kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

মেজাজে আলাদা লক্ষ্যে এক

২৮ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেজাজে আলাদা লক্ষ্যে এক

মাঠের চৌকো সাদা দাগের ভেতরেই নয় সব খেলা। টাচলাইনে দাঁড়িয়ে দাবার ঘুঁটির মতো খেলোয়াড়দের নিয়ে খেলেন দুই কোচ। আজকের ফাইনালের সেই দুই মাস্টারমাইন্ড কার্লো আনচেলোত্তি ও ইয়ুর্গেন ক্লপ। চরিত্র বা মেজাজে দুজন দুই মেরুর।

বিজ্ঞাপন

তবে দুজনেরই নিজের খেলোয়াড়দের ওপর অগাধ আস্থা। ঠাণ্ডা মেজাজের আনচেলোত্তির ট্যাকটিকসে ভরসা করেই বাঁধনহীন ফুটবল খেলে রিয়াল মাদ্রিদ। ক্লপ তা নন, টাচলাইনে থেকেই তিনি যেন দলটাকে চরিয়ে বেড়ান। লিভারপুলে তাই মোহামেদ সালাহ, সাদিও মানেদের পাশে ক্লপ নিজেও বড় তারকা।

লিভারপুলকে বদলে দেওয়া মানুষটিই তো হলেন ক্লপ। একসময়ের ইউরোপিয়ান জায়ান্ট ঘরে-বাইরে যখন ধুঁকছে, তখন এই ক্লপেই গত পাঁচ চ্যাম্পিয়নস লিগের তিনটিতেই ফাইনালে তারা। ২০০৪-০৫-এর পর প্রথম শিরোপাও ঘরে তুলেছে। লিগ শিরোপার স্বাদ পেয়েছে দীর্ঘ ৩০ বছর পর। অন্যদিকে আনচেলোত্তি ইউরোপজুড়েই সাফল্য-অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ। চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন তিনবার, পাঁচটি ভিন্ন লিগ শিরোপাও তাঁর ঝুলিতে। ক্লপের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে ১০ বার। এর চারটিতে জিতে এগিয়েও আছেন। ক্লপ জিতেছেন তিনবার। চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে দুজনের মুখোমুখি দেখায় অবশ্য ১-১-এ সমতা। আরেকটি উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো দুজনের ১০ দেখায় একই ম্যাচে দুই দলই গোল করেছে মাত্র তিনবার। গোলও হয়নি খুব বেশি। তার মানেই দুজনের লড়াইটা খুব হাড্ডাহাড্ডি। একে অন্যের প্রতি সমীহও যে প্রবল। ক্লপ যেমন বলেছেন, ‘তাঁর (আনচেলোত্তির) অভিজ্ঞতা, সাফল্য অন্য পর্যায়ের। দলকে উজ্জীবিত করতে জুড়ি নেই। ’ আনচেলোত্তির মতে, ‘ও (ক্লপ) বেশ কিছু নতুন ধারণা যোগ করেছে ফুটবলে। আক্রমণাত্মক প্রেসিংয়ে ভিন্নমাত্রা এনেছে খেলায়। ’ মেজাজে আলাদা হলেও দুজনের চোখ তাই এক বিন্দুতে, কে জিতবে সে লড়াইয়ে?

 



সাতদিনের সেরা