kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ মাঘ ১৪২৮। ২০ জানুয়ারি ২০২২। ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

তাঁদের চোখে ফাইনাল

শিরোপার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর আগে শিরোপার স্বাদ পায়নি দুই দলের কেউ। প্রথম শিরোপার জন্য এগিয়ে কোন দল? নিজেদের লেখা কলামে সেটাই তুলে ধরেছেন নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার দুই কোচের পাশাপাশি সাবেক তারকা কেভিন পিটারসেন, ভি ভি এস লক্ষ্মণ ও মরনে মরকেল।

১৪ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



তাঁদের চোখে ফাইনাল

শিশির প্রভাব ফেলবে না

 

টসের ব্যাপারটা বেশ মজার এখন। টস জিতলেই শিশিরের কথা ভেবে সবাই পরে ব্যাট করতে চাইছে। টুর্নামেন্টের শুরুতে শিশির পড়ত শেষ দিকে। কিন্তু সর্বশেষ তিন ম্যাচে মোটেও শিশির পড়েনি। হয়তো তাপমাত্রার পরিবর্তনের কোনো ব্যাপার থাকতে পারে। যদি শুরুতে ব্যাট করে বড় রানের স্কোর করা যায়, তাহলে ফাইনালের মতো মঞ্চে বিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি করা যাবে। টস জেতা বা হারার সমান ৫০ শতাংশ সুযোগ থাকে দুই দলের। সব কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এবারের বিশ্বকাপে মরার আগে না মরার প্রতিজ্ঞা নিয়ে যেভাবে দল খেলছে তাতে গর্বিত আমি। এখন ফাইনালের মতো মঞ্চে স্নায়ুর চাপটা ধরে রাখতে হবে।

 নিউজিল্যান্ডের কোচ

 

সব সময় প্রথমেই ব্যাট করতে চাই

শুরুতে ব্যাট করা সব সময় স্বস্তির। সেমিফাইনালে অ্যারন ফিঞ্চ টস জিতলে আগে ব্যাট করতে চেয়েছিল। তবে পরিসংখ্যান বলছে দুবাইয়ে ১০ ম্যাচের ৯টিই জিতেছে পরে ব্যাট করা দল। এমন রেকর্ড এড়িয়ে যেতে পারেন না আপনি। তার পরও আমরা ব্যাটিংয়ের জন্য প্রস্তুত যেকোনো সময়। আগে বা পরে ব্যাট করা বড় কিছু নয়, আসল হচ্ছে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং। ফাইনাল জিততে হলে সাহসী ব্যাটিং করতে হবে। নিউজিল্যান্ড ভীষণ শক্তিশালী। কয়েক বছর ধরে ওরা অসাধারণ খেলছে। নিউজিল্যান্ডে অনেক ক্রিকেটার আছে ম্যাচ জেতানোর। নিজেদের দায়িত্বটা ওরা ঠিকঠাকভাবে পালন করছে। ওদের হারাতে সেরাটা দিতে হবে আমাদের।

 অস্ট্রেলিয়ার কোচ

 

কিছুটা এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া

ফাইনালে যোগ্য দল হিসেবেই অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। দুই দলের কাউকে এগিয়ে রাখা কঠিন, তবে ডেভন কনওয়ের ইনজুরির জন্য কিছুটা এগিয়ে রাখছি অস্ট্রেলিয়াকে। কনওয়ে থাকলে কিউইদের মিডল অর্ডারে ভারসাম্য বেশি থাকত। তার পরও নিউজিল্যান্ড দুর্দান্ত। কেউ ওদের হালকাভাবে নিলে বোকামি করবে। ফিঞ্চ আর উইলিয়ামসন ভীষণ ভাগ্যবান। সেমিফাইনালে দুজনই টসে জিতে পরে ব্যাট করার সুবিধা নিতে পেরেছে। তার পরও দুই দলই ছিল হারের মুখে। প্রথম সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড এতটাই এগিয়ে ছিল যে সেখান থেকে ১০ বারের মধ্যে ৯ বারই জেতা সম্ভব। নিশাম আর ডেরিলের দৃঢ়তায় স্মরণীয় জয় নিউজিল্যান্ডের।

 ভারতের সাবেক ব্যাটার

 

ইতিহাস অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে

নিউজিল্যান্ড সব দিক দিয়ে পরিপূর্ণ একটা দল। তার পরও আমি এগিয়ে রাখছি অস্ট্রেলিয়াকে। আসলে ইতিহাসই অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। এই দুটি দল বড় কোনো মঞ্চে যখনই মুখোমুখি হয়, বাজিমাত করে অস্ট্রেলিয়া। ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপটা দেখুন। মেলবোর্নের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে পাত্তা দেয়নি ওরা। রবিবারের ফাইনাল শেষে অস্ট্রেলিয়ার হাতে শিরোপা দেখলে অবাক হব না। বাঁচা-মরার ম্যাচে কিভাবে জ্বলে উঠতে হয় অস্ট্রেলিয়া সেটা ভালোভাবে জানে। এ জন্য দীর্ঘ সময় ধরে এই দলটা এত সফল। অস্ট্রেলিয়া যদি সেমিফাইনাল বা ফাইনালে পৌঁছে, তখন যেন অতিরিক্ত উন্মাদনা খুঁজে পায়। ডেভিড ওয়ার্নার এর আদর্শ উদাহরণ।

 ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক

 

নিউজিল্যান্ড অনেক গোছানো দল

বিশ্বকাপজুড়েই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া। তবে আমার মাথায় ঘুরছিল নিউজিল্যান্ডের নাম। ওদের ভুলে যাওয়া যায় কিভাবে? নিউজিল্যান্ড টেস্ট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। গত ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছে। সাদা বলের ক্রিকেটে ভীষণ উন্নতি করেছে গত কয়েক বছরে। ওরা খুবই গোছানো একটা দল আর কেন উইলিয়ামসন নামের অসাধারণ এক নেতাও আছে। আমার মনে হয় ফাইনালের চাপটা সামলাতে পারবে গোছানো এই নিউজিল্যান্ড। এরই মধ্যে ইংল্যান্ড নামের বড় একটা বাধা পেরিয়ে এসেছে ওরা। ফাইনালে বেসিক মেনে খেলতে পারাটা চ্যালেঞ্জের।

 দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার



সাতদিনের সেরা