kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

এবার শিরোপা জিতুক ব্রাজিল

২৪ নভেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



২০ বছর বিশ্বকাপ জেতে না ব্রাজিল, নেইমারদের জন্য এবার সবচেয়ে বড় চাপের হচ্ছে এটাই। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনে বিশ্বকাপ জয়ের সর্বশেষ ছবিটা ২০০২ সালের, যেখানে আছি আমি, কাফু, রোনালদোরা। আমার মনে হয় এত দিনের আক্ষেপ মেটানোর এটাই ভালো সুযোগ। ব্রাজিলের আক্রমণভাগ অসাধারণ, যারা খেলতে পারবে সাম্বার তালে।

বিজ্ঞাপন

প্রথম ম্যাচটা একটু সতর্ক হয়ে খেলতে বলব। কারণ সার্বিয়া কঠিন প্রতিপক্ষ। ইউরোপের সব দলই আসলে কঠিন। নেশনস লিগের জন্য ওদের সঙ্গে খেলার সুযোগ কমে গেছে। ব্যবধান বোঝা যাবে তাই বিশ্বকাপে।

এবারের বিশ্বকাপ হচ্ছে নভেম্বরে, সব খেলোয়াড়ের ফিট থাকাটা চ্যালেঞ্জের। ব্রাজিলে অবশ্য কারো ইনজুরির খবর শুনিনি। দেখা যাক, ওরা শেষ পর্যন্ত কতটা ফিটনেস ধরে রাখতে পারে। বিশ্বকাপে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারদের জন্য নিজেদের দেশের সংবাদমাধ্যমকে সামলানোও একটা চ্যালেঞ্জ! কারণ ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম আস্থা রাখতে পারে না নিজেদের ফুটবলারদের ওপর। আর ফুটবলও ব্রাজিলিয়ানদের চেয়ে কেউ হয়তো ভালো বোঝে না!

১৯৯৮ বিশ্বকাপের কথাই বলি। সেবার বিশ্বকাপ ঘিরে ৫৩ দিনের ক্যাম্প করেছিলাম। ৫২ দিন অসাধারণ কেটেছে। শুধু ফাইনাল হারের পর মনে হয়েছে, ধ্বংস হয়ে গেল সব। আমরা জানতাম, ২০ কোটি মানুষকে হতাশ করেছি। ২০০২ সালে আমরা সেসবই করেছি, যা করেছিলাম ১৯৯৮-এ। পার্থক্য শুধু শেষ দিনটা। সেবার আমরা শিরোপা জিতেছিলাম। সেই একটা দিন সব বদলে দিয়েছিল। ও হ্যাঁ, আরেকটা পার্থক্য ছিল। ফাইনালের দিন আমরা রোনালদোকে ঘুমাতে দিইনি!

১৯৯৮ সালে ফাইনালে রোনালদোর রহস্যজনক ইনজুরি নিয়ে কথা হয়েছে অনেক। আমি তখন ওর রুমমেট ছিলাম। আমি না থাকলে আরো খারাপ কিছু ঘটতে পারত। কিছু একটা ঘটেছিল, যে কারণে ডাক্তার ডেকেছিলাম। লিওনার্দো, এদমুন্দো—যারা কাছে ছিল সবাইকে ডেকেছি। আর এখন তো কেউ এক রুমেই থাকতে চায় না। সবাই একা থাকতে পছন্দ করে।

২০০২ বিশ্বকাপে হুলিয়ানো বেলেত্তি অদ্ভুত সব কাণ্ড করেছিল। ক্যামেরা নিয়ে যখন তখন ছবি তোলা, ভিডিও করা, আমাদের কথাগুলো রেকর্ড করে রাখা—সবই করত সমানে। তখন মনে হতো, আমাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নষ্ট করছে ও! তবে বেলেত্তিকে ধন্যবাদ, ও এসব রেকর্ড করে রেখেছে বলেই সব স্মৃতি অক্ষত আছে। সেই দলের খেলোয়াড়দের ‘ক্যাম্পিওস দো পেন্তা’ নামে একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। সবার সঙ্গে যোগাযোগ হয় সব সময়। আশা করছি, নেইমাররা ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জিতে এমন একটা গ্রুপ করে আজীবন একাত্ম থাকতে পারবে। মিরর



সাতদিনের সেরা