kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

হাজার পাসে ৭ গোল

২৪ নভেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাজার পাসে ৭ গোল

পাস, পাস আর পাস। সঙ্গে যোগ হলো নিখুঁত ফিনিশিং। দুইয়ে মিলে কোস্টারিকাকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে স্পেন। জোড়া গোল ফেরান তরেসের।

বিজ্ঞাপন

একটি করে গোল দানি ওলমো, মার্কো আসেনসিও, গাবি, কার্লোস সলের ও আলভারো মোরাতার।

এটাই বিশ্বকাপে স্পেনের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। তবে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি ব্যবধানে জয়ের কীর্তি আছে। ১৯৮২ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি ১০-১ গোলে হারিয়েছিল এল সালভাদোরকে। এছাড়া ১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি ৯-০ গোলে দক্ষিণ কোরিয়াকে ও ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়া ৯-০ গোলে হারায় কঙ্গোকে।

বিরতির আগে স্পেনের বলের দখল ছিল ৮৫ শতাংশ, পাস ৫৭৩টি, পোস্টে শট ৭টি। সেখানে পোস্টে একটি শটও নিতে না পারা কোস্টারিকা ছিল অসহায়। বিরতির পরও ছবিটা মোটামুটি একই। স্পেনের বল দখল ৮১ শতাংশ আর পাস ১০৪৩টি। হাজারের বেশি পাস খেলে ৭-০ ব্যবধানের জয়ে বড় বার্তাই দিল স্পেন।

স্পেন প্রথম গোলের দেখা পায় ১১ মিনিটে। গাবির চিপ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিশ্বকাপে স্পেনের ১০০তম গোলটা করেন দানি ওলমো। ১৮ বছর ১১০ দিনের গাবি ছিলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে স্পেনের হয়ে খেলা সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার। ২১ মিনিটে জর্দি আলবার নিচু ক্রস প্রথম ছোঁয়ায় জালে জড়ান মার্কো আসেনসিওর।

বিরতির আগে স্পেনকে ৩-০ গোলে এগিয়ে দেন ফেরান তরেস। ডি-বক্সে জর্দি আলবাকে ফাউল করেছিলেন অস্কার দুরাতে। সুযোগটা হেলায় হারাননি তরেস। ৫৪ মিনিটে স্পেনকে ৪-০ গোলে এগিয়ে দেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ডই।

কোস্টারিকার রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে কাছ থেকে নেওয়া শটে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে নিজের ১৫তম গোলটি করেন তরেস। আলভারো মোরাতার ক্রসে ৭৪ মিনিটে ৫-০ করেন স্পেনের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপ খেলা গাবি।

৯০তম মিনিটে ৬-০ করেন সলের আর ৭-০ হয় ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে আলভারো মোরাতার লক্ষ্যভেদে। এএফপি



সাতদিনের সেরা