kalerkantho

মঙ্গলবার । ৮ আষাঢ় ১৪২৮। ২২ জুন ২০২১। ১০ জিলকদ ১৪৪২

গাজা হামলায় নতুন জোট বাঁধছে বিশ্বশক্তি

গাজীউল হাসান খান

১৯ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



গাজা হামলায় নতুন জোট বাঁধছে বিশ্বশক্তি

সদ্যঃসমাপ্ত রমজানের শেষ প্রান্তে এসে পূর্ব জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে নামাজিদের ওপর ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের সশস্ত্র পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর আক্রমণ মুসলিমসহ বিশ্ববাসীকে হতবাক করে দিয়েছে। এ ঘটনা সেখানেই থেমে থাকেনি, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর হামলার জবাবে গাজার অধিকৃৎ এলাকা থেকে হামাস সদস্যদের ক্ষেপণাস্ত্র (ইসরায়েলের অভ্যন্তরে) নিক্ষেপকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি বাহিনী লাগাতার বিমান হামলা চালায় সেখানকার নিরস্ত্র ও অসহায় ফিলিস্তিনি আরবদের ওপর। তাতে নগরীর মিডিয়া সেন্টারসহ দালানকোঠা ধ্বংস হওয়া ছাড়াও এরই মধ্যে শিশু, বৃদ্ধসহ দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। এ লেখা শুরু করার আগ পর্যন্ত অর্থাৎ সোমবার ১৭ মে সকাল পর্যন্ত ইহুদিবাদী ইসরায়েলিরা গাজায় আক্রমণ বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলিদের এ ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন করলেও ইহুদিবাদীদের আক্রমণ থামাতে একটি কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু তাতে প্রকৃত সমস্যার সমাধান কতটুকু হবে সেটা নিয়েই সবার উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা যথারীতি আরো বেড়ে যাচ্ছে। কারণ ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের আগের সিদ্ধান্ত গত এক দশকে এখন প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অব্যাহতভাবে ইহুদিবাদী ইসরায়েল সরকারের বসতি নির্মাণ এবং ফিলিস্তিনি আরব অধ্যুষিত পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে ক্রমাগতভাবে জমি দখলের বেআইনি কার্যক্রমে জাতিসংঘ কিংবা আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত সিদ্ধান্ত এখন অনেকটাই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলপন্থী সরকার কিংবা কংগ্রেসের বেশির ভাগ ইহুদিঘেঁষা সদস্যদের কথা বাদ দিলে দেশটির প্রায় ৭৮ শতাংশ সাধারণ মানুষ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সমস্যার দুই রাষ্ট্রভিত্তিক একটি সমাধান চায়। কিন্তু ইসরায়েল কিংবা তার কট্টর ইহুদি সম্প্রদায় যতক্ষণ তা না চাইবে ততক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র কিংবা কোনো পশ্চিমা দেশের যেন কোনো অধিকার নেই সে বিষয়ে কথা বলার। ২০০৯-এর জানুয়ারিতে ইহুদিবাদী ইসরায়েল সরকার ফিলিস্তিনের গাজার ওপর তিন সপ্তাহের যে একতরফা বা অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল তাতে এক হাজার ৪০০ থেকে আড়াই হাজার নিরস্ত্র ও অসহায় শিশুসহ নারী-পুরুষ নিহত হয়েছিল। তা ছাড়া এর আগে গাজার ওপর দীর্ঘ পাঁচ বছরের অবরোধ, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইহুদিবাদীদের ভূমিদখল ও বর্ণবিদ্বেষী আচরণের বিরুদ্ধে তেমন কোনো আন্তর্জাতিক ফ্রন্ট বা বৃহত্তর জোট গড়ে ওঠেনি। তবে ২০০৯ সালে গাজার ওপর চাপিয়ে দেওয়া তিন সপ্তাহের একতরফা যুদ্ধ এবং প্রায় আড়াই হাজার মানুষ হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্যান্য পরাশক্তি ইহুদিবাদী ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে কিছুটা প্রতিবাদী হতে শুরু করেছিল। এরপর দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত ‘কোয়ার্টেট’ এবং বারাক ওবামাসহ সাবেক প্রেসিডেন্টদের বিভিন্ন উদ্যোগকে কেন্দ্র করে শেষ পর্যন্ত ধরে নেওয়া হয়েছিল যে ২০১১ সালের মধ্যে গৃহীত প্রস্তাব বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা তো ঘটেইনি; বরং বিভিন্ন রাষ্ট্র ও তার জনগণ তাতে বিভ্রান্ত হয়েছে। জাতিসংঘের নেতৃত্বে গঠিত ‘কোয়ার্টেট’-এর প্রধান করা হয়েছিল সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে। এর সঙ্গে জড়িত করা হয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং এমনকি চীন ও রাশিয়াকেও। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কোয়ার্টেট প্রধান টনি ব্লেয়ারের বিরুদ্ধে চরম ব্যর্থতা এবং এমনকি বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ উত্থাপন করেছিল পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে ফিলিস্তিন সরকার। কোয়ার্টেটের ব্যর্থতার কারণে ক্রমে ক্রমে কূটনীতির মাধ্যমে ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধানের সম্ভাবনা ম্লান হয়ে এসেছিল।

২০০৯-এর জানুয়ারিতে দখলদার ইহুদিবাদী সরকার গাজাবাসীর ওপর যে তিন সপ্তাহ স্থায়ী অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল তাতে প্রায় আড়াই হাজারের মতো সাধারণ গাজাবাসী নিহত হয়েছিল। তখন বিপন্ন গাজাবাসীর সাহায্যার্থে ব্রিটেন থেকে পূর্ব লন্ডনের তৎকালীন এমপি জর্জ গ্যালওয়ে ‘ভিভা প্যালেসটিনা’ নামে একটি সাহায্য বহর প্রেরণ করেন। তুরস্কের ইস্তাম্বুল থেকে যাত্রাকারী মাভি মারমারার নেতৃত্বে ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ নামক ছয়টি জলযানের একটি বেসরকারি নৌবহর খাদ্য, ওষুধপত্র, নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে গাজা পৌঁছার অনেক আগেই আন্তর্জাতিক জলসীমায় তাদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায় ইসরায়েলি আগ্রাসী সেনাবাহিনী। ব্যর্থ মনোরথ হয়ে তুরস্কের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী ত্রাণসামগ্রী নিয়ে ফিরে গিয়েছিল। গাজায় কেউ ঢুকতে পারেনি ইহুদিবাদী দখলদার বাহিনীর তাণ্ডবের কারণে। সেই থেকে তুরস্কের সরকার ইসরায়েলের ফিলিস্তিনবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্রমে ক্রমে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে ইহুদিবাদী ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অবস্থান এবং কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু করে। ২০০৯ সালে গাজার ওপর সেই অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া, কোয়ার্টেটের ব্যর্থতা, ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাতের কারণে তুরস্ক এখন সরে এসেছে তাদের আগের অবস্থান থেকে। তা ছাড়া ফিলিস্তিনের ব্যাপারে সৌদি আরব, আমিরাত ও কুয়েতের বা আরব বিশ্বের দীর্ঘদিনের উদাসীনতা তুরস্কের কর্মতৎপর প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানকে অত্যন্ত হতাশ করেছে। আল আকসায় রমজানের সময় নামাজিদের ওপর উপর্যুপরি হামলা এবং গাজায় লাগাতার বোমাবর্ষণ ও নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষ হত্যার কারণে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের ওপর থেকে বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষের ন্যূনতম আস্থার জায়গাটিও শেষ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার বছরব্যাপী ফিলিস্তিনসহ মুসলিম জনগণবিরোধী রাজনীতির পর ক্ষমতায় এসেছেন তাঁর ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রতিপক্ষ জো বাইডেন। বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মুসলিম বিশ্ব তাঁর কাছে কিছুটা সুবিচার আশা করেছিল। নির্বাচনের সময় কিংবা নির্বাচিত হয়ে জো বাইডেন সাময়িকভাবে মুসলিমদের সঙ্গে কিছুটা সদাচরণ করেছিলেন। কিন্তু গাজাকে কেন্দ্র করে বাইডেনের ইহুদিঘেঁষা আচরণ ও মনোভাব এখন কাঙ্ক্ষিতভাবে প্রকাশ হতে শুরু করেছে। আল আকসা মসজিদে নামাজিদের ওপর আক্রমণের জন্য দায়ী কে? পূর্ব জেরুজালেম এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি আরবদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করছে কারা? তার প্রতিবাদে গাজার হামাস সদস্যদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রকাশ্যেই ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েলের নিজেদের প্রতিরক্ষার অধিকার রয়েছে। অর্থাৎ গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে শত শত নিরস্ত্র কিংবা অসহায় মানুষকে হত্যা করার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে জো বাইডেন রাজনীতিতে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের একজন ডেমোক্রেটিক দলীয় সিনেটর হিসেবে যতই প্রাজ্ঞ কিংবা প্রবীণ হন না কেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রশ্নে অত্যন্ত দুর্বল। এর কারণ মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন স্বার্থের প্রশ্নে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক গোপন চুক্তি রয়েছে। তা ছাড়া আরব মুসলিম অধ্যুষিত মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বও নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে পারমাণবিক বোমা উপহার দিয়েছে ইহুদি বিজ্ঞানীরা। এখনো সামরিক কিংবা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে গোপনে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিভাগ ও বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রকে বিভিন্নভাবে আটকে ফেলেছে ইহুদিবাদীরা। যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রায় সব কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে ইহুদিরা। কংগ্রেসেও তাদের অসামান্য প্রভাব রয়েছে। সুতরাং কোনো মার্কিন রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো প্রেসিডেন্টের পক্ষেও ইহুদিবাদী শক্তির ওপর আঘাত হানা সহজ হবে না।

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে গাজা আক্রমণ ও গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে সে বছর ১৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ’ এনেছিল। পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৫ ও ১৬ অক্টোবর জাতিসংঘের ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট মানবাধিকার কাউন্সিল গাজার যুদ্ধাপরাধসংক্রান্ত গোল্ডস্টোনের রিপোর্টটি পর্যালোচনা করে এবং সরাসরি ভোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালি গোল্ডস্টোন রিপোর্ট অনুমোদনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। তা ছাড়া ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে বাধ্য করেছিল ভোট না দিতে। সে অবস্থায়ও রিপোর্ট অনুমোদনের পক্ষে ২৫ ভোট, বিপক্ষে ছয় ভোট এবং ভোটদানে বিরত থাকে ১১টি দেশ। তাতেও প্রতিকার পায়নি নির্যাতিত ফিলিস্তিনিরা। স্বাধীনতা কিংবা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র পাওয়া তো দূরের কথা, এখন অবশিষ্ট পূর্ব জেরুজালেম, এমনকি পশ্চিম তীরও ফিলিস্তিনিদের হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কোনোক্রমেই বন্ধ হয়নি বেআইনিভাবে বসতি স্থাপনের কাজ কিংবা নিত্যনতুনভাবে ফিলিস্তিনি ভূমিদখলের পাঁয়তারা। ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের অনেকটা একতরফা যুদ্ধেই ফিলিস্তিনের সমগ্র ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছিল ইহুদিবাদী ইসরায়েল। তার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্থাৎ জাতিসংঘ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যায়ে ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানকল্পে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিভিন্ন চক্রান্ত এবং মার্কিন মদদের কারণে কোনো কিছুই ফলপ্রসূ হয়নি। এ অবস্থায় কূটনৈতিক পর্যায়ে ফিলিস্তিন সমস্যার কোনো সুদূরপ্রসারী সমাধান হবে বলে বিশেষ কেউ আর মনে করেন না। তাহলে কী সামরিক পন্থায় এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে? সে ক্ষেত্রে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান এবং বিশেষ করে রাশিয়া ও চীন শেষ পর্যন্ত কী ভূমিকা নেবে তার ওপরই নির্ভর করছে সব কিছু। বিশ্বরাজনীতি এখন দ্রুত পাল্টাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। চীন ও রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরান, তুরস্ক এবং এমনকি সৌদি আরব ও আমিরাতের সঙ্গে ক্রমেই আরো ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়া ছাড়া চীনও নতুনভাবে নিজস্ব প্রভাব-প্রতিপত্তি বিস্তারের লক্ষ্যে সচেষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল এবং অন্যান্য দু-একটি রাষ্ট্রের ওপর ভরসা করে কতটুকু এগোতে পারবে? এ প্রশ্ন অনেকের। ফিলিস্তিনের মুক্তি কিংবা একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের আবির্ভাবকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য বিভক্ত হয়েছে এবং ক্রমেই বিভক্ত হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ। এ বিভক্তি বিভিন্ন স্বার্থের সংঘাতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধও ডেকে আনতে পারে বলে অনেকের আশঙ্কা।

লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ‘প্যালেস্টাইন—এক সংগ্রামের ইতিহাস’ গ্রন্থের প্রণেতা

[email protected]