kalerkantho

বুধবার ।  ২৫ মে ২০২২ । ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩  

মেসি-লেভানদোস্কি নাকি সালাহ

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেসি-লেভানদোস্কি নাকি সালাহ

ব্যালন ডি’অরকে বলা হয় ফুটবলের অস্কার। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া ফিফা ‘দ্য বেস্ট’ অ্যাওয়ার্ডের মর্যাদাও অনেক উঁচুতে। আজ জুরিখে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে সেই পুরস্কার। ছেলেদের ফুটবলের বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তিনে জায়গা করে নিয়েছেন গত বছরের চ্যাম্পিয়ন রবার্ত লেভানদোস্কি, লিওনেল মেসি ও মো সালাহ।

বিজ্ঞাপন

ব্যালন ডি’অর জেতায় ‘দ্য বেস্ট’-এর অভিযানেও এগিয়ে মেসি। ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ৭ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে ফিফার অন্তর্ভুক্ত দেশের কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচিত সাংবাদিক ও ভক্তদের ভোটে দেওয়া হবে পুরস্কারটা। এই সময়ে মেসি আর্জেন্টিনাকে জিতিয়েছেন কোপা আমেরিকা আর বার্সেলোনাকে কোপা দেল রে। ৫৭ ম্যাচে গোল ৪৩টি, অ্যাসিস্ট ১৭, সফল ড্রিবল ১৭৬, ম্যাচসেরা ৩৩, গোলের বড় সুযোগ তৈরি ৩৪ আর ‘কি পাস’ ছিল ১৫০টি। শিরোপা জয়ের পাশাপাশি আলোঝলমলে এমন পারফরম্যান্সে এবার এগিয়ে মেসিই।

ব্যালন ডি’অরে মেসির সঙ্গে লড়াইটা ছিল লেভানদোস্কির। ‘দ্য বেস্ট’-এও তা-ই। গোলমেশিন লেভানদোস্কি ছন্দে ছিলেন ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ৭ আগস্ট পর্যন্ত সময়েও। ৪৪ ম্যাচে গোল ৫১টি, অ্যাসিস্ট আটটি। ম্যাচসেরার পুরস্কার ১৬ বার। বুন্দেসলিগায় ২৯ ম্যাচে ৪১ গোল করে ভেঙেছেন ১৯৭১-৭২ মৌসুমে গড়া জার্ড মুলারের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৪০ গোলের রেকর্ড। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বেও আট ম্যাচে গোল করেছেন আটটি, অ্যাসিস্ট চারটি।

মো সালাহ নির্ধারিত সময়ে কোনো শিরোপা জেতেননি। তবে লিভারপুলকে লিগে তিন নম্বরে পৌঁছে দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা পেতে। ৪৫ ম্যাচে করেছেন ২৬ গোল। অ্যাসিস্ট ছিল ছয়টি। ম্যাচসেরার পুরস্কার তিনবার। গোলের বড় সুযোগ তৈরি করেছেন ১২টি আর ‘কি পাস’ ৫৬টি। ফিফা



সাতদিনের সেরা