kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

এশিয়ান আর্চারি

ইতিহাস ডাকছে হাকিম-দিয়াকে

১৯ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান আর্চারির ইতিহাসে পরশু প্রথম পদক জিতেছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজের ইতিহাসকে আজ সোনালি আভায় ভরিয়ে দেওয়ার সুযোগ হাকিম-দিয়ার সামনে। আর্মি স্টেডিয়ামে তাঁরা মিশ্র দ্বৈতের ফাইনালে মুখোমুখি হবেন কোরিয়ান জুটি লি সিয়ুং উন-রিও সু জংয়ের।

২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশ এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপে খেললেও এবার দেশের মাঠেই প্রথম পদক জিতেছে।

বিজ্ঞাপন

  পরশু পুরুষ ও মহিলা বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছে তারা। ২০১৬ সালে রিও ডি জেনেইরো অলিম্পিকে রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টে সোনা জেতেন লি সিয়ুং উন। তাঁর পার্টনার রিও সু জং অবশ্য এখনো র‌্যাংকিংয়ে নাম ওঠাতে পারেননি। এদিকে দেশের হাকিম আহমেদ (১০৪) ও দিয়া সিদ্দিকী (১২১) ১০০ জনের মধ্যেও নেই। একরকম আন্ডারডগ হিসাবেই তাঁরা ফাইনালে তীর ধরবেন। গত মে মাসে সুইজারল্যান্ড ওয়ার্ল্ড কাপে রোমান সানার সঙ্গে জুটি বেঁধে রুপা জেতা দিয়া এবারও সেরাটা দেওয়ার প্রস্তুত, ‘মানসিকভাবে আমরা প্রস্তুত আছি। কোচের অনুপ্রেরণায় আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে। আমার বিশ্বাস, নিজের সেরাটা দিতে পারলে কোরিয়াকে হারানো সম্ভব। ’

আর্চারিতে দিনের খেলাটাই মুখ্য। লড়াইয়ে দিনে চাপ না নিয়ে কতটা শান্ত থাকতে পারে তার ওপরই নির্ভর করে পারফরম্যান্স। তাই দিয়া স্নায়ুচাপ এড়িয়ে থাকতে চান, ‘সাধারণত এসব ক্ষেত্রে স্নায়ুচাপ কাজ করে সবার মধ্যে। আমাদের চেষ্টা থাকবে কতটা চাপ এড়িয়ে খেলা যায়। সেটা করতে পারলে অবশ্যই ভালো রেজাল্ট হবে। ’ 

তার পার্টনার হাকিম আহমেদ রুবেলও কোনো চাপ নিচ্ছেন না, ‘আমি ও রকম চাপ নিচ্ছি না। কোরিয়ার সঙ্গে তো প্রথম খেলছি না। জানি, তারা অনেক ভালো তবে আমরা সাধ্যমতো সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। ’ সঙ্গে ১৯ বছর বয়সী এই আর্চার যোগ করেন তাঁদের টিম ওয়ার্কের শক্তির কথা, ‘দিয়া আর আমি প্রতিটা শ্যুট করার আগে নিজেরা কথা বলি। এতে যাচাই-বাছাই বা সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ হয়। আমি বলি যে, খেলাটা ওদের সঙ্গে হচ্ছে না, নিজেরা অনুশীলনের মতো করেই খেলব। ’ এই খেলাটা আসলে তাই। ক্রিকেট-ফুটবলের মতো প্রতিপক্ষের সঙ্গে সরাসরি লড়াই নয়, যারা ভালো স্কোর গড়বে শিরোপার মুকুট উঠবে তাদের মাথায়।



সাতদিনের সেরা