kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নিজ শহরে নতুন পরিচয়ে

জয়টা ভারমুক্ত করে দিয়েছে দলের কোচ এইচ এম মাহমুদ ইমনকে। তবু খানিকটা চাপের কারণ জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নিয়ে এবারই প্রথম নিজ শহরে দল নিয়ে খেলতে এসেছেন তিনি।

ইয়াহইয়া ফজল, সিলেট   

২ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিজ শহরে নতুন পরিচয়ে

এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অনেকটা হেসেখেলেই জিতেছে নিগার সুলতানার দল। এই জয়টা ভারমুক্ত করে দিয়েছে দলের কোচ এইচ এম মাহমুদ ইমনকে। তবু খানিকটা চাপের কারণ জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নিয়ে এবারই প্রথম নিজ শহরে দল নিয়ে খেলতে এসেছেন তিনি, ‘নিজ শহর যেমন আত্মবিশ্বাস দেয়, তেমনি বাড়তি চাপও থাকে। তবে মেয়েদের বড় জয়ে সেটা এখন আর নেই।

বিজ্ঞাপন

সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব ১৬ বছর পালন করেছেন ইমন। জেলা দলকেও সামলেছেন। অলক-এনামুল হক জুনিয়রের যুগ থেকে জাতীয় দলের তরুণতম ক্রিকেটার নাসুম আহমদ, আবু জাহেদ রাহীদের কোচ এখন বাংলাদেশ নারী জাতীয় দলের হেড কোচের ভূমিকায়। নতুন পরিচয়ে সিলেট এসে জানালেন, ‘যারা কোচিং পেশার সঙ্গে জড়িত তাদের স্বপ্ন থাকে সর্বোচ্চ লেভেলে কোচিং করানো। জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়ায় সেটা পূরণ হয়েছে। খেলায় সাধারণত কোচের দিকে অতটা খেয়াল রাখেন না সাধারণ মানুষ। তবে সিলেট যেহেতু আমার নিজের শহর, এখানকার সবার তাই বাড়তি আগ্রহ এ নিয়ে । ’

দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর কোন বিষয়টিকে আলাদা গুরুত্ব দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে ইমন বলেন, ‘আমি দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর জোর দিই দলগতভাবে অবদানের বিষয়ে। আগে দলে কয়েকজনের ওপর নির্ভরতা বেশি ছিল। এখন পুরো দল ভালো করছে। খেয়াল করলে দেখবেন, জুনিয়ররা ব্যর্থ হলে সিনিয়ররা টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আবার সিনিয়ররা ব্যর্থ হলে জুনিয়ররা পারফরম করে পুষিয়ে দিচ্ছে। ’

বাংলাদেশের নারী জাতীয় দলের সঙ্গে গত বছরের জানুয়ারিতে যুক্ত হন ইমন।   এ সময় দক্ষিণ আফ্রিকার ইমার্জিং দল বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের সঙ্গে খেলতে আসে। সিলেটে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের সময় নারী ক্রিকেট দলের হেড কোচ হন এইচ এম মাহমুদ ইমন। সর্বশেষ আবুধাবিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তাঁর দল। সেই সুখস্মৃতি সঙ্গে নিয়ে এবার নিজের শহরে বড় স্বপ্ন নিয়ে এশিয়া কাপে খেলতে এসেছেন ইমন, ‘আপাতত লক্ষ্য ফাইনাল খেলা। তবে দল এখন যে রিদমে আছে, সবাই যেভাবে দল হিসেবে খেলছে, এটি অব্যাহত থাকলে যেকোনো কিছু জয় করা সম্ভব। ’



সাতদিনের সেরা