kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

মোশাররফকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান প্রধানমন্ত্রীর

২০ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোশাররফকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান প্রধানমন্ত্রীর

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের কাছ থেকে অনুদানের চেক নিচ্ছেন কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফ হোসেন। ছবি : কালের কণ্ঠ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ১৯৮৬ সিউল এশিয়ান গেমসে ৮১ কেজি লাইট হেভিওয়েটে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মোশাররফ হোসেন। এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে পদক নেই আর কোনো বাংলাদেশির। দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রীড়াবিদ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে শয্যাশায়ী প্রায় তিন বছর। গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে খোঁজ মেলে অসহায়ত্ব আর বঞ্চনাভরা জীবনের।

বিজ্ঞাপন

পেনশন থেকে পাওয়া দুই হাজার ৭৪৪ টাকায় মাস চলত মোশাররফের। তাই বন্ধ হয়ে যায় চিকিৎসা।

এ নিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় কালের কণ্ঠে। সেই প্রতিবেদন নজরে আসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। পাশে দাঁড়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে মোশাররফের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের ৩০ লাখ টাকা। নগদ দেওয়া হয়েছে পাঁচ লাখ আর পরিবার সঞ্চয়পত্র হিসেবে ২৫ লাখ টাকা। পাশাপাশি দাবার কিংবদন্তি রানী হামিদকে ১০ লাখ টাকা, দুই ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে ১০ লাখ ও সালমা আক্তারকে অনুদান দেওয়া হয় ১১ লাখ টাকা। ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকদের অনুকূলে আর্থিক অনুদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে চেক তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

কালের কণ্ঠে প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই রাজশাহীতে মানববন্ধন হয়েছিল সরকারি অনুদানে কিংবদন্তি বক্সার মোশাররফের চিকিৎসার জন্য। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ছুটে যান নগরীর তালাইমারীতে মোশাররফের বাড়িতে। অনুদান দেন এক লাখ টাকা এবং ভাতার ব্যবস্থা করেন মাসে ১০ হাজার টাকার। এক লাখ টাকা করে অনুদান দেয় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ও বিএসপিএ। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও অনুদান দেওয়া হয় দুই লাখ টাকা।

গতকাল প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ৩০ লাখ টাকার চেক হাতে নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মোশাররফ, ‘আমাকে নিয়ে প্রতিবেদন করায় কালের কণ্ঠের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। আমি অসহায়ের মতো বিনা চিকিৎসায় রাজশাহীতে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই প্রতিবেদন প্রকাশের পর অনেক প্রতিষ্ঠান আর ব্যক্তির কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুদান আমার পরিবারকে স্বাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে। আরো একবার ধন্যবাদ জানাই কালের কণ্ঠ পরিবারকে। ’



সাতদিনের সেরা