kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

ম্যাথুজ নিজেও বুঝতে পারেননি

১৭ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ম্যাথুজ নিজেও বুঝতে পারেননি

চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি : সেই বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো বটেই, বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটেও পরিচিত মুখ এই শ্রীলঙ্কান। তাই মাঠের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে দারুণ সখ্যও আছে ম্যাথুজের। তাই প্রশ্নটা শুনেই হেসে দিলেন গতকাল মাত্র ১ রানের জন্য ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি বঞ্চিত এই লঙ্কান, ‘যুব দল থেকে ওদের চিনি।

বিজ্ঞাপন

আমি কিছু বাংলা জানি। ব্যাটিংয়ের সময় আমি হয়তো কিছু কথা বাংলায় বলেছি, ওরাও (বাংলাদেশি ক্রিকেটার) কিছু কথা সিংহলিজ ভাষায় বলেছে!’

ওভারের মাঝে কিংবা পানি পানের বিরতির সময় প্রায়ই ম্যাথুজের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছে তামিম ইকবাল কিংবা মুশফিকুর রহিমকে। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার পর সবার সঙ্গে উইকেটশিকারি নাঈম হাসানও অভিবাদন জানিয়েছেন ম্যাথুজকে। স্পোর্টসম্যানশিপের এই উদাহরণে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ মিশে, দীর্ঘ পরিচয়ের ঘনিষ্ঠতা যার উৎস।

যথারীতি ডাবল সেঞ্চুরির বঞ্চনা নিয়েই দিনশেষের সংবাদ সম্মেলনে প্রথম প্রশ্নটা শুনতে হয়েছে ৩৪ বছর বয়সী ম্যাথুজকে, ‘অবশ্যই বাকি একটা রান করতে পারলে ভালো লাগত। তবু ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে ভালো একটা ইনিংস খেলতে পেরেছি। আশা করি, এই ইনিংস আমাদের জিততে সাহায্য করবে। ’ এরপর কোনো রাখঢাক না করেই তিনি জানিয়েছেন, ‘ওভারের শেষ বল, শেষ ব্যাটার, আমি ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু হিসাবে ভুল হয়েছিল। সাকিব ক্যাচটা নিয়ে ফেলল (হাসি)! সত্যি বলতে রানটা নিতে পারলে ভালো লাগত। তবে এটাই ক্রিকেট। ’

ভীষণ গরমে দীর্ঘ সময় ব্যাটিংয়ের ক্লান্তিও সেই ভুলের ফাঁদে ফেলার জন্য আংশিক দায়ী বলে মনে করেন ম্যাথুজ, ‘খুবই ক্লান্ত ছিলাম, ভীষণ গরমের কারণে। মনে হচ্ছিল ৪২ ডিগ্রি (আসলে ৩২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড)। সিদ্ধ হচ্ছিলাম। ’ চট্টগ্রামের গরম পরশু ব্যাটিংয়ে নামার পরই জাপ্টে ধরেছিল ম্যাথুজকে। তবে তাঁর মনে বিশ্বাস ছিল, ‘যদি শুরুটা করতে পারি, তাহলে যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারব। জানতাম উইকেটে সেট হয়ে গেলে আমাকে ইনিংসটা টেনে নিয়ে যেতে হবে। এ জন্যই আমরা ফিটনেস নিয়ে কাজ করি, যেন বৈরী পরিবেশের সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারি। ট্রেনারদের ধন্যবাদ আমাদের এতটা ফিট রাখার জন্য। ’

খালেদ আহমেদের বলে ব্যাট ছোঁয়ার ব্যাপারটি ম্যাথুজ নিজেও বুঝতে পারেননি, ‘সত্যি বলতে আমি নিজেও বুঝতে পারিনি। পরে (রিপ্লে দেখে) বিস্মিত হয়েছি। কোনো শব্দ শুনতে পাইনি। তাই লিটনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম ও কিছু শুনতে পেয়েছিল কি না। লিটনও শুনতে পায়নি। তবে এমনটা হয়। একবার তাইজুলের বলে মনে হচ্ছিল ব্যাটে লেগেছে। কিন্তু সেটা হয়নি। ব্যাটাররাও মাঝেমধ্যে বুঝতে পারে না। ’

 



সাতদিনের সেরা