kalerkantho

সোমবার । ১৪ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

যে কাউকে হারাতে পারে অস্ট্রেলিয়া

১১ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যে কাউকে হারাতে পারে অস্ট্রেলিয়া

মোটেও ছন্দে ছিল না অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর বাংলাদেশ সফরে সিরিজ হেরেছিল যাচ্ছেতাই ক্রিকেট খেলে। তার পরও অস্ট্রেলিয়াকে হিসাবের বাইরে রাখার উপায় ছিল না। বর্ণাঢ্য অতীতের কারণে এই দলটিকে কখনোই রেসের বাইরে রাখা যায় না। বিশ্বকাপে সেটা প্রমাণও করেছে অ্যারন ফিঞ্চের দল। কঠিন গ্রুপ আর কন্ডিশনে খেলে চার ম্যাচ জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা সহজ নয়। প্রতিভাবান ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের দারুণ মিশ্রণে গড়া হয়েছে দলটা। কাউকে ভয় না পেয়ে যদি সাহসী ক্রিকেট খেলতে পারে খেলোয়াড়রা, তাহলে যে কাউকে হারাতে পারে অস্ট্রেলিয়া।

বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে ফর্মে ফেরা যেকোনো দলের জন্য দুর্দান্ত ব্যাপার। এর কৃতিত্বটা দিতে হবে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ আর কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারকে। অনেক দিন ধরে অস্ট্রেলিয়ান জাতীয় দলে দুজন। আমাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভালো জানা তাঁদের। এই দুজনকে শ্রদ্ধা করে দলের সবাই। ডেভিড ওয়ার্নারের পাশে তাঁরা যেভাবে দাঁড়িয়েছে, এক কথায় অভাবনীয় ছিল ব্যাপারটা। আমি প্রধান নির্বাচক হলে ওয়ার্নারকে দলে রাখতাম কি না সন্দেহ আছে। একজন খেলোয়াড় যে কিনা ফর্ম হারানোয় আইপিএলেও জায়গা হারায়, তাঁকে দলে রাখাটা সাহসের। সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করে ওয়ার্নার আবারও প্রমাণ করেছে নিজের কার্যকারিতা।

এবারের মঞ্চটা সেমিফাইনাল। এখন থেকে আসল বিশ্বকাপ শুরু। আমাদের শুধু আত্মবিশ্বাস আর ব্যাটিংয়ে তীব্রতাটা ধরে রাখতে হবে। সেমিফাইনাল সব সময় চাপের এক ম্যাচ। স্নায়ুর চাপ ধরে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় থাকায় এটা দুর্ভাবনার কিছু হওয়া উচিত নয় অস্ট্রেলিয়ার।

পাকিস্তান বিপজ্জনক এক দল। বোলিং, ব্যাটিং—দুই বিভাগে ভীষণ গভীরতা দলটার। বাবর আজম তো ব্যাট হাতে শিল্পী। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যে ছক্কা ছাড়াও ধারাবাহিক বড় রানের ইনিংস খেলা যায় দেখিয়েছে বাবর। মোহাম্মদ রিজওয়ান উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে যেমন সাবলীল, তেমনি সামনে ব্যাট নিয়েও স্বাচ্ছন্দ্য। পাকিস্তানের ব্যাটিং প্রশংসনীয় হলেও বেশি শক্তিশালী বোলিংটা। অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনাল ভাগ্য নির্ভর করছে শাহীন শাহ আফ্রিদিকে সামলানোর ওপর। মিচেল স্টার্কের শুরুর দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয় আফ্রিদি। আর বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন স্টার্সের কোচ হিসেবে খুব কাছে থেকে দেখেছি হারিস রউফকে। ও এখন সুপারস্টার বোলার। এবিসি

 অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার



সাতদিনের সেরা