kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

দেশের ছয় প্রতিষ্ঠান পেল ‘উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স’ পুরস্কার

টেক প্রতিদিন ডেস্ক   

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের ছয় প্রতিষ্ঠান পেল ‘উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স’ পুরস্কার

তথ্য-প্রযুক্তির অলিম্পিক খ্যাত ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (ডাব্লিউসিআইটি) সম্মেলনে ‘উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স’ পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের ছয় প্রতিষ্ঠান। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য    এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়। মালয়েশিয়ায় ১৮ নভেম্বর   শুরু হওয়া তিন দিনের এই সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন পুরস্কার ঘোষণা  করা হয়।

বিশ্বের ৮০টির বেশি দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সংগঠনগুলোর জোট ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) এই সম্মেলনে চারটি বিভাগে রানার্স-আপ এবং দুটি বিভাগে মেরিট পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো।

রানার্স-আপ পুরস্কার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কভিড-১৯ টেক সলিউশনস ফর সিটিজ অ্যান্ড লোকালিটিজ বিভাগে সরকারের      তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের এটুআই প্রকল্প এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি লিমিটেডের যৌথ প্রকল্প।

প্রাইভেট পার্টনারশিপ বিভাগে সরকারের ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিয়া) প্রকল্প। ইনোভেটিভ ই-হেলথ সলিউশনস বিভাগে মাইসফটের মাই হেলথ বিডি এবং ভার্চুয়াল হসপিটাল অব বাংলাদেশ। ই-এডুকেশন অ্যান্ড লার্নিং বিভাগে বিজয় ডিজিটাল।

অন্যদিকে মেরিট পুরস্কার পেয়েছে ডিজিটাল অপরচুনিটি অর ইনক্লুশন বিভাগে নগদ এবং সাসটেইনেবল গ্রোথ বিভাগে ডিভাইন আইটি লিমিটেডের প্রিজম ইআরপি।

প্রতিবছর তথ্য-প্রযুক্তি খাতে এই সম্মাজনক পুরস্কার দিয়ে থাকে উইটসা। বৈশ্বিক তথ্য-প্রযুক্তিশিল্পের প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর বিবেচনা করা হয় উইটসাকে। বিশ্বের প্রতিটি কোণ থেকে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানকে তুলে আনতে কাজ করে সংস্থাটি। উইটসার চেয়ারম্যান ইভোন চু এবারের আয়োজন সম্পর্কে বলেন, ‘উইটসার ২০ বছরের ইতিহাসে কখনোই এর বেশি মানসম্মত, দক্ষ, অনন্য এবং উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্প পর্যালোচনার সুযোগ পাইনি।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে ঘোষণা করা হয়, ডাব্লিউসিআইটি সম্মেলনের পরবর্তী আয়োজন হবে বাংলাদেশে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা