kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

জয়-রাজার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাসের সুর

২৫ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম থেকে : ওপেনার তিনি নন। তবু অনুশীলনের শুরুতে ওপেনার সাদমান ইসলামের সঙ্গে পাশের নেটেই ব্যাটিং করার সুযোগ পেলেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁকে নিয়ে টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ ও হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর লম্বা সময় পড়ে থাকাই এই তরুণের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছিল।

জাতীয় লিগের পারফরম্যান্স দিয়ে রাতারাতি স্বপ্নের দিন এসে গেছে তাঁর মতোই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের টেস্ট দলে জায়গা পাওয়া রেজাউর রহমান রাজারও। ১৯ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামেই শুরু হওয়া টেস্টের সম্ভাব্য ক্রিকেটারদের অনুশীলন শিবিরে শুধুই নেট বোলার হিসেবে ঠাঁই পাওয়া বোলার সপ্তাহ না ঘুরতেই মূল স্কোয়াডে। চোটে তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামের ছিটকে পড়াই মূলত এই ডানহাতি পেসারের জন্য খুলে দিয়েছে স্বপ্নপূরণের দুয়ার।

অভিষেক হোক বা না হোক, টেস্ট দলের অংশ হতে পারাও আপাতত কম বড় প্রাপ্তি নয় এবার জাতীয় লিগের প্রথম ম্যাচেই সিলেটের হয়ে খুলনার বিপক্ষে ৮ উইকেট নেওয়া রেজাউরের। ১০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে ৩৩ উইকেট পাওয়া এই পেসারের কণ্ঠে গতকাল খেলে গেল আত্মবিশ্বাসের ঝিলিক। নিজের সামর্থ্যের প্রতি আস্থাও যেন ঘোষণা করলেন, ‘চার দিনের ম্যাচে দিনে কয়েকটি স্পেলে বোলিং করতে পারি। এক জায়গায় ধারাবাহিকভাবে বোলিংও করে যেতে পারি। কিছু মুভমেন্ট করাতে পারি, পারি লম্বা সময় একই ছন্দে বোলিং করে যেতেও।’ বাড়াবাড়ি শোনালেও এমন দাবি করতেও রেজাউর দ্বিধা করলেন না, ‘দিনের শুরুতে যে গতিতে বোলিং করি, দিনের শেষে এর চেয়েও একটু বেশি গতি থাকে।’

শুরুর জড়তা কাটিয়ে নেটে দারুণ সব শট খেলতে থাকা মাহমুদুলের জন্য অভিষেকের দুয়ার খুলেও যেতে পারে, যদি টিম ম্যানেজমেন্ট সাকিব আল হাসানের জায়গায় কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যাটার খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয়। জাতীয় লিগে নিজের শেষ তিন ইনিংসে দুটি সেঞ্চুরি ও একটি ৮৩ রানের ইনিংস খেলা তরুণ সে প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছেন, ‘জাতীয় লিগে বেশ কয়েকটি ভালো ইনিংস খেলেছি। আত্মবিশ্বাসও ভালো জায়গায়। সামনের ম্যাচগুলোতে ভালো করার জন্য আমি তাই প্রস্তুতই।’



সাতদিনের সেরা