kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বুয়েটের শিক্ষা

মোফাজ্জল করিম

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



বুয়েটের শিক্ষা

আমার এই কলামের গত লেখাটি ছিল সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়, বলা যায় সংবাদ মাধ্যমের হিরো, পেঁয়াজ নিয়ে। লেখাটি শুরু হয়েছিল আমাদের আমলের অর্থাৎ পঞ্চাশ-ষাটের দশকের সিনেমার হ্যান্ডবিলের কায়দায় ‘সুখবর! সুখবর! সুখবর!’ এই তিনটি শব্দ দিয়ে। আজকাল ওই কায়দায় সিনেমার হ্যান্ডবিল বিলাতে বিলাতে পাড়ায়-মহল্লায় ড্রাম-বাঁশি-ক্ল্যারিওনেট বাজিয়ে ব্যান্ডপার্টি যেতে দেখা যায় না। তখন নিউজপ্রিন্টে ছাপা ছয় ইঞ্চি বাই চার ইঞ্চি কাগজের বিজ্ঞাপনের ভাষা ও বিষয়বস্তু ছিল প্রায় একই রকম: বিজ্ঞাপনের শুরুতেই আসিতেছে! আসিতেছে! আসিতেছে! অথবা, চলিতেছে! চলিতেছে! চলিতেছে! শব্দগুলো বসিয়ে চমক সৃষ্টি করার চেষ্টা। তারপর নায়ক-নায়িকা দিলীপকুমার-মধুবালা, উত্তমকুমার-সুচিত্রা সেন, মোহাম্মদ আলী-জেবা ইত্যাদির নামের আগে মনকাড়া সব বিশেষণ প্রয়োগ করে ‘নৃত্যগীতে ভরপুর রোমাঞ্চকর’ চলচ্চিত্রটির ঈষৎ বর্ণনা শেষে পাঠকের ক্ষুধাতৃষ্ণাবর্ধক একটি অপরিহার্য সাসপেন্স সৃষ্টিকারী বাক্যের সন্নিবেশ : বাকি অংশ রুপালি পর্দায় দেখুন। এটা ছিল দর্শককে আকৃষ্ট করার একটি প্রচলিত মাধ্যম। এখন তো আর দর্শক হলে গিয়ে সিনেমা দেখে না, তাই ব্যান্ড বাজিয়ে, বিজ্ঞাপন বিলি করে প্রচারও উঠে গেছে। ওই ধরনের প্রচারে সিনেমা নির্মাতারা জানেন এখন আর হ্যান্ডবিল ছাপানো, ব্যান্ডপার্টি ভাড়া করার পয়সাও উঠবে না।

তো যদি বা কোনো সুবোধ পাঠক-পাঠিকা ওই চটকদার হেডিং দেখে আমার লেখাটি পাঠ করেন সেই আশায় গত লেখাটি শুরু করেছিলাম সেই ‘আসিতেছে’ মার্কা হাত সাফাই দিয়ে। সুখবর...। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে এভাবে ধরা খেয়ে যাব তা, বিশ্বাস করুন, মোটেই ধারণা করিনি। ওই লেখা ছাপা হওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ পার হতে চলল, পেঁয়াজের মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। উল্টো মনে হচ্ছে দুই পয়সার পেঁয়াজের কারণে বোধ হয় আমাদের অমূল্য সম্পদ একজন মাননীয় মন্ত্রীকেই বাজে খরচের খাতায় নাম লেখাতে হচ্ছে। অবশ্য মানতেই হয়, তাঁর সযত্নে বর্ধিত বপুর মত তাঁর বুকের পাটাও বিশাল (তিনি ঘোষণা দিয়েছেন পেঁয়াজের দাম কমাতে তিনি মন্ত্রিত্ব ছাড়তেও রাজি আছেন। (বালাই ষাট!) অবশ্য এবার আর তিনি বিদেশি পেঁয়াজ প্লেনের সিঁড়ি দিয়ে উঠে পড়েছে, নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠলেই দাম পড়ে যাবে, (স্মর্তব্য : ‘আর ক’টা দিন সবুর করো, রসুন বুনেছি’), আর দশটা দিন পর... ইত্যাদি জাতীয় কিছু বলেননি। হয়ত তাঁকে কেউ বারবার বেলতলায় যেতে নিষেধ করেছে।

২.

তবে এবার আমি একটা এক শ ভাগ খাঁটি গরুর দুধের মত বিশুদ্ধ এবং হালাল সুখবর দিয়ে শুরু করতে চাই। কী আপনারা অনেকেই দেখছি হাঁ হাঁ করে উঠছেন: ‘গরু খাঁটি নয় সাহেব, দুধ খাঁটি, কী যা-তা বলছেন।’ ঠিক আছে, মানলাম। কিন্তু আমি যে রোজই পান্থপথ দিয়ে আসতে-যেতে একটি বহুতলবিশিষ্ট দালানের গায়ে বিরাট বিরাট সোয়া ফুট বাই এক ফুট হরফে দৃষ্টি আকর্ষণী একটি লেখা দেখে আসছি গত বিশ বছর ধরে তার কী হবে? ওটা নিয়ে তো কেউ কোনো দিন কোনো উচ্চবাচ্য করেছেন বলে শুনিনি। লেখাটি কি জানতে চান? ভেবেছিলাম, ছয় ফুট বা তার চেয়ে বেশি ছেলেরাই বুঝি কেবল জানতে আগ্রহী হবে! তা আপনারা মানে সেসব ছেলেদের মা-বাবারাও যে বোধগম্য কারণে জানতে চাইবেন তা আমার বোঝা উচিত ছিল। দেয়ালের গায়ে লেখা: ‘...উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়’। বুঝুন এবার। বিজ্ঞাপনের ভাষা হলো এটা? গড় উচ্চতার বাঙালি ছেলেরা কি তা হলে ‘চাকরি খালি নাই’-এর তালিকায়? স্কুল কর্তৃপক্ষের এই বৈষম্যমূলক সাইনবোর্ডটির ব্যাপারে আপনারা কেউ তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন না, প্লিজ। কি, এই গুরুদায়িত্বটা আমাকে পালন করতে বলছেন? না ভাই, এই বুড়ো বয়সে গুরুদায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গুরু মহাশয়দের রোষানলে পড়ার ঝুঁকি নেওয়া বোধ হয় ঠিক হবে না।

তার চেয়ে আমি বরং এই মহল্লা বা নগরভিত্তিক সুখ্যাত বিদ্যালয়টির আয়েব ধরা থেকে নিজেকে বিরত রেখে আরও বৃহত্তর, বরং বলা উচিত বৃহত্তম, পর্যায়ের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের তরতাজা খবরটি দিয়ে শুরু করি। এবং অবশ্যই এটি একটি জেনুইন সুখবর। গণমাধ্যমে দেখলাম এবং শুনলাম, বুয়েটের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সব দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছে এবং সেই প্রেক্ষিতে দীর্ঘ দুই মাসের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে ছাত্রছাত্রীরা আজকালের মধ্যেই ক্লাসে ফিরবে। আলহামদুলিল্লাহ। এর চেয়ে ভালো, এর চেয়ে স্বস্তিদায়ক খবর আর কী হতে পারে। যদিও আমার কোনো ছেলেমেয়ে, নাতিপুতি ওই স্বনামধন্য শিক্ষায়তনে বর্তমানে লেখাপড়া করে না, তবুও গর্ব করার মত যে দু-একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচিতি বহির্বিশ্বে এখনো আছে, বুয়েট তাদের অন্যতম ভেবে আমি এবং আমার মত অনেকেই, পুলকিত বোধ করি। সেই  প্রতিষ্ঠানটির মান-মর্যাদা গত ৬ অক্টোবরের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ধুলায় লুণ্ঠিত হতে চলেছিল। এই একটি ঘটনা সমস্ত দেশবাসীর সামনে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল। প্রদীপের নিচে যে কী নিকষ কালো অন্ধকার থাকতে পার তা ওই সেরাদের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সেদিনের ঘটনার পর মানুষ বুঝতে পেরে বিস্ময়ে বেদনায় হতবাক হয়ে গিয়েছিল। যে  প্রতিষ্ঠানে কেবল দেশের সবচেয়ে মেধাবী সুশৃঙ্খল নিবেদিতপ্রাণ তরুণ-তরুণীরা লেখাপড়া করার সুযোগ পায়, যেখানে শিক্ষা-সংস্কৃতির সুকুমারবৃত্তিগুলোর বাইরে কারো অন্য কিছু চর্চার অভিরুচি বা অবকাশ আছে বলে দেশের মানুষ মনে করে না (অন্তত এই বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানটির স্বর্ণোজ্জ্বল অতীত সেভাবেই একে দেশ ও দেশের বাইরে প্রতিষ্ঠিত করেছে) সেই সাত রাজার ধন বিদ্যাপীঠটিকে যে কতিপয় দুর্বৃত্ত ও তাদের পৃষ্ঠপোষকরা ভেতরে ভেতরে হিটলারের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত করে ফেলেছিল তা বাইরে থেকে বোধ হয় কেউই জানত না। আর সেই ক্যাম্পে ছাত্ররাজনীতির নামে সমানে চলেছে নিপীড়ন-নির্যাতন, যার পরিণামে ঘটল আবরারের মত একটি অত্যন্ত প্রতিভাবান সম্ভাবনাময় তরুণের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। আর তখনই ঘটল সেই অবশ্যম্ভাবী ছাত্র বিপ্লব। বলা উচিত ছাত্র বিস্ফোরণ। দেয়ালে পিঠ ঠেকতে ঠেকতে শিক্ষার্থীরা যখন দেখল পেছনে আর দেয়ালটিও নেই তখনি তারা জ্বলে উঠল বায়ান্ন, বাষট্টি, ঊনসত্তর আর একাত্তরের বারুদ হয়ে। তারা ঠিকই জানত, দেশের সতেরো কোটি মানুষের নীরব সমর্থন এবং অন্তরের দু’আ আছে তাদের জন্য। তাদের মূলমন্ত্র ছিল ভাঙব, তবু মচকাব না। বায়ান্ন-একাত্তর এবং আবরার তাদের মচকাতে শেখায়নি। আজ তাদের বিজয় সূচিত হয়েছে। শুধু আবরার হত্যার সব আসামিকে বিচারের সম্মুখীনই করা হয়নি, কর্তৃপক্ষকে লিখিত ‘কড়ার’ জারি করতে হয়েছে বুয়েটে আর কোনো দিন দাদাগিরি ফলাও করতে দেওয়া হবে না কাউকে। অমুক রাজনৈতিক দলের লেজ, তমুক গোষ্ঠীর চামচা সেজে ছাত্রাবাসে ‘টর্চার সেল’ খোলা, ‘র‌্যাগিং’ নামক কিছু ভয়াবহ অমানবিক কর্মকাণ্ড চালানো ইত্যাদি আইন করে বন্ধ করা হবে। আর এসবের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রাবাসগুলো থেকে। যে কর্তৃপক্ষ এত দিন গণেশমার্কা (ওটাও আমাদের আমলের, ইদানীং পাওয়া যায় না) খাঁটি সরিষার তেল তাঁদের সুপরিসর নাসারন্ধ্রে ঢেলে দিব্যি কুম্ভকর্ণের চ্যালা সেজে সুখনিদ্রা যাচ্ছিলেন, তাঁরা এবার ধড়মড় করে উঠে বসে শুধু নাকখত দিতে বাকি রাখলেন। ‘বলো বাবারা, আর কী চাও? তোমরা যা বলবে তাই কবুল’। একেই বলে ঠ্যালার নাম বাবাজি, একাত্তরে নিয়াজিও তখন বলেছে, ‘বলুন দাদা, কোথায় সই করতে হবে?’

৩.

এখানে আমার দুইখান কথা আছে। ‘কেন, স্যারেরা, আপনারা জানতেন না এত দিন আপনাদের নাকের ডগায় এত সব অকাম-কুকাম করে চলেছে ছাত্র নামধারী কিছু অসুর? নাকি আপনারা আপনাদের কুরসি পাকাপোক্ত রাখার উদ্দেশ্যে মহলবিশেষকে খুশি করতে গিয়ে এসব ‘তুচ্ছ বিষয়’ দেখেও না দেখার ভান করতেন? আপনাদের সাম্রাজ্যের ভেতরে আপনারা গড়ে উঠতে দিয়েছেন দানবশাসিত সব করদরাজ্য। বলুন তো আজ আপনাদের মান-সম্মান, আপনাদের প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি পাবলিকের চোখে কোন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে? আপনাদের পক্ষে কথা বলার একটা বান্দাও খুঁজে পাওয়া যাবে না এই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলে। এমনটি তো হওয়ার কথা ছিল না; বরং পাবলিক তো ছাত্রদের ধর্মঘটকে ধিক্কার দিয়ে বলার কথা ছিল, ‘এই পোলাপান, তোমাগো ওই বড় ইশকুলে পাঠাইছি লেহাপড়া করনের লাইগা, স্যারগো লগে বেআদবি করনের লাইগা না। যাও, মানে মানে গিয়া কেলাসে বহ’। তা না, তারা স্বাধীনতার পর বোধ হয় এই প্রথমবারের মত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে ধিক্কার দিয়েছে আপনাদের, আর বলেছে, ‘ছাত্ররা, তোমরা এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমাদের সাথে’। আর বলবে নাই বা কেন? কে চায় তার সারা জীবনের স্বপ্নের কাণ্ডারি মেধাবী ছেলেটি লাশ হয়ে আসুক বুয়েটের মত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে।

বুয়েটের কর্তৃপক্ষের কাছে আমার বিনীত আরজ, যে কারণেই হোক একবার আপনাদের নিদ্রাভঙ্গ যখন হয়েছে তখন দেখবেন আবার ঘুমিয়ে পড়বেন না। আবার কারো শলাপরামর্শে, আবার কোনো অপরাজনীতির মোহে আবিষ্ট হয়ে, প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে ব্যাক টু স্কয়ার নাম্বার ওয়ান হয়ে যাবেন না। এমনটি মনে করবেন না, ‘আচ্ছা এখন তো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যা চাইছে মেনে নিই, পরে দেখা যাবে’। বরং আপনারা প্রতিজ্ঞা করুন, অক্টোবর ও তার আগের বিভীষিকাময় পরিবেশকে চিরতরে কবর দিয়ে আগের চেয়েও সুন্দর, গৌরবময় একটি বুয়েট জাতিকে উপহার দেবেন।

আর সরকারের কাছে প্রশ্ন, বুয়েটের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে অন্যান্য পাবলিক ভার্সিটিতেও কি কলুষমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি (যা হয়ত দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য খুবই জরুরি কিন্তু ছাত্রদের জন্য মোটেই মঙ্গলজনক নয়, বরং সুনাগরিক না গড়ে কিছু সুদানব সৃষ্টি করার জন্য খুবই উপযোগী) বন্ধ করে ছাত্ররাজনীতি, যা হবে কেবল ছাত্রদের নিজেদের সমস্যা সমাধানের, নিজেদের দাবিদাওয়া আদায়ের, জ্ঞান-বিজ্ঞান সাধনা, শিল্প-সাহিত্যচর্চা, খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির জন্য রাজনীতি। আইন করে সেই রাজনীতি চালু করা যায় না? আপনারা বলবেন, তা হলে আমাদের জন্য চোঙ্গা ফুঁকবে কে, দরকারে-বেদরকারে রাজপথে গুলি খাবে কে? জবাবে বলব, সংবিধানের কোথায় লেখা আছে এরা আপনাদের জন্য চোঙ্গা ফুঁকবে, জেল খাটবে, গুলি খাবে, মাস্তানি-চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করবে, আর আপনাদের আমাদের ছেলেমেয়েরা ইউরোপ-আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিমুক্ত নিরাপদ শিক্ষাঙ্গনে লেখাপড়া করে আপনাদের এবং সেই সঙ্গে দেশবাসীর মুখোজ্জ্বল করবে?

৪.

টাকা আছে বলেই আমার-আপনার সন্তানদের ইউরোপ-আমেরিকায় না পাঠিয়ে বরং আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ওই সব দেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মত উঁচু মানসম্পন্ন করি না কেন। জানি, এক দিনে তা হবে না, হওয়া সম্ভবও নয়, তবে আজ বা আগামীকাল না হোক, ২০৪১-এ তো হতে পারে। সেই যে ইংরেজি একটা কথা আছে না, ‘ওয়ান ব্রিক আপন অ্যানাদার অ্যান্ড দ্য ওয়াল ইজ মেড’। একবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লেজুড়বৃত্তির রাজনীতিমুক্ত করে দেখুন না, কী ম্যাজিকের মত কাজ হয়। 

 লেখক: সাবেক সচিব, কবি

[email protected]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা