kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ মাঘ ১৪২৮। ২৭ জানুয়ারি ২০২২। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

অধরা ট্রফি ছোঁয়ার বিশ্বাস

১৪ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অধরা ট্রফি ছোঁয়ার বিশ্বাস

দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুজনের চোখ মাঝখানে রাখা ট্রফিটায়। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই অধিনায়কের অফিশিয়াল ফটোসেশনের ছবিটা অবশ্য আজ রাতে বদলে যাবে। একজনের হাতে যখন শোভা পাবে টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফি, তখন আরেকজনকে ডুবে যেতে হবে এত কাছে এসেও তা হারানোর বেদনায়। কে হাসবেন শেষ হাসি? তা নিয়েই কালকের সংবাদ সম্মেলনে নানা প্রশ্নের জবাব দিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন আর অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।

বিজ্ঞাপন

দুবাইয়ে দুই অধিনায়কের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি মাসুদ পারভেজ

 

প্রশ্ন : ফাইনালের জন্য প্রস্তুত?

অ্যারন ফিঞ্চ : সেমিফাইনালের পর দিনটি আমরা বিশ্রামেই কাটিয়েছি। আজ ঐচ্ছিক অনুশীলন হলেও বেশির ভাগই মাঠে এসেছে। হ্যাঁ, আমরা প্রস্তুত। আর ছেলেরাও খুব উজ্জীবিত। ফাইনাল খেলার জন্য ওদের আর তর সইছে না।

প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়ার কখনোই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না জেতার ভাগ্য কি এবার বদলাচ্ছে?

ফিঞ্চ : এটি ঠিক যে অতীতে এই ট্রফিটা আমাদের শুধু ফাঁকিই দিয়ে গেছে। এবার ফাইনালে ওঠা তাই আমাদের সব ভুল শুধরে নেওয়ার সেরা সুযোগই। তবে নিউজিল্যান্ডের মতো দুর্দান্ত এক দলের সঙ্গে বিষয়টি অত সহজও হবে না। কারণ গত ছয় বছরে তো ওরা প্রায় সব ফাইনালই খেলেছে।

প্রশ্ন : এত দূর আসার পেছনে কোন ব্যাপারটি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন?

ফিঞ্চ : আমি বলব টিম স্পিরিট। আসরের শুরু থেকে অবশ্য অনেকেই আমাদের হিসাবের বাইরে রাখতে চেয়েছেন। কিন্তু আমরা যেভাবে খেলে ফাইনালে এসেছি, তা সত্যিই অসাধারণ। দলের প্রায় সবাই ম্যাচ ভাগ্য নির্ধারণে কোনো না কোনোভাবে অবদান রেখে এসেছে। এখন ওরা কালকের জন্য তেতেও আছে।

প্রশ্ন : সবাইকে ভুল প্রমাণ করে ফাইনালে আসার সন্তুষ্টিও নিশ্চয়ই আছে?

ফিঞ্চ : সবাই আমাদের বাতিলের খাতায় রাখলেও শুরু থেকেই নিজেদের মধ্যে বিশ্বাসটা ছিল। যেভাবে প্রস্তুতি ও কৌশল সাজাচ্ছিলাম, তাতেই দলের মধ্যে বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশ্বকাপ জেতার জন্য জমাট এক পরিকল্পনা নিয়েই আমরা এখানে এসেছিলাম।

প্রশ্ন : বোলিং আক্রমণ নিয়ে কতটা খুশি?

ফিঞ্চ : প্যাট কামিন্সের কথাই বলি। পুরো ইনিংসেই সে দারুণ বোলিং করে আসছে। সেটি কি পাওয়ার প্লেতে, কি ইনিংসের মাঝে এবং শেষেও। সেমিফাইনালেই ওর করা ১৯তম ওভারটি যেমন। ওই সময়ে মাত্র ৩ রান দেওয়া অবিশ্বাস্য। আমাদের পুরো বোলিং লাইনই আসলে ভালো করছে। ম্যাক্সি (ম্যাক্সওয়েল), মিচেল মার্শ ও মার্কাস স্টয়নিসরা তেমন বোলিং করার সুযোগ পায়নি। তবু পঞ্চম বোলারের কাজটি ভাগাভাগি করে দারুণ চালিয়ে নিয়েছে। বোলিং নিয়ে অসন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ তাই নেই।

প্রশ্ন : অনেকেই পারফরম করলেও স্টিভ স্মিথ টুর্নামেন্টে এখনো তেমন রান করতে পারেননি। এটি কি দুশ্চিন্তার?

ফিঞ্চ : নাহ, ওর ফর্ম নিয়ে একটুও চিন্তিত নই। কারণ ও এমন একজন ব্যাটার, যে কিনা বড় ম্যাচেই নিজের মূল্যটা বুঝিয়ে দিতে জানে। কাজেই দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

প্রশ্ন : দুবাইয়ে টস জেতা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফাইনালে হেরে আগে ব্যাটিং করতে হলে ধরন কি একটু বদলাবেন?

ফিঞ্চ : আইপিএলের পর এই আসরেও একই ধারা দেখছি। রান তাড়া করে জেতাই তুলনামূলক সহজ মনে হচ্ছে। তবে এসব নিয়ে আমি খুব ভাবিত নই। কারণ আগে ব্যাটিং করতে হলেও রান তাড়ায় প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার মতো যথেষ্ট পুঁজিও স্কোরবোর্ডে জমা করার সুযোগ আপনার আছে।



সাতদিনের সেরা