kalerkantho

শুক্রবার । ২০ চৈত্র ১৪২৬। ৩ এপ্রিল ২০২০। ৮ শাবান ১৪৪১

পানি ও প্রাণ

আবদুল বায়েস

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



পানি ও প্রাণ

পানির অপর নাম জীবন। স্থান-কাল-পাত্রভেদে পানির অপর নাম মরণ বললেও বোধ করি খুব বেশি ভুল হবে না। পানি মানুষ বাঁচায়, মানুষ মারেও। খুব অল্প, বেশি কিংবা দূষিত পানি ক্ষেতের ফসলের ক্ষতি করে, খাদ্য নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটায়, মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে, এমনকি পানিবাহিত রোগ মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয়। কখনো সে নায়ক, কখনো বা খলনায়ক। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ ধানি জমি এখন সেচের পানির আওতায় এবং প্রায় সমানুপাতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষি এই পানি ব্যবহার করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখে। বস্তুত এক কোটি থেকে তিন কোটি টন খাদ্য উৎপাদন সংঘটনে পানির অবদান স্বীকৃত। আমাদের দেশের দারিদ্র্য হ্রাসের গল্পে পানি দস্তুরমতো নায়কের আসনে অধিষ্ঠিত। কিন্তু উপকূলীয় বা হাওরাঞ্চলে এ পানি কখনো কখনো ‘খলনায়ক’ হয়ে ওঠে। এইতো মাত্র কদিন আগে হাওরে প্লাবিত পানির ঢল ১০ লাখ টন খাদ্যশস্য নিঃশেষ করেছে। বৃষ্টিহীন, পানিবিহীন খরা এলাকায় দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যায়; মঙ্গা মাতম করে। মানুষ দুই হাত ওপরে উঠিয়ে চিৎকার করে আর্তি জানায় : আল্লাহ মেঘ দে, পানি দে, ছায়া দে রে তুই...। পানি কাউকে ধনী করে, কাউকে দারিদ্র্যের দুয়ারে ঠেলে দেয়। পানি ও দারিদ্র্য প্রসঙ্গের শুরুতে তাই স্মরণ করি বিখ্যাত সেই কবিতা— ‘তৃতীয় বিশ্বের একজন চাষির প্রশ্ন’ :

‘ঘাম ঢালি খেত ভ’রে,/আসলে রক্ত ঢেলে দিই নোনাপানি রূপে;/অবশেষে মেঘ ও পানির দয়া হলে/খেতজুড়ে জাগে প্রফুল্ল সবুজ কম্পন।/ .../এত ঘামে নিজেকে ধানের মতোই/সিদ্ধ করে ফলাই সামান্য/যেন একমুঠো গরিব শস্য/মূর্খ মানুষ দূরে আছি, জানতে ইচ্ছে করি/দিনরাত লেফ-রাইট লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য/ফলে এক গণ্ডা জমিতে?’

দুই.

শাঁ শাঁ শব্দে আমাদের গাড়িগুলো চলল দক্ষিণের দিকে। মুহাম্মাদ মুসা (ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক), আকরামুল ইসলাম (পরিচালক), কে এ এম মোরশেদ (পরিচালক), ভ্রমণসংক্রান্ত সমন্বয়ক মাজহারুল ইসলাম ও আমি যাচ্ছি সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলাধীন মাদরা গ্রামে। লোকমুখে শোনা কথা, কিছুদিন আগেও নাকি এখানে পানির অপর নাম ছিল মরণ—যেমন মানুষের জন্য, তেমনি ফসলের জন্য। গ্রামটিতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খানা দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে, যা বাংলাদেশের গড়পড়তার বেশ ওপরে। এতদঞ্চলে পানি দুদিক থেকে কাটে—ফসল ও মানুষের স্বাস্থ্য। এটা একটা আর্সেনিক প্রবণ এলাকা। একসময় আর্সেনিক মহামারিরূপে আবির্ভূত হয়েছিল বলে শুনেছি। ভূ-গর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক সংক্রমণ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিষক্রিয়া। তবে সরকার, এনজিও ও দাতাদের কৃতিত্বমূলক পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি এখন অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। যা হোক, কেন জানি আমার গবেষণামূলক অনুসন্ধিত্সু মন ওখানে যাওয়ার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করতে পারল না। বলতে দ্বিধা নেই যে ভ্রমণকালে সহযাত্রী ‘মহারথী’দের উষ্ণ আতিথেয়তায় আমি আনম্র আনন্দে আপ্লুত হয়েছি।

তিন.

মণিরামপুর টু কেশবপুর। বাইরে মেঘের গুরু গুরু গর্জন ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি দেখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা মনে পড়ল। সব ঋতুর মধ্যে বর্ষা ছিল তার অতি প্রিয় ঋতু। বর্ষা এলেই আলাদা অনুভূতি জাগত কবিগুরুর মনে—‘হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে, ময়ূরের মতো নাচে রে...।’ কিন্তু এই মুহূর্তের বর্ষাটা যেন অন্য রকমের—আনন্দের নয়, নিরানন্দের; হৃদয় নাচে না, হৃদয় কাঁপে। সেই গল্পই বলছি এখন।

রাস্তার দুই পাশে একের পর এক মাছের ঘের। ভারি বর্ষণে কয়েক ফুট পানি আশপাশের এলাকায় ঘরের ভেতর ঢুকে পড়েছে। এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু ওই যে বলে, তুমি যাবে বঙ্গে কপাল যাবে সঙ্গে। প্রভাবশালী মহল অতিবর্ষণের কারণে স্ফীত পানি সরাতে দেন না বা চান না। এতে কে বাঁচল, কে মরল সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো—মাছ থেকে মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জন। সুতরাং জলাবদ্ধতার জন্য দু-তিন শ পরিবার না হয় ভিটামাটি ছেড়ে হাইওয়েতে আশ্রয় নিল—তাতে কি? মাছের দাম আছে, গরিব মানুষের জীবনের কোনো দাম আছে? সুতরাং মানুষগুলো আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে হাইওয়েতে—বলা চলে, স্বনির্মিত ‘শরণার্থীশিবিরে’। খুব ছোট ছোট খুপরিতে ছেঁড়া পলিথিন আর কঞ্চিতে ঢাকা। বোধ করি, জনা পাঁচেক মানুষ আষ্টেপৃষ্ঠে ৩০-৪০ বর্গফুট জায়গায় বাস করে। মুষলধারে বৃষ্টি আর একটু বাতাস বইলে কোনো উপায় থাকবে না। ঠাহর করি, আপাতত এদের আয়-উপার্জন নেই এবং সম্ভবত পানির কারণে এরা প্রান্তিক হয়ে বসেছে। কে জানে, মৌসুমভিত্তিক এই ধাক্কার ফলে হয়তো এদের অনেকেই দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবে। বাংলাদেশে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খানা দারিদ্র্যরেখার ওপর-নিচ করে। এই ওঠা-নামার পেছনে যেমন নিয়তি কাজ করে, তেমনি ‘নেতার’ ভূমিকাও কম নয়। নেতা তথা প্রভাবশালীরা মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ সৃষ্টি করে গরিবের মুখের অন্ন কেড়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করে। যা হোক, ‘দরিদ্র আছে যেখানে, ব্র্যাক আছে সেখানে’—এই আপ্তবাক্য মনে করে ইতিউতি তাকিয়ে দেখি রাস্তার ওপর ব্র্যাকের বসানো বেশ কয়েকটা ল্যাট্রিন। সামথিং ইজ বেটার দেন নাথিং।

চার.

একসময় অভীষ্ট মাদরা গ্রামে গিয়ে পৌঁছলাম। মাদরা যেন মাছের ঘেরে ঘেরা একটা গ্রাম, যেখানে মাছ ও ধান উৎপাদন জীবন-জীবিকার প্রধান উৎস। বোরো মৌসুমে খুব ঘন ঘন শ্যালো মেশিন পানি তোলে মাটির নিচ থেকে। গ্রামবাসীর, এমনকি বিজ্ঞানীদের ধারণা, পানির স্তর অতিমাত্রায় কমে যাওয়ার ফলে আর্সেনিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে খুশির খবর এটুকু যে সরকারি, বেসরকারি, এনজিও ও দাতাদের যথাযথ পদক্ষেপের ফলে আর্সেনিকের ভয়াবহতা ও বিস্তার বেশ হ্রাস পেয়েছে। যতটুকু বুঝলাম, অত্র এলাকার মানুষ দরিদ্র হয় প্রধানত একটি কারণে আর তা হলো—লবণাক্ত পানিতে ফসলের ক্ষতি, আর্সেনিকের রোগ এবং সেই রোগ সারাতে অতিরিক্ত খরচ মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা।

পাঁচ.

মাদরা গ্রামের বুক চিরে যে পাকা রাস্তাটা দক্ষিণে গেছে, সেখানে পরিচয় ঘটে গেল রাজীব সরকারের (৩৫) সঙ্গে। তিনি একজন স্কুলশিক্ষক এবং পাকা রাস্তার পাশে ‘প্যারাডাইজ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। এ প্রতিষ্ঠান পানি বিশুদ্ধ করে জনগণের কাছে বিক্রি করে। এমনতর ১০-১৫টি প্রতিষ্ঠান নাকি এ এলাকায় পানি বিক্রি করার কাজে নিয়োজিত। বাড়ি বাড়ি পানি বয়ে নেওয়ার জন্য ভেন্ডর আছে কিংবা দোকানে এসে সরাসরি পানি ক্রয় করা যায়। রাজীব সরকার মোট ছয় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। ঘুরে ঘুরে দেখলাম পানি বিশুদ্ধকরণের পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকা যন্ত্রগুলো। এখানে দৈনিক ছয় হাজার লিটার পানি খাওয়ার যোগ্য করা হয়। রাজীব সরকারের বিনিয়োগকৃত ছয় লাখ টাকার মধ্যে কারিগরি সহায়তাসহ প্রায় দুই লাখ টাকা ঋণ দিয়েছে ব্র্যাকের ‘ওয়াশ’ কর্মসূচি। পরিশোধের সময় দুই বছর। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি মাসে পানি বিক্রি হয় ৩০-৪০ হাজার টাকার আর প্রতি লিটার পানির দাম পড়ে ১৫ টাকা।

আমরা হিসাব কষে দেখলাম যে ন্যূনতম দুই লিটার পানি দৈনিক প্রয়োজন হলে (শুধু পান করার জন্য) প্রতিদিন একটা খানার ৩০ টাকা যায় শুধু পানি ক্রয়ে। তার মানে, একটা দরিদ্র খানার মোট আয়ের ১০ শতাংশ চলে যায় পানি ক্রয়ে। জানা গেল, এমনি করে প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ খানা পানি কিনে পান করে। তা ছাড়া যে উপায় নেই—‘ওয়াটার ওয়াটার এভরি হয়ার, নট এ ড্রপ টু ড্রিংক।’ বর্ষাকালে চারদিকে থইথই পানি, তখন গ্রামটি দেখলে মনে হয় সমুদ্রের বুকে যেন একটা দ্বীপ অথচ এক ফোঁটা পানি পানযোগ্য নয়। একসময় আর্সেনিকে ভুক্তভোগী অনেক মানুষ। পাশে দাঁড়ানো কার্তিক মাস্টার বিড়বিড় করে বললেন, ৩০ টাকায় পানি না কিনলে ৩০০ টাকা, এমনকি তিন হাজার টাকা খসে যাবে, টেরও পাবে না কেউ। ঘটনাটা বিস্তারিত বলতে গিয়ে টেনে আনলেন তাঁর মায়ের প্রসঙ্গ। দূষিত পানি খেয়ে মায়ের পেটে নাকি গ্যাসের সমস্যা হয়েছিল। মাকে নিয়ে অনেক দৌড়ঝাঁপ করেছেন ডাক্তারের কাছে, এমনকি কলকাতায়—ঢেলেছেন অঢেল অর্থ। ডাক্তারের পরামর্শে ৩০ টাকা দরে সুপেয় পানি খেয়ে মা এখন সুস্থ-সবল। তাঁর বক্তব্য শুনে মনে হলো, যারা ৩০ টাকায় পানি কিনবে না তারা শততই ‘পেনি ওয়াইজ পাউন্ড ফুলিশ।’

ছয়.

ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। মুসা ভাইয়ের কপালে ভাঁজ লক্ষ করি। মনে হলো, এক দুশ্চিন্তা তাকে গ্রাস করেছে। প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘আচ্ছা, কত শতাংশ পরিবার কেনার ক্ষমতা নেই বলে বিশুদ্ধ পানি পান করা থেকে বিরত থাকছে?’ ‘তা ১৫-২০ শতাংশ তো হবেই’—জানালেন কার্তিক মাস্টার ও রাজীব সরকার। এই দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে আমরা গাড়িতে উঠলাম। আমাদের বুঝতে কষ্ট হলো না যে এতদঞ্চলে পেয় পানির বাজার গড়ে উঠছে; স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে মানুষ পয়সা দিয়ে পানি কিনছে এবং এ ব্যবসায় জড়িয়ে রয়েছেন যুব সম্প্রদায়, যাঁরা চাকরির চেয়ে স্বনিয়োজিত পেশায় থাকতে বেশি আগ্রহী। এবং সব শেষে, এখনো হতদরিদ্র ১৫-২০ শতাংশের কাছে পানির অপর নাম মরণ, যাদের বাঁচানোর দায়িত্ব সমাজের!

এবার একই গ্রামে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং (বৃষ্টির পানি ধরে রাখা) দেখতে এসেছি। জনস্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তিন হাজার লিটার পানি রাখার ট্যাংক, ঘরের চাল থেকে পানিপ্রবাহের নিমিত্তে পাইপ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয় এই গ্রামের অশোক কুমার মণ্ডলকে। সাত বিঘা জমির মালিক মণ্ডল মহোদয় সরকারের অনুদান ও নিজের তহবিল দিয়ে বৃষ্টির পানি ধরে রাখছেন বর্ষাকালে, আর ছাড়ছেন গরমকালে। শুধু তাঁর ঘরের জন্য খাবারের পানি দরকার দৈনিক তিন লিটার, বাকি উদ্বৃত্ত পানি পায় অন্যরা। রেইন ওয়াটার হারভেস্টিংয়ের কথা ঢাকা শহরে জোরেশোরে শোনা যায়; কিন্তু দেখা যায় খুব কম। প্রথমবারের মতো, তা-ও সুদূর গ্রামে, সেটা দেখতে পেয়ে আমরা আনন্দিত। এই প্রকল্প থেকে মণ্ডল সাহেবের বার্ষিক মুনাফা প্রায় দুই লাখ টাকা। এত দিন শুনেছি সেচের পানির বাজারের কথা; মাদরা গ্রামে এসে স্বচক্ষে দেখলাম পেয় পানির বাজার। একেই বলে নেসেসিটি ইজ দ্য মাদার অব ইনভেনশন। বিনা পয়সায় বিষ খাওয়ার দিন গতপ্রায়। এখন শুধু শহরের মানুষ পানির জন্য পয়সা দেয় না, গ্রামের মানুষও দেয়। মাদরা গ্রাম থেকে ফেরার পথে গাড়িতে উঠে মুসা ভাই বললেন, বাংলাদেশ বদলেছে; আরো বদলাবে। হঠাৎ দেখি তিনটি মেয়ে, হলুদ জামা আর সাদা পায়জামা-ওড়না পরে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাচ্ছে। মুসা ভাইকে সে দৃশ্য দেখিয়ে বললাম, দেখুন পরিবর্তনের ছোঁয়া।

সাত.

এবার ঢাকা ফেরার পালা। খুলনা রোডে চুকনগরে আব্বাসের হোটেলের বিখ্যাত খাসির মাংস দিয়ে পেটপুরে গুরুভোজন শেষে কিছুটা অবসাদগ্রস্তও। কেউ ঢেকুর তুলছি, কেউ হাই তুলছি। এমনি সময় একটা সংবাদ শুনে সবাই নড়েচড়ে বসলাম। এবার নাকি এক ভয়াবহ বন্যা ধেয়ে আসছে, যা ১৯৮৮ সালের বন্যার ভয়াবহতাকেও ছাপিয়ে যেতে পারে। সংবাদ শুনে বিব্রত বোধ করলাম; কিন্তু বিচলিত হলাম না। কারণ এই দেশ ‘পুড়ে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।’ সংকট ছিল, সংকট আছে এবং সংকট থাকবে; তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ এগিয়ে যাবে—এ কথা ভাবতে ভাবতে প্লেনে উঠে পড়ি।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা