kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সংকট সিডন্সের ভূমিকা নিয়েও

২০ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংকট সিডন্সের ভূমিকা নিয়েও

ক্রীড়া প্রতিবেদক : তাঁকে বাংলাদেশে ফেরানোর সময় ভবিষ্যতের ব্যাটার তৈরির জন্যই আনা হচ্ছে বলা হয়েছিল। যদিও চুক্তিতে জেমি সিডন্সের ভূমিকা জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। সেই থেকে বাংলাদেশ দলের সঙ্গেই আছেন এই সাবেক হেড কোচ। দেশে এবং দেশের বাইরে জাতীয় দলের খেলার চাপে পিষ্ট এই অস্ট্রেলিয়ানের তাই এর বাইরে সময়ই দেওয়া হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

আশার কথা, তাঁকে এখন আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত রাখতে চায় না বিসিবি। তাদের চাওয়া, সিডন্সকে এখান থেকে সরিয়ে তরুণ ও উঠতি ব্যাটারদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার কাজে লাগানো।

তবে সহসাই সেরকম কিছু করতে যাওয়ার সংকটও মাথায় রাখতে হচ্ছে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানকে, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে অবশ্যই জাতীয় দলের সঙ্গে যাবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এশিয়া কাপে তাঁকে পাঠাব কি না। না পাঠালে দলকে যেতে হবে ব্যাটিং কোচ ছাড়াই। এটিও খারাপ। এশিয়া কাপে গেলে আবার এখানে ডেভেলপমেন্টের কাজ হবে না। ’ এমন উভয় সংকটের সমাধান সোমবারই বের করে ফেলতে চান তিনি। সেদিনই হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট শ্রীধরন শ্রীরাম, সিডন্সসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গেই বসার কথা আছে নাজমুলের।

ভবিষ্যতে সিডন্সকে ডেভেলপমেন্টেই বেশি কাজে লাগাতে আগ্রহী বিসিবি সভাপতি বললেন, ‘ওর সঙ্গে আগে থেকেই কথা ছিল যে ডেভেলপমেন্টেও কাজ করবে। ওরও ইচ্ছা সেরকমই ছিল। কিন্তু এখানে আসার পর জাতীয় দলের ব্যস্ততার ফাঁকে সময়ই পাচ্ছে না। সামনে সে মূলত ডেভেলপমেন্টেই কাজ করবে। ’ মানসম্পন্ন ব্যাটার তৈরির জন্য সিডন্স এক বছর সময় চেয়েছেন বলেও জানালেন তিনি, ‘‘বিভিন্ন বয়সী ১০-১৫-২০টি ছেলে যদি আমরা তাকে দিই, এইচপিতে এ রকম ছেলে আছে, আছে ‘এ’ দল এবং বাংলাদেশ টাইগার্সেও। ওদের নিয়ে কাজ করে সে তৈরি করে দেবে। সে এক বছর সময় চাচ্ছে। এরপর সে ব্যাটিং পজিশন ধরে ধরে আমাদের ব্যাটার দিতে পারবে। ’’



সাতদিনের সেরা