kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

বেঁচে থাকার লড়াই

এস এম তাহমিদ   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বেঁচে থাকার লড়াই

জনপ্রিয় গেইম সিরিজ ‘মেট্রো’ প্রথমবারের মতো হাজির ওপেন ওয়ার্ল্ড গেইম হিসেবে। ‘ফারক্রাই’, ‘ফল আউট’ ও ‘মেট্রো’—সিরিজের গেইমগুলো এর আগে যাঁরা খেলেছেন তাঁদের কাছে ‘মেট্রো এক্সোডাস’ মনে হবে এই তিন ঘরানার সংমিশ্রণ।

এবারের গেইমটিরও মূল চরিত্র আর্টিয়োম। ধ্বংস হয়ে যাওয়া রুশ শহরগুলোর নিচে অবস্থিত মেট্রো রেল টানেলে না থেকে আর্টিয়োম ও তার সঙ্গী-সাথিরা এবার ট্রেনে করে বেরিয়ে পড়ে নতুন এলাকার সন্ধানে।  

মেট্রো সিরিজে দেখানো হয়েছে, পারমাণবিক বোমা হামলায় মস্কো এবং আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু যারা তাৎক্ষণিকভাবে মেট্রো টানেলে আশ্রয় নিতে পেরেছিল, তারাই আজ বেঁচে আছে। টিকে থাকা মানুষগুলোও কিছু গোত্র তৈরি করে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করে। সঙ্গে তেজস্ক্রিয়তায় বদলে যাওয়া প্রাণিকুলের এবং বিবর্তিত মানবাকৃতির ‘ডার্ক ওয়ানসদের’ হামলা তো আছেই। সব কিছুর মধ্যে বেঁচে থাকার লড়াই নিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘মেট্রো’ সিরিজের প্রথম দুটি গেইম। এবারের পর্বটির কাহিনি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে যাঁরা আগের পর্বগুলো খেলেননি তাঁদের এক্সোডাসের ঘটনা বুঝতে সমস্যা হবে না।

গেইমটিতে সরাসরি কোনো মূল ভিলেন নেই। মূল চরিত্র আর্টিয়োম, তার স্ত্রী এবং সঙ্গী-সাথিদের ট্রেনের মাধ্যমে রাশিয়ার অন্যান্য এলাকা ঘুরে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টাই হবে গেইমারদের মূল লক্ষ্য। পুরোপুরি ওপেন ওয়ার্ল্ড না হলেও ট্রেনে করে একেকটি এলাকায় হাজির হওয়ার পর নতুন এলাকায় না যাওয়া পর্যন্ত সেই এলাকার সব মিশন ইচ্ছামতো করা যাবে। তবে বেশির ভাগ মিশনেই নির্দিষ্টভাবে সেটি শেষ করার উপায় দেওয়া থাকায় অন্যান্য ওপেন ওয়ার্ল্ড গেইমের মতো এক্সোডাসে ততটা স্বাধীনতা নেই।

অন্যান্য ওপেন ওয়ার্ল্ড গেইমের মতো মেট্রো এক্সোডাসেও অস্ত্র, গুলি ও ওষুধ কেনার বদলে নিজে তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বেশি। প্রতিটি অস্ত্রেরই আছে বেশ কিছু মোড, যা ব্যবহার করে সেটির ক্ষমতা বা ব্যবহাররীতিই বদলে দেওয়া যাবে। গুলি বা তীর তৈরি করা যাবে কুড়িয়ে পাওয়া কাঁচামাল থেকে, ওষুধের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা।

গেইমটির প্রতিটি চ্যাপ্টার একেকটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে। ফলে শীতের বরফ, গ্রীষ্মের উত্তাপ আর হালকা বৃষ্টির মধ্যেও খেলতে হবে। এ ছাড়া গেইমটিতে দিন ও রাত রাখা হয়েছে, ফলে আগের গেইমগুলোর মতো সময় স্থির মনে হবে না।

এক্সোডাসের মূল দুর্বলতা বলা যেতে পারে যানবাহন। হাঁটার বা দৌড়ানোর গতি যেমন ধীর, গেইমে থাকা বাহনগুলোও অত্যন্ত ধীরগতির। ফলে ঘুরে বেড়াতে দীর্ঘ সময় লাগবে। শুধু তা-ই নয়, পশুপাখির হামলার শিকার হওয়ার আশঙ্কাও প্রবল। এ ক্ষেত্রে ‘ফারক্রাই ২’-এর সঙ্গে এক্সোডাসের মিল আছে।

মেট্রো সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সরু টানেল বা অন্ধকার টানেলের মধ্যে যুদ্ধ করা। দম বন্ধ করা পরিবেশ মেট্রো নামটির সঙ্গে মিশে গেছে।

গেইমটি পিসি ছাড়াও খেলা যাবে এক্সবক্স ওয়ান, প্লেস্টেশন ৪-এর মতো প্ল্যাটফর্মে।

 

খেলতে যা যা লাগবে

ইন্টেল কোরআই৫ বা এএমডি এফএক্স সিরিজের প্রসেসর

৮ গিগাবাইট র‌্যাম

উইন্ডোজ ১০ ৬৪বিট

এনভিডিয়া জিটিএক্স ৬৭০ বা এএমডি রেডিওন ৭৮৭০ জিপিউ

হার্ডডিস্কে অন্তত ৬০ গিগাবাইট জায়গা।

 

বয়স ১৮+

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা