kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

মানবপাচার বন্ধে দৃঢ় অঙ্গীকার প্রয়োজন

এ কে এম আতিকুর রহমান

৩০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



মানবপাচার বন্ধে দৃঢ় অঙ্গীকার প্রয়োজন

বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবসটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতিবছর ৩০ জুলাই পালিত হয়। মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের অবস্থা এবং তাদের অধিকার সংরক্ষণ ও সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ গৃহীত রেজল্যুশন নম্বর এ/আরইএস/৬৮/ ১৯২-এর মাধ্যমে প্রতিবছর ৩০ জুলাই এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন কর্তৃক স্বীকৃত সংজ্ঞা অনুসারে মানবপাচার হলো উন্নয়নশীল বা অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশগুলোর মানুষের নিজেদের দেশের সীমানা অবৈধ বা গোপনীয়ভাবে অতিক্রম করা। মানবপাচারের ইতিহাস বলে যে প্রক্রিয়াটি মূলত নারী ও শিশু পাচার থেকে শুরু হয়, যাদের অর্থের বিনিময়ে অসামাজিক, নির্যাতনমূলক এবং অবৈধ কার্যকলাপ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। তবে পুরুষরাও পাচারকারীদের শিকার হতে শুরু করলে সেই সংজ্ঞাটি এক নতুন মাত্রা পায়। যেসব কারণে মানুষ মানবপাচারকারীর খপ্পরে পড়ে তার মধ্যে দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের অভাব, আয়বৈষম্য, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, পাচার রোধে প্রয়োজনীয় আইনের প্রয়োগ না থাকা, সচেতনতার অভাব এবং ব্যক্তিগত লোভ উল্লেখযোগ্য।

চলমান করোনা মহামারিকে বিবেচনা করে এই বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের কণ্ঠই পথ দেখাবে। মানবপাচারের শিকার হওয়া মানুষই এই প্রতিপাদ্য বিষয়ের কেন্দ্র এবং এসংক্রান্ত সব প্রচারণা হবে মানবপাচার থেকে বেঁচে আসা লোকদের কাছ থেকে শোনার ও জানার গুরুত্বকে তুলে ধরা। বেঁচে আসা ওই সব মানুষ মানবপাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মূল শক্তি হওয়ায় একমাত্র ওই জীবনের অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করতে পারে। নিঃসন্দেহে তাদের থেকে শোনা কাহিনি ওই সব জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধ, ক্ষতিগ্রস্তদের শনাক্ত ও উদ্ধার এবং তাদের যথাযথ পুনর্বাসনসহ সব প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ভূমিকা রাখবে।

আমরা জানি যে করোনা মহামারি বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি সামাজিক কাঠামোকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং ফলে দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত কারণ সৃষ্টি হয়েছে। কভিড-১৯ সংকটটি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বিগত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো বিশ্বে চরম দারিদ্র্য বৃদ্ধির সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। দারিদ্র্যের এই বৃদ্ধি দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে মানবপাচারের গতি বাড়ানোসহ নানা ধরনের আর্থ-সামাজিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। অবশ্যই মানবপাচারকারীরা এসব দুর্বলতার সুযোগ নিতে বিলম্ব করবে না।

কভিড-১৯ নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যস্ততার কারণে অন্য ক্ষেত্রগুলোর মতো মানবপাচার প্রতিরোধ প্রচেষ্টায়ও উল্লেখযোগ্য ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কাঙ্ক্ষিত ফল প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে বিষয়টি পরিচালনা করার জন্য সরকার, সুধীসমাজ, বেসরকারি খাত এবং অন্যান্য পাচারবিরোধী ব্যক্তি বা সংস্থার মধ্যে একটি টেকসই সহযোগিতা স্থাপন গুরুত্বপূর্ণ। পাচারকৃত ব্যক্তি ও সমাজের অন্য অরক্ষিত ব্যক্তিদের ভবিষ্যৎ সংকটের জটিলতর প্রভাব প্রতিরোধের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যমান মানবপাচারের প্রবণতা মোকাবেলার প্রয়াসকে জোর দিয়ে একটি সমন্বিত পাচারবিরোধী কৌশল প্রণয়ন করা আবশ্যক।

২০২০ সালের মানবপাচারসংক্রান্ত গ্লোবাল রিপোর্টে বেশ কিছু নীতিগত বিবেচনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন—১. মানবপাচার প্রতিরোধ ও মূলোৎপাটন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ জাতীয় পাচারবিরোধী কাঠামো সৃষ্টি; ২. অপরাধীদের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ব্যবস্থা এবং তাদের বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ; ৩. সামাজিক সম্পর্ক শক্তিশালীকরণ, অর্থনৈতিক প্রয়োজনে পরিবারের জন্য সুরক্ষা বেষ্টনী তৈরি, অর্থনৈতিকবৈষম্য এবং লিঙ্গবৈষম্য হ্রাস করা, যাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পাচারের শিকার না হয়; ৪. অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে স্থানীয় সম্প্রদায় এবং সুধীসমাজকে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করা ও দায়িত্ব দেওয়া; ৫. সরকারি ও বেসরকারি সব সোশ্যাল মিডিয়াকে পাচারমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়াসে সংযুক্ত করা; ৬. পাচারের শিকার ব্যক্তিদের বল প্রয়োগ করে কোনো অপরাধ করানোর কারণে কোনো প্রকার শাস্তি প্রদান না করা; ৭. জাতিসংঘ মানবপাচারসংক্রান্ত প্রটোকল অন্তর্ভুক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলোর বাস্তবায়ন জোরদার করা এবং ৮. মানবপাচার প্রতিরোধ নীতি ব্যাপকভাবে প্রচার করা।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্বের সব দেশের জন্য গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০-এ মানবপাচার বিষয়ক উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ওই উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে শিশুদের পাচার ও তাদের প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবি; মানবপাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা এবং নারী ও শিশুদের প্রতি সব ধরনের সহিংসতা এবং শোষণ দূর করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ওই সব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে শুধু রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিলেই হবে না, সামাজিক উন্নয়নের দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। লক্ষ্য থাকবে মানবপাচার নামক এই সামাজিক ব্যাধি থেকে রাষ্ট্রকে মুক্ত করা।

মানবপাচারকারীরা অন্যান্য দেশের মতোই প্রায় একই সময়ে বাংলাদেশে এই ব্যবসা শুরু করে। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে মানবপাচার, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পাচার করা হয়ে থাকে সেসব দেশে যেখানে পাচারকারীদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। মানবপাচারকারীরা বিদেশে ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে সমাজের অরক্ষিত মানুষকে, বিশেষ করে মহিলাদের লোভের জালে ফেলতে বেশ অভিজ্ঞ। বাংলাদেশে এমন লোকও আছে যে স্বেচ্ছায় পাচার হতে চায়। এমনকি তারা মানবপাচারকারীদের অনেক অর্থ দেওয়ার প্রস্তাবও দেয়। গন্তব্যটি উন্নত বা সমৃদ্ধশালী দেশ হলে পাচারকারীরা অতি সহজেই তাদের কাঙ্ক্ষিত অর্থ পেয়ে যায়। জেনেশুনেই এই ব্যক্তিরা অবৈধ পথটি বেছে নেয়, যা তাদের জীবনকে অত্যন্ত ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। সত্যি বলতে, বাংলাদেশের প্রত্যেকেই এসব নেটওয়ার্ক সম্পর্কে ওয়াকিফহাল এবং পাচারকারীরাও তাদের জানাশোনা।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত ‘মানবপাচার প্রতিবেদন-২০২১’ অনুসারে বাংলাদেশ আগের মতো এবারও দ্বিতীয় স্তরে (টায়ার-২) রয়ে গেছে। এই প্রতিবেদনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তেমনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ন্যূনতম মান পূরণ করতে পারেনি, যেমন—দোষীদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্তদের যত্ন নেওয়া, উচ্চ অভিবাসন ফি এবং নিয়োগকারীদের সাব-এজেন্টদের অবৈধভাবে কাজ করা, জোরপূর্বক কাজ করানো ও যৌনকর্মের উদ্দেশ্যে পাচার ইত্যাদি। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সাধ্যমতো প্রচেষ্টা চালিয়েও যাচ্ছে, তবু পাচার বন্ধ করার নিম্নতম মান পূরণ করতে পারছে না।

যেহেতু মানবপাচারকারীরা খুব শক্তিশালী নেটওয়ার্কের মধ্যে কাজ করে এবং মানবপাচার কর্মের শিকড়টি খুবই গভীরে প্রোথিত, তাই বাংলাদেশ থেকে রাতারাতি তা দূর করা কঠিন। সরকার এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও মাঠ পর্যায়ে তার যথাযথ বাস্তবায়ন নেই বললেই চলে। এটা সত্য যে সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়া গেলে একা সরকারের পক্ষে এটি নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব। জনগণের মধ্যে যথাযথ সচেতনতা সৃষ্টি করাই হচ্ছে মানবপাচার নিয়ন্ত্রণের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ ছাড়া অন্যান্য গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থাগুলো হলো—১. বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ; ২. অবৈধ অভিবাসন পুরোপুরি বন্ধ করার পদক্ষেপ গ্রহণ; ৩. প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষার জন্য বিদ্যমান অসাম্যতা হ্রাস করার নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; ৪. সব পাচারবিরোধী সংস্থার মধ্যে দৃঢ় সহযোগিতা গড়ে তোলা; ৫. পাচারবিরোধী পদক্ষেপের প্রতি সক্রিয় সমর্থন এবং সংকট নিরসনের পরিকল্পনার ওপর জোর দেওয়া; ৬. পাচারকারী, পাচার কাজের জন্য অপরাধী এবং তাদের সহযোগীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিতকরণ; ৭. পাচারবিরোধী উদ্যোগে নিয়োজিত বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ; ৮. পুনর্বাসনসহ ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ দেখভাল নিশ্চিত করা; ৯. আঞ্চলিক ভিত্তিতে পাচার প্রতিরোধ বিষয়ে একটি যৌথ সহযোগিতাকাঠামো গঠন; ১০. কভিড-১৯ মহামারি চলাকালীন নতুন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য পাচার প্রতিরোধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলো যে সক্ষমতা অর্জন করেছে তা মহামারি-পরবর্তী সময়েও প্রয়োজনে কাজে লাগানো; ১১. অনেক সময় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সম্ভাব্য অভিবাসীদের বিদেশে চাকরির নামে যেন পাচার না করতে পারে সেদিকে তীক্ষ দৃষ্টি রাখা এবং ১২. সরকারকে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত পাচার নিরসনের জন্য এবং সীমান্তে পাচার চিহ্নিতকরণ ও রোধে যৌথভাবে কাজ করবে।

আমি পাচার হওয়া বাংলাদেশি অভিবাসীদের গ্রেপ্তার, আটক বা বিচারের মুখোমুখি হওয়া সম্পর্কে কিছু বলতে চাই। আমরা জানি, পাচার হওয়া বাংলাদেশিদেরও কর্মরত দেশের আদালত তাদের দিয়ে জোর করে করানো অবৈধ কার্যকলাপ বা অপরাধের জন্য বিচার করে থাকেন। ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইমস প্রতিরোধসংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে পাচার হওয়া কোনো ব্যক্তিকে বাধ্য হয়ে করা কোনো অপরাধ বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের জন্য গ্রেপ্তার করা, আটক রাখা, মামলা-মোকদ্দমায় জড়ানো, দণ্ড বা অন্য কোনো শাস্তি দেওয়া যাবে না। বিদেশে আমাদের দূতাবাসগুলোকে এ বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করতে হবে, যদিও মানবপাচারের শিকার হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রমাণ করা খুব সহজ কাজ হবে না।

সম্ভবত প্রতিবছর এই দিবসটি উদযাপন করার সময় আমরা মানবপাচারের শিকার হওয়া মানুষের জন্য অনেক চিন্তা-ভাবনা করি এবং প্রচার করি। তবে ওই উদ্যোগগুলোর ফলাফল ততটা আশা-জাগানিয়া বা সন্তোষজনক হয়ে ওঠে না। এর মূল কারণ হচ্ছে অন্যান্য আন্তর্জাতিক দিবসের মতো এটিও নানা বর্ণিল আয়োজন আর বক্তৃতার ফুলঝুরিতে পালিত হয়, মানবপাচার বন্ধের জন্য বিশ্বনেতাদের যে দৃঢ় অঙ্গীকার প্রয়োজন তা অনুপস্থিত থাকে। যাই হোক, চলমান করোনা সংকটকালে মানবপাচার প্রতিরোধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের রক্ষা করা এবং বেঁচে থাকাদের ক্ষমতায়নের যৌথ প্রয়াসে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্র হয়ে কাজ করতে হবে। আশা করি ক্ষতিগ্রস্ত বেঁচে থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনে আমাদের অব্যাহত সহযোগিতা, অভিযোজন এবং অঙ্গীকার আগামী দিনে আমাদের পাচারবিরোধী প্রচেষ্টাকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্যে পৌঁছে দেবে।

লেখক : সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব