kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ওয়েডকে ভরসা দিয়েছিলেন স্টয়নিস

১৭ বলে ৪১ রান করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়া ওয়েড নিজে বরং কিছুটা ছিলেন দ্বিধায়, ‘স্টয়নিসই আমাকে বলছিল হয়ে যাবে। কিন্তু আমি নিশ্চিত ছিলাম না। পরে ও-ই বাউন্ডারি মেরে পথটা আমাকে দেখিয়ে দেয়। আমি খুশি শেষটা করতে পেরেছি বলে। অবদান রাখতে পেরেছি দলের জয়ে।’

১২ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওয়েডকে ভরসা দিয়েছিলেন স্টয়নিস

ম্যাথু ওয়েড যখন ক্রিজে আসেন তখন অনেকটাই পাকিস্তানের দিকে ঝুলে আছে ম্যাচ। ৪৬ বলে ৮১ করতে হবে। কিন্তু ক্রিজে মার্কাস স্টয়নিস আর তিনি, এরপর আর ভরসা নেই। কিন্তু তাঁকে ভরসা দিয়েছিলেন ক্রিজের সঙ্গী স্টয়নিসই।

বিজ্ঞাপন

১৭ বলে ৪১ রান করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়া ওয়েড নিজে বরং কিছুটা ছিলেন দ্বিধায়, ‘স্টয়নিসই আমাকে বলছিল হয়ে যাবে। কিন্তু আমি নিশ্চিত ছিলাম না। পরে ও-ই বাউন্ডারি মেরে পথটা আমাকে দেখিয়ে দেয়। আমি খুশি শেষটা করতে পেরেছি বলে। অবদান রাখতে পেরেছি দলের জয়ে। ’

ওয়েড সেই অর্থে এই টুর্নামেন্টে আলোচনায়ই ছিলেন না। পরের দিকে নামেন বলে ব্যাটই করার সুযোগ পাননি পাঁচ ম্যাচের তিনটিতে। যে দুই ম্যাচে খেলেছেন তাতে আহামরি কিছু করেননি। কিন্তু কাল করেছেন কী! এই টুর্নামেন্টে হট ফেভারিট হয়ে ওঠা পাকিস্তানকে যে একাই হারিয়ে দিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। যে শাহিন শাহ আফ্রিদি ট্রাম্প কার্ড হয়ে উঠতে চলেছিলেন পাকিস্তানের। তাঁর ওভারেই ২২ রান তুলে আলোচনায় না থাকা ওয়েড ম্যাচ ঘুরিয়ে দেবেন কে ভাবতে পেরেছিল! আফ্রিদির বলে ইনিংসের শুরুতেই আউট হয়ে দলকে বিপদে ফেলা অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের কণ্ঠেও তাই ম্যাচ শেষে ওয়েড স্তুতি, ‘শেষ মুহূর্তে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে যেভাবে ওয়েড ব্যাট করেছে তার তুলনা হয় না। মার্কাসের (স্টয়নিস) সঙ্গে ওর এই জুটিটাই আজ আমাদের জিতিয়েছে। ’ উল্টোদিকে বাবর আজমের হতাশা হাত থেকে ম্যাচটা ছুটে যাওয়ার, ‘ব্যাটিংয়ে আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ীই রান তুলেছি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়াকে শেষ দিকে আমরাই কিছু সুযোগ করে দিয়েছি। ক্যাচ মিস না হলে হয়তো ম্যাচটা আমাদেরই হতো। ’ ক্যাচ মিস নিয়ে হতাশা ছিল ফিঞ্চেরও। তবে শেষ পর্যন্ত ওয়েডের একটা অসাধারণ ইনিংস তাদের পার করে দিয়েছে। পাকিস্তানের দিক থেকে দরকার ছিল তেমনই বোলিং। কিন্তু ট্রাম্পকার্ড আফ্রিদিই যে লড়াইটায় হেরে গেছেন।

তবে বাবররা শেষ পর্যন্ত মাথা উঁচু করেই বিদায় নিয়েছেন এই টুর্নামেন্টে। ব্যাটে-বলে অসাধারণ পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁরা বিনোদিত করে গেছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের। বাবরও এই ইতিবাচকতাটা নিয়েই এগোতে চান, ‘অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছি আমরা এই টুর্নামেন্টে। এটা আমরা ধরে রাখতে চাই। ’ ক্রিকইনফো



সাতদিনের সেরা