kalerkantho

সোমবার । ২৭ জুন ২০২২ । ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৬ জিলকদ ১৪৪৩

শুরুতেই হোঁচট খেল মোহনবাগান

১৯ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুরুতেই হোঁচট খেল মোহনবাগান

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গতবারের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এটিকে মোহনবাগানকে এবারও ফেভারিট ধরা হয়েছে এএফসি কাপে। কিন্তু তারাই গতকাল নিজেদের মাঠে  ৪-২ গোলে হেরে গেছে গোকুলাম কেরালার কাছে!

প্রথমার্ধটা সল্টলেক স্টেডিয়ামের দর্শকদের প্রত্যাশামতোই খেলেছিল মোহনবাগান। দারুণ সব সুযোগ তৈরি করেছে। গোকুলাম মাঝে মাঝে আক্রমণে উঠলেও কোনো সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

সেখানে অন্য প্রান্তের পোস্টে লেগে ফিরেছে রয় কৃষ্ণার শট। লিস্টন কোলাসোর চমৎকার ক্রসেও বল জালে পাঠিয়ে দিতে পারতেন ফিজিয়ান স্ট্রাইকার, কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে তাঁর ভলি। যে বলটা পোস্টে লাগিয়েছিলেন, সেটির থ্রু বাড়িয়েছিলেন জনি কাউকো। ড্রিবলিং করে বক্সে ঢুকেই দূরে পোস্টে প্লেসিং করেছিলেন মোহনবাগান অধিনায়ক। বল অবিশ্বাস্যভাবে সাইডপোস্টের ভেতরের অংশে লেগে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। এরপর রয় কৃষ্ণার বাড়ানো বলে কাউকোও সুযোগ পেয়েছিলেন স্বাগতিকদের এগিয়ে দিতে। কিন্তু গোলরক্ষকের হাতে মেরে সুযোগটা নষ্ট করেছেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ফরোয়ার্ডরা সেটি হয়তো পুষিয়েও দিতে পারতেন। কিন্তু ডিফেন্ডার তিরি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে ডিফেন্সে সেই ক্ষতিটা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা। দ্বিতীয়ার্ধে তখন গোকুলাম কাউন্টারে ওপরে উঠলেই এলোমেলো হয়ে পড়ছিল মোহনবাগানের ডিফেন্স। বিরতির পর খেলা শুরুর পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায় গোকুলাম। বক্সের সামনে বল হারিয়েছিল মোহনবাগান, সেই বলেই দ্রুত কয়েকটা পাস খেলে গোলমুখ খুলে ফেলে কেরালার দলটি। ডান দিকে তাহির জামানের কাটব্যাকে বল জালে পাঠিয়ে দেন তাদের স্লোভেনিয়ান স্ট্রাইকার লুকা মাজিন।

মোহনবাগান দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। তিন মিনিটেই কর্নার থেকে সেই গোল শোধ করে দিয়েছিলেন প্রিতম কোটাল। কিন্তু ডিফেন্সটাই যে সামলাতে পারেননি তিনি। ৫৭ মিনিটেই তাই আবার ২-১। এবার কাউন্টারে বাঁ দিক থেকে জার্ডিন ফ্লেচারের কাটব্যাকে লক্ষ্যভেদ করেন রিশাদ। লুকা নিজের দ্বিতীয় গোল পেয়ে যান এরপর আরেকটি কাউন্টার অ্যাটাকে। তিরির বদলি নামা আশুতোষ মেহতা সামলাতে পারেননি ফ্লেচারকে, তাঁর বাড়ানো বলেই বক্সে ঢুকে লুকার প্লেসমেন্ট।

৩-১ হওয়ার পরই জয়ের পাল্লা ভারী হয়ে যায় গোকুলামের। ৮০ মিনিটে লিস্টন কোলাসো ফ্রিকিক থেকে ২-৩ করলেও মোহনবাগানের ডিফেন্স থাকে একই রকম ভঙ্গুর। তাই ৮৯ মিনিটে আরো এক গোল গোল হজম করে ৪-২ এ হার তাদের।

 



সাতদিনের সেরা