kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

‘গায়ে জোর থাকলে...’

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৪ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘গায়ে জোর থাকলে...’

শাহীন শাহ আফ্রিদি

উইকেট যেমনই হোক, তাঁদের সাফল্যের পথে অন্তরায় নয় কিছুই। এমনকি ভারতীয় উপমহাদেশের ধীরগতির উইকেটেও আগুন ঝরাতে জানা শাহীন শাহ আফ্রিদির এ ক্ষেত্রে আস্থা নিজের শারীরিক সক্ষমতায়, ‘এশিয়ার সব উইকেটই আসলে কমবেশি ধীরগতির। লোকে বলে যে এখানে স্পিনাররাই বেশি সহায়তা পেয়ে থাকে। তবে শক্তপোক্ত হলে এবং গায়ে জোর থাকলে এখানেও (পেসারদের পক্ষে) কার্যকর হওয়া সম্ভব।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ‘ফ্ল্যাট’ উইকেটেও প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের দিব্যি কোণঠাসা করে গেছেন এই বাঁহাতি পেসার। একা নন, সঙ্গী হয়েছিলেন পাকিস্তানের পেস আক্রমণে তাঁর সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে তোলা আরেক পেসার হাসান আলীও। দুই ইনিংস মিলিয়ে তাঁরা দুজনে মিলেই তুলে নেন বাংলাদেশের ১৪ উইকেট। প্রথম ইনিংসে হাসান আলী নেন ৫ উইকেট আর শাহীনের শিকার ২। দ্বিতীয় ইনিংসে শিকারসংখ্যা দুজনের মধ্যেই অদলবদল হয়ে যায়। এবার শাহীন তুলে নেন ৫ উইকেট, হাসান পান ২টি।

মিরপুর টেস্ট পূর্ব ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনেও শাহীন বোঝালেন বোলিংয়ে জুটি গড়ে তোলার গুরুত্ব, ‘(সফল হতে গেলে) জুটি বেঁধে বল করতে হয়। হাসানেরও এখানে কৃতিত্ব আছে। হাসানের সঙ্গে যখনই আমি বোলিং করি, আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলে ঠিক করে নেই যে কে কখন আক্রমণ করব এবং কে কখন রান আটকে রাখব। হাসানেরও তাই ভূমিকা আছে। আমার কাছে ব্যাপারটি হলো, ৩ ওভারের স্পেল হোক বা ৫ ওভারের, আগ্রাসী বোলিং করতে চাই। এভাবেই সাফল্য ধরা দিচ্ছে।’

সেই সাফল্যের খতিয়ানও তুলে ধরতে ভুললেন না শাহীন, ‘হাসানের সঙ্গে বোলিং দারুণ উপভোগ করি। এই বছর ৩৯ উইকেট ওর আর আমার ৪৪টি। আমরা জুটি বেঁধে বোলিং করি এবং নিজেদের মধ্যে পরিকল্পনা করি, কোনো ব্যাটার ভালো খেলতে থাকলে কিভাবে তাঁকে আটকে রাখা যায় বা দ্বিধায় ফেলা যায়। হাসানের সঙ্গে বোলিং করতে ভালোও লাগে। কারণ সে লড়াকু, লড়াই চালিয়ে যায়।’

সেই লড়াইয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী শাহীনও প্রতিকূল উইকেটে কাজে লাগান নিজের শক্তপোক্ত শরীর আর গায়ের জোর!



সাতদিনের সেরা