kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সব কিছুই অন্ধকার নয়

না বলা অনেক কথা হয়তো ছিল তাঁর। সে জন্যই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন শেষ হয়ে গেলেও সাংবাদিকদের আরো কিছু প্রশ্ন করার সুযোগ নিজে থেকেই দিলেন রাসেল ডমিঙ্গো। আলাদা সেই প্রশ্নোত্তর পর্বে চোখে-মুখে বিষণ্নতা ঝুলিয়ে রাখা বাংলাদেশ দলের হেড কোচের কথা শুনেছেন কালের কণ্ঠের প্রতিনিধিও

৩০ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সমস্যা চিহ্নিত করে...

 

আমি যেটি বুঝেছি, সেটি হলো বাংলাদেশ আছে উভয় সংকটে। আমরা যখন ভালো উইকেটে খেলি, তখন প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নেওয়ার মতো বোলার আমাদের থাকে না। যেটি পাকিস্তানের আছে। স্পিন উইকেটে খেললে অবশ্য আমরা প্রতিপক্ষকে দুই ইনিংসেই অল আউট করার ক্ষমতা রাখি। কিন্তু তখন আবার ভিন্ন সমস্যা হয়। আমাদের ব্যাটাররা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।

টি-টোয়েন্টির নড়বড়ে দল নিয়ে বলতে গিয়ে...

(বিশ্বকাপে) সুপার টুয়েলভের পাঁচটি ম্যাচের দিকে তাকালে দেখবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আমরা খুব ভালো অবস্থায়ই ছিলাম। হেরেছি ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো তিনটি দুর্দান্ত দলের কাছে। ওই ম্যাচ তিনটিতে আমরা আমাদের প্রথম পছন্দের তিনজন খেলোয়াড়কে ছাড়াই খেলেছি—সাকিব, সাইফ উদ্দিন ও সোহান (ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তলপেটের চোট নিয়ে খেলেছেন)। অস্ট্রেলিয়া আর দক্ষিণ আফ্রিকা দল থেকেও যদি আপনি তিনজন শীর্ষ খেলোয়াড়কে সরিয়ে নেন, দেখবেন তাদেরও ভঙ্গুর দেখাচ্ছে। মানছি যে আমরা ভালো খেলিনি এবং সবার হতাশাও আমি বুঝি। এসব অজুহাত নয় যদিও, তবু বললাম আর কি!

আশার আলো দেখাতে গিয়ে...

সব কিছুই অন্ধকার নয়। বিশেষ করে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজের পারফরম্যান্সে আমি খুশিই। তরুণ একটি দল অনেক চাপের মধ্যে খেলেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি-দুটি ম্যাচ আমরা জিততেও পারতাম। এই সংস্করণে অবশ্য আমরা অন্য দলগুলোর তুলনায় পিছিয়েই আছি। আমাদের বিকল্প খেলোয়াড়ের জোগান নিশ্চিত করতে হবে তাই।

বাংলাদেশে তাঁর অতীত ও ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে...

(সে প্রসঙ্গে অবশ্য ঢুকেছেন সামান্যই) সত্যিই খুব উপভোগ করেছি আমি। সন্দেহ নেই যে অনেক চ্যালেঞ্জও ছিল। হতাশই লাগে, যখন দেখে মনে হয় আমরা জিততেই জানি না। এখন মনে হয় টেস্ট সংস্কৃতিটা বদলাচ্ছে। আমি সব সময় বিশ্বাস করি, আপনার টেস্ট দল ভালো হলে সাদা বলের দলও ভালোই হবে। কিন্তু বাংলাদেশে মনে হয় টেস্টের চেয়ে সাদা বলের ক্রিকেটটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দারুণ কিছু তরুণ ক্রিকেটার উঠে আসছে; কিন্তু আন্তর্জাতিক ব্যাটার ও বোলার হিসেবে যেখানে ওদের থাকা দরকার, তার চেয়ে বেশ দূরেই আছে ওরা। ঘরোয়া এবং ‘এ’ দলের খেলা যত বেশি হবে, ততই জাতীয় দল উপকৃত হবে। এই মুহূর্তে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান। পায়ের নিচে মাটি খুঁজে পেতে যাতে বেশি সময় না লাগে, সে জন্য বিসিবির এদিকটায় মনোযোগী হওয়া দরকার।



সাতদিনের সেরা