kalerkantho

রবিবার। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৭ জুন ২০২০। ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

সাদাসিধে কথা

করোনার কাল

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

৩ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



করোনার কাল

যেকোনো হিসাবে মানুষ একটি বিস্ময়কর প্রজাতি। তাদের ছোটখাটো আকার এবং তাদের মাথার ভেতর দেড় কেজি থেকেও কম একটা মস্তিষ্ক। সেই মস্তিষ্কটি ব্যবহার করেই এই মানুষ এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য বের করার দুঃসাহস দেখানোর ক্ষমতা রাখে। পদার্থের অণু, পরমাণু, নিউক্লিয়াস চূর্ণ করে তারা তার ভেতর থেকে শক্তি বের করে আনে। তারা জীবনের রহস্য অনুসন্ধান করতে পারে, প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুরো পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে পারে। আকাশে-মহাকাশে বিচরণ করতে পারে। মানুষের শরীর যে অণু-পরমাণু দিয়ে তৈরি হয়েছে তার বেশির ভাগ সৃষ্টি হয়েছে কোনো একটি নক্ষত্রের ভেতর। সেই হিসাবে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ আসলে একটি নক্ষত্রের অংশ। যে মানুষ নক্ষত্রের অংশ, সেই মানুষ কেমন করে নীচ হতে পারে, হীন হতে পারে? তার পরও মাঝে মাঝেই আমরা দেখি, পৃথিবীর মানুষ চরম অবিবেচকের মতো কিছু একটা করে এই পৃথিবীটাকে কলুষিত করে তোলে। মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ পৃথিবীকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। বিচ্ছিন্নভাবে দেখা হলে পৃথিবীর মানুষ এক রকম; কিন্তু সমগ্র মানবজাতিকে একসঙ্গে দেখা হলে মাঝে মাঝেই কি মনে হয় না এই মানবজাতি দাম্ভিক, স্বেচ্ছাচারী, অবিবেচক এবং কখনো কখনো অচিন্তনীয় নিষ্ঠুর?

পৃথিবীর এই অহংকারী দাম্ভিক মানবজাতিকে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় পদানত করে ফেলেছে ক্ষুদ্র থেকেও ক্ষুদ্র একটি ভাইরাস। পৃথিবীতে তার অস্তিত্ব ছিল না, হঠাৎ করে তার জন্ম হয়েছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে, অর্থে, বিত্তে, সম্পদে বলীয়ান হয়েও পৃথিবীর মানুষ তার সামনে অসহায়। এই ক্ষুদ্র থেকেও ক্ষুদ্র যে ভাইরাসটি প্রথম জন্ম নিয়েছিল, সেটি যদি মানুষের মতো চিন্তাভাবনা করতে পারত তাহলে সে কি অট্টহাসি দিয়ে বলত—পৃথিবীর মানুষ, তোমার কী নিয়ে অহংকার? সময় হয়েছে মাটির এই ধরিত্রীকে রক্ষা করার।

ঠিক কী কারণ জানি না, আমি মাথা থেকে এই চিন্তাটা সরাতে পারি না!

২.

করোনাভাইরাস নিয়ে ঘরবন্দি হওয়ার পর অনেক ছেলে-মেয়ে, তরুণ-তরুণী, ছাত্র কিংবা সহকর্মীরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আমার বয়স যেহেতু বেশি, সবাই আমাকে নানা ধরনের উপদেশ দিচ্ছে, সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করছে। আমি আনন্দের সঙ্গে তাদের উপদেশ ও অনুরোধ শুনে যাচ্ছি। উপদেশ ও অনুরোধ শেষ হওয়ার পর অবধারিতভাবে তারা ব্যাকুল হয়ে জানতে চাইছে—এরপর কী হবে? আবার কি আমরা আমাদের আগের জীবন ফিরে পাব? কেউ কেউ আরো অনেক স্পষ্ট করে বলেছে, স্যার, এত দিন বুঝতে পারি নাই, আমাদের জীবনটা আসলে কত সুন্দর ছিল।

আমাদের বয়সী মানুষ, যারা এই দেশের দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রণার ভেতর বড় হয়েছি, তারা কিন্তু এই সত্যটি অনেক দিন থেকে জানি। এই পৃথিবীটা সুন্দর, এই দেশটা আরো সুন্দর, এই জীবনটা তার থেকেও বেশি সুন্দর! আমার মনে আছে, একেবারে চরম দুঃসময়ের সময়, যখন পরের দিন বেঁচে থাকব কি না সেটাও জানতাম না, তখন মনটা কোনো বড় কিছুর জন্য আকুলিবিকুলি করত না। মনটা আকুলিবিকুলি করত খুব ছোট একটা কিছুর জন্য, একটা খোলা রাস্তায় মুক্ত স্বাধীনভাবে হাঁটার জন্য! আমি অনুমান করছি, এখনকার যারা নতুন প্রজন্ম, তাদের ভেতরেও নিশ্চয়ই এ রকম একটা কিছু কাজ করছে! তারা বড় কিছু চাইছে না, ছোট একটা কিছু চাইছে, আবার তারা স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবে, বন্ধুদের নিয়ে গল্প করবে, টংয়ে বসে চা খাবে। করোনাভাইরাস অনেকের জন্য অনেক দুঃসময় বয়ে নিয়ে আসছে, কিন্তু এই দেশের নতুন প্রজন্মকে জীবনের মূল্যটা হয়তো একটুখানি হলেও বুঝিয়েছে। শুধু এই দেশের নতুন প্রজন্মকে নয়, সারা পৃথিবীর নতুন প্রজন্মকে। সেটারও নিশ্চয়ই একটু মূল্য আছে!

৩.

স্বাভাবিক সময়ে গৃহবন্দি হয়ে থাকলে নানা ধরনের কাজ করা যেত। কিন্তু এখন যেহেতু একটা অস্থির সময়, এখন ঘরের চার দেয়ালের ভেতর আটকে থেকে সত্যিকারের কাজ খুব বেশি একটা করা যায় না। তাই অন্য অনেকের মতো আমিও নানা কিছু পড়ে সময় কাটাচ্ছি। বলাই বাহুল্য, সেই পড়ার প্রায় পুরোটাই করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত। অল্প সময়ে অনেক কিছু পড়ে ফেলার মাঝে একটা বিপদ আছে, একজন মানুষ তখন নিজেকে হঠাৎ করে একজন বিশেষজ্ঞ মনে করতে পারে। করোনাভাইরাসের এ বিষয়টি অনেক জটিল এবং তার অনেকগুলো মাত্রা আছে। তাই কোনো একজন যদি তার যেকোনো একটা মাত্রা নিয়ে একটুখানি লেখাপড়া করে নিজেকে একজন বিশেষজ্ঞ মনে করতে শুরু করে তাহলে অনেক বিপদ। কাজেই আমি খুব কঠিনভাবে বিশ্বাস করি, যাঁরা জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করেন কিংবা যাঁরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের খুঁটিনাটি জানেন, শুধু তাঁরাই এখন মুখ খুলতে পারেন। অন্যরা যখন মুখ খোলেন কিংবা কিভাবে এই বিপর্যয় বন্ধ করতে হবে সে ব্যাপারে উপদেশ দেন, তখন আমি কখনো কৌতুক এবং বেশির ভাগ সময় বিরক্তি অনুভব করি। (আমাদের বাংলা ভাষায় এই ধরনের বিশেষজ্ঞদের একটা চমৎকার বাগ্ধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়, সেটা হচ্ছে ‘অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী, কথায় কথায় ডিকশনারি’)।

তবে ইদানীং আমি পত্রপত্রিকায় বিদেশে থাকেন এ রকম বাংলাদেশি ডাক্তারদের নানা ধরনের বিশ্লেষণ দেখতে পাচ্ছি। তাঁরা যদি সত্যিই বিশেষজ্ঞ হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁদের বিশ্লেষণ শুনতে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু তাঁরা যখন বিদেশে তাঁদের সুযোগ-সুবিধার কথা বড় গলায় বলেন কিংবা তার চেয়েও আপত্তিকর ব্যাপার, তাঁরা যখন আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে তামাশা করেন, তখন আমার খুবই বিরক্ত লাগে। তাঁরা উন্নত দেশে মহা ধুমধামে থাকতে থাকুন আমার কোনো আপত্তি নেই; কিন্তু তাঁদের জানতে হবে, সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা এই দেশে যে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, আমরা সেটা নিয়ে তাঁদের জন্য অনেক গর্ব অনুভব করি। শুধু তা-ই না, আমরা চাইব আমাদের সরকার যেন সবার আগে এই স্বাস্থ্যকর্মীদের পুরোপুরি নিরাপদ পরিবেশে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। তার জন্য যা করার প্রয়োজন সেটাই যেন করা হয়।

৪.

বড় বিপর্যয়ের সময় সাধারণ মানুষ অন্যদের সাহায্য করার জন্য অসাধারণ হয়ে ওঠে। এবারও আমরা সেটা দেখতে পাচ্ছি। আবার শুনতে খারাপ লাগলেও এ কথাটিও মিথ্যা নয় যে অনেকেই বিপর্যয়ের সুযোগ নিয়ে থাকে, তাই আমরা ভালো-মন্দ দুই রকমের খবরই পাই। আগে একটা সময় ছিল, যখন দেশের আনাচকানাচে ঘটে যাওয়া অনেক ধরনের খবর সাধারণ মানুষ পর্যন্ত পৌঁছত না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে আজকাল আর সেটি ঘটে না, দৃষ্টিকটু যেকোনো খবর চোখের পলকে সারা দেশে ছড়িয়ে যায়। অন্যায় করে শাস্তি পাওয়ার আগেই এক ধরনের সামাজিক বিচার হয়ে যায়। করোনা বিপর্যয় শুরু হওয়ার পর আমরা অনেকগুলো মন খারাপ করা খবর পেয়েছি। আমি সেগুলোর পুনরাবৃত্তি করে আবার নতুন করে কারো মন খারাপ করে দিতে চাই না। তবে একটি ঘটনার কথা আমার একটু বলতেই হবে। সেটি হচ্ছে, মুখে মাস্ক না থাকার কারণে মণিরামপুরের এসি ল্যান্ড দুজন বয়স্ক মানুষের কান ধরিয়ে তাঁদের ছবি তুলেছেন। একজন মানুষকে অপমান করার দৃশ্য সব সময়ই দৃষ্টিকটু, আমরা কখনোই সেটা দেখতে চাই না। মণিরামপুরের এই ঘটনাটি ব্যতিক্রমী, কারণ এই দৃষ্টিকটু ঘটনার ছবিটি বাইরের কেউ গোপনে তুলে প্রকাশ করে দেয়নি। এসি ল্যান্ড নিজেই সেই ছবি তুলে প্রকাশ করেছেন। যার অর্থ, এই সরকারি কর্মকর্তা জানেন না কাজটি অন্যায়। এই কাজটিকে তিনি তাঁর কর্তব্য পালনের অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছেন, কাজটি করে তিনি গর্ব অনুভব করেছেন।

সরকারি এই চাকরিগুলো দেশের সবচেয়ে লোভনীয় চাকরি। এই দেশের ছেলে-মেয়েরা এই চাকরির জন্য জীবনপাত করে দেয়। চাকরি পাওয়ার পর তাদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মক্ষেত্রে কাজ করার জন্য পাঠানো হয়। (আমি নিজে একাধিকবার তাদের প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে তাদের সামনে কথা বলেছি!) তবে সবচেয়ে আতঙ্কের ব্যাপার হচ্ছে, এত কিছুর পরও এই সরকারি কর্মকর্তাদের একেবারে সবচেয়ে মৌলিক বিষয়টি শেখানো হয়নি। তারা জানে না যে মানুষকে কখনো অসম্মান করা যায় না, সেই মানুষটি যে-ই হোন না কেন! আমাদের দেশে আমরা কেমন করে এভাবে ব্যর্থ হলাম? এই ঘটনাটি যেভাবে হোক আমাদের চোখের সামনে চলে এসেছে, আমাদের চোখের আড়ালে ঘটে যাচ্ছে এ রকম কতগুলো ঘটনা আছে?

আমি আরো একটা বিষয় সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার জন্য এই ঘটনাটির কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছি। খুব স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে, সবাই বলেছে, দুজন বয়স্ক মানুষকে এভাবে অপমান করার অধিকার কারো নেই। আমি একটু অবাক হয়ে লক্ষ করেছি, সাধারণভাবে মনে করে নেওয়া হয়েছে, মানুষ দুজন বয়স্ক না হলে এটি তত গুরুতর বিষয় হতো না—অর্থাৎ কম বয়সীদের অপমান করা যায়, শিশুদের অপমান করা যায়!

আমি সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই, শুধু বয়স্ক মানুষদের অপমান করা যায় না—এটি মোটেও সত্যি নয়, কোনো মানুষকেই অপমান করা যায় না। মানুষটি শিশু হোক বা প্রাপ্তবয়স্ক, তাতে কিছু আসে-যায় না। আমরা সবাই তো একসময় শিশু ছিলাম, আমাদের কি শৈশবের কথা মনে নেই? অনেক ঘটনার কথা ভুলে গেছি; কিন্তু যতবার স্কুলের শিক্ষক বা বড় মানুষ আমাদের অপমান করেছেন, তার প্রতিটির কথা স্পষ্ট মনে আছে।

যেহেতু এই দেশে আমার অগ্রজ হুমায়ূন আহমেদ প্রায় সবারই প্রিয় একজন মানুষ, তাই তাঁকে নিয়ে শৈশবের একটি ঘটনার কথা বলা হয়তো খুব অপ্রাসঙ্গিক হবে না। আমরা তখন বান্দরবানে থাকি, বাসার সামনেই স্কুল, সেই স্কুলে ভাই-বোনেরা সবাই পড়ি, আমরা ওয়ান কিংবা টুতে, হুমায়ূন আহমেদ আমার থেকে তিন ক্লাস ওপরে। হুমায়ূন আহমেদ যেহেতু দুষ্টের শিরোমণি ছিলেন, প্রায় সময়ই তিনি স্কুলের ঝামেলায় পড়ে যেতেন। সেভাবে একবার ঝামেলায় পড়েছেন, শিক্ষক তাঁকে শাস্তি দেবেন। সেই স্কুলের একটা ভয়াবহ ঐতিহ্য ছিল, কখনো কখনো কাউকে শাস্তি দেওয়ার জন্য তার বুকে একটা কাগজে অপরাধের বর্ণনা লিখে দেওয়া হতো, তারপর দপ্তরি তাকে স্কুলের সব ক্লাসে নিয়ে যেত। সারা স্কুলের সব ছাত্র-ছাত্রী সেটা দেখত। হুমায়ূন আহমেদকেও সেই শাস্তি দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলো। হুমায়ূন আহমেদ তাঁর শিক্ষককে কাকুতি-মিনতি করে বললেন—স্যার, আমাকে আপনি যা ইচ্ছা শাস্তি দেন, এই ক্লাসের ভেতর আমাকে যত ইচ্ছা পেটান, কিন্তু আমাকে ক্লাসে ক্লাসে পাঠাবেন না। আমার ছোট ছোট ভাই-বোনেরা আমাকে দেখবে, আমি খুব লজ্জা পাব। সেটা শুনে শিক্ষক দ্বিগুণ উৎসাহিত হয়ে তাঁর বুকে অপরাধের বর্ণনা লিখে তাঁকে দপ্তরির হাতে ধরিয়ে দিলেন।

ক্লাসরুম থেকে বের হওয়ামাত্র সেই আট-দশ বছরের শিশু হুমায়ূন আহমেদ দপ্তরির শক্ত হাত থেকে ঝটকা মেরে নিজেকে মুক্ত করে স্কুল থেকে ছুটতে ছুটতে বাসায় চলে এসে সে কী কান্না!

এই ছোট শিশুটি যে অপমান সহ্য করতে রাজি হয়নি, পৃথিবীর কোনো শিশুই সেই অপমান সহ্য করতে রাজি নয়। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের সেটি কি শেখানোর সময় হয়নি? শিশু হোক আর বয়স্ক হোক, কাউকে কখনো অপমান করা যায় না। (শিশু হুমায়ূন আহমেদের সেই ঘটনার পর সেই স্কুল থেকে এই ভয়ংকর নিয়মটি চিরদিনের মতো তুলে দেওয়া হয়েছিল।)

৫.

এটি করোনার কাল, আমরা এখন শুধু করোনা নিয়ে কথা বলি। খুব আশা করে আছি, এই করোনার কাল শেষ হবে, আমরা তখন আবার আকাশ-বাতাস নিয়ে কথা বলব, দেশ নিয়ে কথা বলব, রাজনীতি নিয়ে কথা বলব, বিজ্ঞান নিয়ে কথা বলব, সাহিত্য নিয়ে কথা বলব। আমরা সবাই সে জন্য অপেক্ষা করে আছি। যত দিন সেটি না হচ্ছে, সবাই নিয়ম-নীতি মেনে ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক।

লেখক : কথাসাহিত্যিক, অবসরপ্রাপ্ত

অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা