিদ্ধান্ত, যা নিতে হবে গেমারকে। প্রতিটি সংলাপ ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে গেমটির গল্প কোন দিকে অগ্রসর হবে। গেমার গল্পের দিকে যত অগ্রসর হবেন, তত জানতে পারবেন এজেন্ট বেল সম্পর্কে, ‘সিআইএ’, ‘এমআইসিক্স’, ‘মোসাদ’-এর বিভিন্ন অপারেশনের ব্যাপারে এবং ‘পার্সিয়াস’ কে আর কী বা তার উদ্দেশ্য।

৮০-এর দশকের পূর্ব জার্মানি, ভিয়েতনাম, তুরস্ক ও সোভিয়েত কেজিবি হেডকোয়ার্টারসহ বেশ কিছু স্থান মিলে এবারের গেমটির পটভূমি। প্রতিটি স্থানে থাকবে রুদ্ধশ্বাস মিশন, যা এজেন্ট বেলকে পার করতে হবে। ক্যাম্পেইন মোড ছাড়াও গেমটি অনলাইনে খেলা যাবে এবং আছে জম্বি মোডও, যেখানে গেমারকে যুদ্ধ করতে হবে জম্বি হয়ে যাওয়া কেজিবি এজেন্টদের সঙ্গে।

শুটিংয়ের দিক থেকে এবারের গেমটি নতুন প্রজন্মের কনসোল ব্যবহারকারীদের জন্য হবে আলাদা একটি আকর্ষণ। ‘প্লেস্টেশন ৫’-এর ‘অ্যাডাপ্টিভ ট্রিগার’-এর সঙ্গে এই গেমটির শুটিংয়ের সম্মিলন এককথায় অসাধারণ। পিসিতে যাঁরা অনলাইন শুটার খেলে অভ্যস্ত, তাঁদের কাছেও গেমটি শুটিংয়ের দিক থেকে বেশ অসাধারণ মনে হতে পারে।

গত বছরের মুক্তি পাওয়া মডার্ন ওয়ারফেয়ারের তুলনায় গ্রাফিকসের দিক দিয়ে কিছুটা পিছিয়ে আছে গেমটি। গেমের ম্যাপের কম আলোর জায়গাগুলোতে দেখতে গিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়তে পারেন গেমাররা। তবে ম্যাপটি গত বছরের মডার্ন ওয়ারফেয়ারের তুলনায় বেশ ছিমছাম। অ্যাক্টিভিশন ও ট্রেয়ার্কের এই গেম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে আইডাব্লিউ ৮.০ ইঞ্জিন। এ ছাড়া কনসোলে থাকছে ফিল্ড অব ভিউ স্লাইডার, যা গেমারকে দেবে অনেক দূর বা কাছে পর্যন্ত ভালোভাবে দেখার মতো সুবিধা। এনভিডিয়া আরটিএক্স সিরিজের গ্রাফিকস কার্ডগুলোর জন্যও ডিএলএসএস ও রে-ট্রেসিং ফিচারটি রয়েছে।

 

খেলতে যা যা লাগবে

কোর আই ফাইভ-২৫০০কে/ রাইজেন ফাইভ ১৬০০এক্স

জিটিএক্স ৯৭০/ জিটিএক্স ১৬৬০ সুপার অথবা আর ৯৩৯০এক্স/ আরএক্স ৫৮০

র‌্যাম ১২ গিগাবাইট

হার্ডডিস্ক ১৭৫ গিগাবাইট

 

বয়স ১৭+

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা