kalerkantho

রবিবার । ৪ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

১১ মাসে এক জয় কাবরেরার!

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১১ মাসে এক জয় কাবরেরার!

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দুটি জয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়ে হাভিয়ের কাবরেরা ফিরেছেন একটি জয়ের সঙ্গে বড় এক হার নিয়ে। নেপালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের হার মামুলি কিছু নয়, ফুটবলের ‘আসর’ মাটি করে দেওয়ার মতো এক অঘটনের দায় চাপছে জামাল ভুঁইয়াদের ওপর।

ফিফা উইন্ডোতে এই দুটি প্রীতি ম্যাচের আগে লম্বা প্রস্তুতি পর্ব ছিল বাংলাদেশ ফুটবল দলের। ২২ দিনের আবাসিক ক্যাম্প ও কাজী সালাউদ্দিনের সতর্কবার্তা মিলিয়ে কম্বোডিয়া ও নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দুটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল খানিক প্রত্যাশা।

বিজ্ঞাপন

বাস্তবে পেয়েছে একটি জয়, যাদের বিপক্ষে হারের অতীত রেকর্ড নেই, সেই কম্বোডিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। কম্বোডিয়া জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে নেপালের বিপক্ষে খেলতে নেমেই জামাল-টুটুল-বিশ্বনাথরা তিন গোল খেয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রথমার্ধে। এক অঞ্জন বিস্তার কাছেই হেরে গেছে হাভিয়ের কাবরেরার দল। দেশে ফিরে কাল জাতীয় দলের এই স্প্যানিশ কোচ দুঃখ প্রকাশ করেছেন, ‘কালকের (পরশুর) ম্যাচ নিয়ে খানিকটা দুঃখিত, আমরা ভালো কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। চেয়েছিলাম ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে, কিন্তু কিছু ভুলের কারণে আমরা সেটা পারিনি। ’ বাংলাদেশ খেলেছে শুরুর ১৭ মিনিট। এরপর ২০ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে এই নেপালি ফরোয়ার্ড রীতিমতো বাংলাদেশকে এলেবেলে দলের কাতারে নামিয়ে আনেন।

লম্বা সময়ের ট্রেনিংয়ের পর ভুলে ভরা রক্ষণভাগ আর সম্পূর্ণ অকার্যকর মধ্যমাঠ বিস্মিত করেছে সবাইকে। প্রতি-আক্রমণে দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল ফেরালেও বাংলাদেশের খেলায় ছিল না ম্যাচে ফেরার কোনো ইঙ্গিত। অথচ কাবরেরা ভেবেছিলেন অন্য কিছু, ‘আমরা ভেবেছিলাম কঠিন লড়াই হবে এই ম্যাচে। কিছু জায়গায় আমরা দুর্বল ছিলাম, নেপালকে সুযোগ দিয়েছি। ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি, হাফ-চান্সগুলোও কাজে লাগাতে পারিনি। ’ তাঁদের ব্যর্থতায় দেশের ফুটবলের সুরভিত সময়টা আর পুরোপুরি আনন্দের থাকেনি। গোলাম রব্বানী ছোটনের মেয়েরা যে ফুটবলকে রাঙিয়েছেন, সেখানে খানিকটা কালি ছিটিয়ে দিয়েছেন কাবরেরার ছেলেরা।

স্প্যানিশ কোচের কৃতিত্ব ধরলে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়টিই সম্বল। অর্থাৎ আট ম্যাচে এক জয়, পাঁচ হার এবং দুই ড্র। এটি মোটেও একজন কোচের জন্য ভালো পরিসংখ্যান নয়। ডিসেম্বরে তাঁর ১১ মাসের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে জাতীয় দলের আর কোনো ম্যাচ খেলারও সুযোগ নেই। চুক্তি নবায়ন হলেই ম্যাচ পাবেন। কাবরেরার ভবিষ্যৎ এখন বাফুফের হাতে।



সাতদিনের সেরা