kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

যেকোনো উইকেটের জন্য তৈরি বাবর

২৬ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যেকোনো উইকেটের জন্য তৈরি বাবর

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম থেকে : প্রতিপক্ষের জন্য পাতা ফাঁদ উল্টো নিজেদের গলার ফাঁস হয়ে যাওয়ার উদাহরণ আছে এই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেই। ২০১৯ সালে স্পিন মঞ্চ সাজিয়ে রশীদ খানদের ঘূর্ণিতে নাকাল হওয়ায় এবার পাকিস্তানের বিপক্ষে একেবারে স্পিন সহায়ক উইকেট বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা সামান্যই।

তবু চাইলেই তো আর উইকেটের চরিত্র পুরোপুরি বদলে ফেলা যায় না। সে জন্যই গত পরশু চট্টগ্রাম টেস্টের জন্য ঠিক হওয়া উইকেটে প্রথমবার চোখ বুলিয়েও বিভ্রান্ত হননি বাবর আজম। হালকা সবুজ ঘাসের আস্তরণ দেখেছিলেন সেদিন। গতকাল আরেকবার দেখার আগেই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন, ‘টিপিক্যাল বাংলাদেশ উইকেটই হবে।’ অর্থাৎ উইকেটে স্পিনারদের জন্য কিছুটা হলেও সুবিধা থাকবে বলে ধরে নিচ্ছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। তেমন হলে দুই দিক থেকেই নিজেদের সুবিধার দিকটিও দেখিয়ে রাখতে চাইলেন নিজ দলের ব্যাটিংয়ের প্রাণভোমরা।

একেই পাকিস্তানের ব্যাটাররা ঐতিহ্যগতভাবে স্পিনারদের খুব ভালো সামলে থাকেন। সেই সঙ্গে স্পিন সহায়ক উইকেটের ফায়দা লুটে নেওয়ার মতো স্পিনারও তাঁদের আছে বলে বিশ্বাস বাবরের। যদিও চট্টগ্রাম টেস্ট খেলার জন্য গতকাল ঘোষণা করা ১২ জনের পাকিস্তান দলে যে দুজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার রাখা হয়েছে, তাঁদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা খুব বেশি নয়। বাঁহাতি স্পিনার নুমান আলী খেলেছেন পাঁচটি টেস্ট। অফস্পিনার সাজিদ খান খেলেছেন আরো কম, মাত্র দুই টেস্ট।

তবে খেলা যখন বাংলাদেশে, তখন ওই দুজনের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাকেও অমূল্য বলেই মনে হচ্ছে বাবরের, ‘আমাদের অভিজ্ঞ বোলাররা এখানে কাজে লাগবে। কারণ এই উপমহাদেশের উইকেটে স্পিনারদের জন্য সহায়তা থাকে সব সময়ই। আমাদের সেরা মানের স্পিনারও আছে। আর আমাদের জন্য বাড়তি সুবিধা যে অনেকেই ফর্মে আছে।’

বাংলাদেশের স্পিনারদের দারুণ সামলানোর আগাম ঘোষণাও যেন দিয়ে রাখতে চাইলেন পাকিস্তান অধিনায়ক, ‘কন্ডিশন এখানে কিছুটা কঠিন। তবে আমাদের যে ব্যাটিং লাইনআপ, তা বেশ অভিজ্ঞ এবং স্পিনারদেরও খুব ভালো খেলে। অতীতেও দেখা গেছে, উঁচু দরের স্পিনারদের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটাররা রান করেছে। আমি এটুকু বলতে পারি, এখানেও ওরা ভালো করবে এবং দলকে জেতাবে।’



সাতদিনের সেরা