kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

গেম

নতুন মিশনে কেইট ডিয়াজ

এস এম তাহমিদ   

১২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নতুন মিশনে কেইট ডিয়াজ

তুমুল জনপ্রিয় ‘গিয়ার্স অব ওয়ার’ সিরিজের সর্বশেষ গেম ‘গিয়ার্স ৫’ প্রকাশিত হয়েছে ৬ সেপ্টেম্বর। অ্যাকশন গেম সিরিজগুলো সাধারণত তিন বা চারটি গেমের পর ঝিমিয়ে পড়ে; গিয়ার্স উজ্জ্বল ব্যতিক্রম।

এবারের গেমের মূল চরিত্র কেইট ডিয়াজ। যারা গিয়ার্স ৪ খেলেছেন তাঁরা এর মধ্যেই কেইটের সঙ্গে পরিচিত। আগের গেমের মূল চরিত্র জেডি হলেও সবাই বলেছেন, গেমের কাহিনি এই কেইটকে ঘিরেই। সে কারণেই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দ্য কোয়ালিশন এবার সরাসরি কেইটকেই গেমারের হাতে ছেড়ে দিয়েছে। গেমের শুরুতে দেখা যাবে, কেইট, জেডি, ডেল এবং মার্কাস আজুরার ধ্বংসস্তূপে হানা দিয়েছে ‘হয়ামার অব ডন’ সিরিজের একটি পরীক্ষামূলক উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করার জন্য। নানা ধরনের টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে দলটির বেঁচে থাকা এবং কেইটের সত্যিকার পরিচয় খুঁজে বের করা নিয়েই সাজানো হয়েছে গেমটির কাহিনি।

যাঁরা সিঙ্গেলপ্লেয়ার গেমের ভক্ত, তাঁদের কাছে গিয়ার্স ৫ অবশ্যই ভালো লাগবে। আর যাঁরা কেইটের বদলে অন্যান্য চরিত্র নিয়ে খেলতে চান, তাঁরা চাইলেই চরিত্র বদলে স্কোয়াডের অন্যদের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন।

খুবই জটিল কোনো অবস্থার মধ্যে যদি অতিরঞ্জন বারবার ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে গেমারের কাছে সেটি হাস্যকর লাগতেই পারে। ‘গিয়ার্স অব ওয়ার’ সিরিজের অন্যান্য গেম থেকে এবারের গেমটিও ব্যতিক্রম নয়। প্রচণ্ড গোলাগুলির মধ্যেই যদি এক চরিত্র অন্যকে ‘আসার জন্য ধন্যবাদ’ বলে বসে, তাহলে হাসির রোল পড়তে বাধ্য।

তার পরও গিয়ার্স ৫ প্রয়োজন অনুযায়ী যথেষ্ট সিরিয়াস। মানবতা রক্ষার নামে গেমটির মূল অর্গানাইজেশন ‘কগ’ যেভাবে গণহত্যা চালানোর সিদ্ধান্ত বারবার নিচ্ছে, সেটি কতটা ন্যক্কারজনক তা তুলে ধরতে একেবারেই পিছপা হয়নি ‘দ্য কোয়ালিশন’। টানা লড়াই করতে করতে সৈন্যদের মানসিক অবস্থাও ভেঙে পড়ে; সেটিও তারা তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। তার মানে এ নয় যে গিয়ার্স ৫ হঠাৎই খুব উচ্চমানের শিল্পে পরিণত হয়েছে, আগের চেয়ে গেমটির কাহিনিতে অল্পবিস্তর গভীরতা আনা হয়েছে বলা যেতে পারে।

অবশ্য গেমপ্লে খুব বদলে গেলে গিয়ার্সকে আর চেনা যাবে না। সেটা মাথায় রেখেই তুমুল অ্যাকশন আর অতিরঞ্জিত অস্ত্রপাতি গেমটিতে বহাল রেখেছে তার নির্মাতা। বিশাল ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি ভার্সেস, এসকেপ এবং হোর্ড মোড গেমটিতে রাখা হয়েছে। মাল্টিপ্লেয়ারও বাদ যায়নি, আছে কো-অপ এবং প্লেয়ার ভার্সেস প্লেয়ার দুই প্রকারেরই মাল্টিপ্লেয়ার। একই টিভিতে তিনজন গেমার একসঙ্গে খেলতে পারবেন। গেমটির ক্যাম্পেইন অনেকটা ব্লকবাস্টার সিনেমার মতো করে সাজানো হয়েছে, বারবার বদলে দেওয়া হয়েছে সিনারি, এক স্থান থেকে ঘটনা অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যাতে একঘেয়েমিতে পেয়ে না বসে। দুর্দান্ত গ্রাফিকস গেমারের নজর ধরে রাখবে পুরোটা সময়। তবে এ বছরের সেরা গ্রাফিকসের গেম একে বলা যাবে না। এনভিডিয়া ২০৮০টিআই ব্যবহার করে ফোরকে রেজল্যুশনে গেমটি খেলা যাবে ৬০ এফপিএস গতিতে।

 

খেলতে যা যা লাগবে

অন্তত ৬৪ বিট উইন্ডোজ ৭

ষষ্ঠ প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই৩ বা এএমডি এফএক্স ৬০০০ সিরিজের প্রসেসর

৮ গিগাবাইট র‌্যাম

এএমডি রেডিয়ন আর৯ ২৮০ বা এনভিডিয়া জিটিএক্স ৭৬০ বা ১০৫০ জিপিউ

জায়গা লাগবে অন্তত ৮০ গিগাবাইট

গেমটি শুধু ডাইরেক্টএক্স ১২ মোডেই খেলা যাবে।

 

বয়স

১৮+

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা