kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০২২ । ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

জয়ের খরা কাটাল বাংলাদেশ

সাত ম্যাচ আর ১০ মাস পর আন্তর্জাতিক কোনো ফুটবল ম্যাচ জিতল বাংলাদেশ। সর্বশেষ জয়টা ছিল গত বছর নভেম্বরে শ্রীলঙ্কায় মাহিন্দা রাজাপক্ষে ট্রফিতে মালদ্বীপের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জয়ের খরা কাটাল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সাবিনা-কৃষ্ণাদের সাফ জয়ের রেশ কাটেনি এখনো। এরই মধ্যে জয়ের আনন্দে মাতলেন জামাল ভূঁইয়ারা। গতকাল নমপেন জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২৩ মিনিটে একমাত্র গোলটি রাকিব হোসেনের।

বিজ্ঞাপন

সব মিলিয়ে সাত ম্যাচ আর ১০ মাস পর আন্তর্জাতিক কোনো ফুটবল ম্যাচ জিতল বাংলাদেশ। সর্বশেষ জয়টা ছিল গত বছর নভেম্বরে শ্রীলঙ্কায় মাহিন্দা রাজাপক্ষে ট্রফিতে মালদ্বীপের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে।

হাভিয়ের কাবরেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ছয় ম্যাচে জয় পায়নি বাংলাদেশ। খরাটা কাটল গতকালই। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ১৯২ আর কম্বোডিয়া ১৭৪ নম্বরে থাকলেও মাঠের খেলায় এই ব্যবধানটা ছিল না। বরং আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ ভাগ্যের সহায়তা পেলে জিততে পারত আরো বড় ব্যবধানে।

বিরতির আগে দুই দল খেলছিল সমান তালে। বাংলাদেশ প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটা পায় ১৪ মিনিটে। বিশ্বনাথ ঘোষের লম্বা থ্রো ইনে জামাল ভূঁইয়া পা ছোঁয়ালেও বল যায় পোস্ট ঘেঁষে। গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর দৃঢ়তায় ১৯তম মিনিটে রক্ষা বাংলাদেশের। ৩০ গজ দূর থেকে বুলেট গতির শট নিয়েছিলেন সিন কাকাডা। এক হাত দিয়ে ফিস্ট করে আক্রমণটা রুখে দেন আনিসুর।

এরপর ২৩ মিনিটে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল। তাতে যথেষ্ট অবদান মতিন মিয়ার। মাঝমাঠ থেকে দ্রুতগতিতে কয়েকজনকে কাটিয়ে কম্বোডিয়ার প্রান্তে চলে আসেন মতিন। ৩৫ গজ দৌড়ে বাড়ানো তাঁর পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের জোরালো নিচু শটে লক্ষ্যভেদ রাকিবের।

বিরতির পরও ৪-১-৪-১ ছকে রক্ষণ জমাট রেখে পাল্টা আক্রমণের কৌশলে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। অভিষেক হয় মিডফিল্ডার সোহেল রানার। ৭৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া মতিন মিয়ার বুলেট শট ক্রসবারে লেগে না ফিরলে ব্যবধান ২-০ হতেই পারত। কম্বোডিয়া কয়েকবার জিকোর পরীক্ষা নিলেও সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দেয় রাকিবের গোলটিই। ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবেন জামাল ভূঁইয়ারা।

২০১৯ সালে নমপেনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ১-০ গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। তিন বছর পর আবারও নমপেনে দেখা দুই দলের। এবার স্টেডিয়াম বদলালেও ফলটা একই রইল। র‌্যাংকিংয়ে কম্বোডিয়া এগিয়ে থাকলেও তাদের সঙ্গে হারের তেতো স্বাদ পায়নি বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচে বাংলাদেশের জয় চার, ড্র একটি। আর গতকাল ছিল কম্বোডিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক জয়।



সাতদিনের সেরা