kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

টানা টুর্নামেন্ট খেলাটা কঠিন

১৬ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টানা টুর্নামেন্ট খেলাটা কঠিন

প্রশ্ন : ওমানের কাছে আগেও হেরেছে বাংলাদেশে। কিন্তু ফাইনালে এত বড় ব্যবধানে হারের কারণ কী?

গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তি : ১-০তে হার বা ৬-২ গোলে হার শেষ পর্যন্ত হারই। আমি কোনো পার্থক্য দেখি না। শুরুর ১০ মিনিটেই তিন গোল খেয়ে যাওয়ার পর আমাদের গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণে যেতে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তখন ডিফেন্স আবার নিজেদের সংগঠনটা ধরে রাখতে পারেনি। আমরা চেষ্টা করেছি। তবে শেষ পর্যন্ত ভালো দলটাই জিতেছে। ওমানকে কৃতিত্ব দিতে হবে। ওরা জেতার জন্য ক্ষুধার্ত ছিল। কারণ আগের দুই ম্যাচেই আমরা ওদের হারিয়েছি।

প্রশ্ন : শুরুর ১০ মিনিটে ওই তিন গোল খেয়ে যাওয়াই তাহলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল?

কৃষ্ণমূর্তি : একদম, ১০ মিনিটের মনোযোগ হারানো একটা ম্যাচ হারার জন্য যথেষ্ট। এরপর আমরা যথেষ্ট আক্রমণ করেছি। কিন্তু সেগুলো থেকে গোল করার মতো ততটা ভালো আসলে খেলতে পারিনি।

প্রশ্ন : থাইল্যান্ডে যাওয়ার আগে বলেছিলেন এ টুর্নামেন্টটা এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসেবে কাজে লাগাবেন আপনারা। সেই প্রস্তুতি কেমন হলো? আর শেষ ম্যাচের এমন হারে খেলোয়াড়রা মানসিকভাবেও একটা ধাক্কা খেলো না?

কৃষ্ণমূর্তি : ম্যাচে জয়-পরাজয় তো থাকবেই। ভালো দল হলো তারাই যারা, ওই হারের পর দারুণভাবে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। আমার এই খেলোয়াড়দের নিয়ে সেই আত্মবিশ্বাস আমার আছে যে, ওরা এশিয়া কাপে ঠিক নিজেদের সেরাটা দেখাবে। গত ১১টা ম্যাচে এই প্রথম ওরা হারল। ওদের প্রশংসাটাও তাই প্রাপ্য। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১০টা ম্যাচ ওরা টানা জিতেছে।

প্রশ্ন : হ্যাঁ, এটা অসাধারণ অর্জন। তার পরও এই টুর্নামেন্টে সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে কী বলবেন। এখানে বাংলাদেশ খুব বেশি গোল করতে পারেনি যেমনটা এএইচএফ কাপে করেছিল।

কৃষ্ণমূর্তি : হ্যাঁ, আমরা খুব বেশি গোল করতে পারিনি এই টুর্নামেন্টে। তার জন্য কিছু কারণই আছে?

প্রশ্ন : টানা টুর্নামেন্টের ক্লান্তি পেয়ে বসেছিল কী?

কৃষ্ণমূর্তি : অথচ সামনেই আমাদের আরেকটা টুর্নামেন্ট আছে। এভাবে টানা খেলাটা অবশ্যই কঠিন। কিন্তু এ নিয়ে অভিযোগ করার সুযোগ নেই।

 



সাতদিনের সেরা