kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বেনজিমার অভাব বুঝতেই দিল না ফ্রান্স

ফ্রান্স ৪ : ১ অস্ট্রেলিয়া

২৪ নভেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বেনজিমার অভাব বুঝতেই দিল না ফ্রান্স

উড়ন্ত জিরু

গত বিশ্বকাপ থেকেই কথাটা বলা হচ্ছিল, ফ্রান্সের স্কোয়াডটা দিয়ে সমমানের দুটি দল খেলানো যাবে বিশ্বকাপে। কেন বলা হয়, কাতারে এবার শুরুতেই দেখা গেল তা। দলে এত চোট নিয়ে যেকোনো কোচের জন্য একাদশ সাজানোই কঠিন হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু দিদিয়ের দেশমকে কখনোই খুব বিচলিত মনে হয়নি, তা যে কেন, সেটিই পরশু রাতে দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

বিজ্ঞাপন

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সৌদি আরবের ওই অঘটনের পর চোটজর্জর ফ্রান্সের বিপক্ষে ক্রেইগ গুডউইনের গোলে শুরুতেই যখন এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া, তখন ভাবাটা কঠিন ছিল ফ্রান্স এই ম্যাচটাই শেষ করবে ঠিক চ্যাম্পিয়নের মতো করেই। ২০১৮ বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান কিলিয়ান এমবাপ্পে এদিন ফ্রান্সের ৪-১ গোলের অসাধারণ জয়ের মূল নায়ক। গোল করেছেন, করিয়েছেন, ম্যাচজুড়ে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্সের আতঙ্ক হয়ে ছিলেন ২৩ বছর বয়সী এই তারকা। দেশম তো ম্যাচ শেষে ঘোষণার সুরেই বলেছেন, ‘এই বিশ্বকাপটা ওর। কিভাবে পার্থক্য গড়ে দিতে হয় সে জানে। এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা। আজ যেভাবে খেলেছে তাতেই স্পষ্ট করে দিয়েছে তা। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার, দলের হয়ে কিভাবে খেলতে হয় কিলিয়ান সেটা জানে। যদিও তার ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের কোনো কমতি থাকে না ম্যাচে। আর সেটা আমাদের জন্য দারুণ ব্যাপার। ’

বিবিসির ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণে ফরাসি তারকাকে নিয়ে প্রশংসা ঝরেছে সাবেক ফুটবলারদের কণ্ঠেও। ভিনসেন্ট কম্পানি যেমন মেসি, রোনালদোর সঙ্গে তুলনা টেনেছেন তাঁর, ‘হাতে গোনা গুটিকয়েক ফুটবলার আছে, যাদের খেলা দেখে মনে হয় ওদের আটকানো অসম্ভব। রোনালদিনহোকে দেখে এমনটা মনে হতো; মেসি রোনালদোর সেরা সময়ও তা-ই মনে হয়েছে। কিলিয়ানকে নিয়েও তাই বলতে হবে, যাকে সামলানোর কোনো পথ আপনি বের করতে পারবেন না। ’ ম্যাচে জোড়া গোল করিম বেনজিমার অনুপস্থিতিতে একাদশে সুযোগ পাওয়া অলিভিয়ের জিরুর। যে দুটি গোল করে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলশিকারি হিসেবে থিয়েরি অঁরির পাশে নাম লিখিয়েছেন তিনি। দেশমের কখনোই সংশয় ছিল না জিরুকে নিয়ে, সেটিই বলেছেন তিনি, ‘জিরু যে কাজে সেরা, সে সেটাই করেছে—গোল। রেকর্ডের দিকে সে তাকিয়ে নেই। সে শুধু গোলই চায়। ’ পল পগবা ও এনগোলো কন্তে না থাকায় মিডফিল্ডে বড় দায়িত্ব ছিল আদ্রিয়ান রাবিউর কাঁধে। পিছিয়ে পড়া দলকে সমতায় ফিরিয়ে তিনিই প্রথম ফরাসিদের দিয়েছেন ভরসা। এদিন নিয়মিত দুই সেন্টার ব্যাক প্রেসনেল কিম্পেম্বে আর রাফায়েল ভারানকে ছাড়াই খেলেছে ফ্রান্স। যোগ হয়েছে লুকাস এর্নান্দেসের চোট, বিশ্বকাপই শেষ হয়ে গেছে তাঁর। এএফপি



সাতদিনের সেরা