kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

ইংল্যান্ডে নতুন ভোর

২৮ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইংল্যান্ডে নতুন ভোর

নিজেদের হারিয়ে খুঁজছিল ইংল্যান্ড। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় তারা ছিল ৮ নম্বরে, পেছনে একমাত্র বাংলাদেশ। সর্বশেষ ১৭ টেস্টে জয় শুধু একটি। কক্ষপথে ফিরতে দরকার ছিল আমূল পরিবর্তন।

বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ড সেটাই করেছে। খেলোয়াড়িজীবনে বরাবরের আগ্রাসী ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে দায়িত্ব দিয়েছে টেস্ট কোচের। জো রুটের বদলে নেতৃত্বের ব্যাটন এখন বেন স্টোকসের হাতে। এই জুটির হাত ধরে ভুলতে বসা স্বাদ পেল ইংল্যান্ড। সর্বশেষ দেশের মাটিতে ২০১১ সালে ভারতকে ৪-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছিল তারা। ১১ বছর পর আবারও একই কীর্তি। এবার টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডকে ৩-০ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ করেছে ইংলিশরা।

লিডসের শেষ টেস্টে গতকাল নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারায় বেন স্টোকসের দল। জয়ের জন্য ২৯৬ রানের লক্ষ্যে চতুর্থ দিনই ২ উইকেটে ১৮৩ করেছিল ইংল্যান্ড। গতকাল বৃষ্টিতে প্রথম সেশনটা ভেসে যায়। খেলা শুরু হলে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দ্রুত ম্যাচটা শেষ করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। টিম সাউদির করা প্রথম ওভারে ৮২ করা ওলি পোপ বোল্ড হলেও ইতিবাচক ছিলেন জো রুট ও জনি বেয়ারস্টো। ৪৪ বলে ৭১* রানের ঝোড়ো ইনিংস বেয়ারস্টোর। জো রুট অপরাজিত ছিলেন ৮৬ রানে।

ম্যাককালাম কোচ হওয়ার পর সিরিজ জয়ের ধরনটা ছিল বিস্ময়-জাগানিয়া। লর্ডসের প্রথম টেস্টে ১৪১ রানে গুটিয়ে গেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে জো রুটের সেঞ্চুরিতে ম্যাচটা জেতে ৫ উইকেটে। নটিংহামে দ্বিতীয় টেস্টে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে গড়ে ৫৫৩ রানের পাহাড়। জবাবে জো রুটের ব্যাট থেকে আবারও আসে অনবদ্য ১৭৬। চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য লক্ষ্য ২৯৯। জনি বেয়ারস্টো টি-টোয়েন্টি মেজাজে ৯২ বলে ১৩৬ করে জয় এনে দেন ৫ উইকেটে। এই টেস্টেই অধিনায়ক বেন স্টোকস প্রথম ইনিংসে ৩৩ বলে ৪৬ আর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ৭০ বলে ৭৫*। ভয়কে জয় করে খেলা সাহসী এমন ক্রিকেটই সাফল্যের রসায়ন ইংল্যান্ডের।

২০১১ সালে ভারতকে হোয়াইটওয়াশ করা একাদশের জেমস অ্যান্ডারসন ও স্টুয়ার্ট ব্রড খেলছেন এখনো। এবারের সিরিজে ব্রডের উইকেট ১২ আর অ্যান্ডারসনের ১১টি। তাঁদের সঙ্গে তরুণ ম্যাথু পটস ১৪টি আর জ্যাক লিচের শিকার ১৩ উইকেট। লিডসের শেষ টেস্টে লিচ তাঁর ক্যারিয়ারে প্রথমবার নিয়েছেন ১০ উইকেট। অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের এমন মিশেলেই নতুন ভোর ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে। ক্রিকইনফো



সাতদিনের সেরা