kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ফেভারিট তকমা ভুলে যেতে বললেন কেম্পেস

২৪ নভেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফেভারিট তকমা ভুলে যেতে বললেন কেম্পেস

সৌদি আরবের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই হট ফেভারিট আর্জেন্টিনার হারে হতভম্ব ফুটবলবিশ্বই। আর্জেন্টিনায় এর প্রতিক্রিয়া বলাই বাহুল্য। ১৯৭৮ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক মারিও কেম্পেস পদে পদে ভুল পাচ্ছেন লিওনেল স্কালোনির এই দলের।

প্রথমত তিনি বলছেন সৌদিদের বিপক্ষে খেলার জায়গাই বের করতে পারেননি লিওনেল মেসিরা, ‘তারা না খেলার জায়গা তৈরি করতে পেরেছে, না কোনো ছন্দ ধরতে পেরেছে।

বিজ্ঞাপন

ফলে ম্যাচটা ক্রমে জটিল হয়ে যায়। মোটেও ভালো করতে পারেনি তারা এদিন। সেখানে সৌদিরা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করেছে এবং ম্যাচ জিতেছে। ’ স্থানীয় রেডিও ৯৫.১ এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনটি বিশ্বকাপ খেলা এই তারকা এমনও বলেছেন, ম্যাচের পরিস্থিতিই বুঝে উঠতে পারেননি আর্জেন্টাইনরা এবং কোনো একটা মুহূর্তকে পুঁজি করে খেলাটা তারা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তি নিয়েই বরং প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আমি জানি না ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কোনো প্রভাব এ ম্যাচে ছিল কি না। শীর্ষ সারির দলগুলোর বিপক্ষে কিন্তু আমরা খেলিনি। সেখানে সৌদি আরব দেখিয়েছে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কী করে খেলতে হয়। শক্তি, চাপ সব প্রয়োগ করে প্রতিপক্ষকে খেলতে না দেওয়ার পরিকল্পনায় তারা সফল। ’

প্রতিপক্ষকে ঠিকভাবে মূল্যায়ন না করারও দায় দিয়েছেন লিওনেল স্কালোরি শিষ্যদের, ‘ম্যাচ না খেলে জেতার উপায় নেই। কিন্তু আমার মনে হয় আর্জেন্টিনা সৌদি আরবকে নিয়ে ততটা ভাবেনি এবং সেটা নিয়ে বেশ নিশ্চিন্তও ছিল। কিন্তু এর মূল্য চুকাতে হয়েছে তাদের। ’ এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর টোটকাও দিয়েছেন ’৭৮-এর ফাইনালে গোল করা কেম্পেস, ‘এখন সব আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। তারা ওখানে বিশ্বজয় করতে গেছে, আপাতত মাথা থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে সেটা। শুরু করতে হবে শূন্য থেকে। ’ আর এই কঠিন পরিস্থিতির উল্টো দিকও দেখছেন, ‘এই পরিস্থিতিতেই আর্জেন্টিনার আর্জেন্টিনা হয়ে ওঠার সুযোগ। মাথা ঠাণ্ডা রেখে নতুন করে লক্ষ্য ঠিক করে ঝাঁপাতে হবে। ’

অফসাইডগুলো নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘প্রথমার্ধে তো মোটেও ভালো খেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা। বল ছেড়েছে দ্রুত, স্ট্রাইকার দৌড়েছে বলের আগে। দ্বিতীয়ার্ধে সৌদি আরব বাঁচো-মরো পণ করে যেন নেমেছিল, সফলও হয়েছে তারা। ’ অফসাইড নিয়ে সাবেক আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সের্হিয়ো আগুয়েরোও কথা বলেছেন। তিনি সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করেছেন লাউতারো মার্তিনেসকে, ‘এসব পরিস্থিতিতে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু লাউতারোকে আরেকটু ধৈর্য ধরতে হতো, অপেক্ষা করতে হতো। লিও হয়তো অফসাইডে চলে যেত, তার জন্য প্রতিপক্ষ সেন্ট্রাল ডিফেন্ডাররা কিছুটা পিছিয়ে যেত, তখন সুযোগটা নিতে পারত লাউতারো। কিন্তু এই ম্যাচে নাম্বার নাইন হিসেবে সে পুরো ব্যর্থ। ’

প্রথম ম্যাচের এই ব্যর্থতায় শিরোপা মিশনে আসা আলবিসেলেস্তেরা দ্বিতীয় ম্যাচেই এখন বাঁচা-মরার সমীকরণে। বলা যায়, তাদের নক আউট রাউন্ড শুরু হয়ে যাচ্ছে তাতা মার্তিনোর মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই, সামনে অপেক্ষায় থাকবে রবার্ত লেভানদোস্কির পোল্যান্ড। লা নাসিওন



সাতদিনের সেরা