kalerkantho

রবিবার । ৯ মাঘ ১৪২৮। ২৩ জানুয়ারি ২০২২। ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে

টিম পাকিস্তান ছুটছে

৯ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টিম পাকিস্তান ছুটছে

পাঁচ ম্যাচ, পাঁচ জয়, ম্যাচসেরাও আলাদা পাঁচজন! এটা শুধু বাবর আজম, শাহীন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, মোহাম্মদ রিজওয়ান বা শোয়েব মালিকের দল নয়। এটাই ‘টিম পাকিস্তান’। দলকে আরো একটা বিশ্বকাপ জেতাতে নিজেদের উজাড় করে দিচ্ছেন সবাই। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ও ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলা প্রায় পুরো দলটা একসঙ্গে থাকায় ক্রিকেটারদের বোঝাপড়াটাও চমৎকার।

বিজ্ঞাপন

একমাত্র দল হিসেবে এবারের বিশ্বকাপে টানা পাঁচ জয়ের অন্যতম কারণ এই রসায়নই।

স্কটল্যান্ডকে ৭২ রানে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে পাকিস্তান। শারজায় ১৮ বলে ৫৪* রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন শোয়েব মালিক। ৪০ বছর ছুঁই ছুঁই বয়সেও বিশ্বকাপ মাতাচ্ছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৬* আর আফগানিস্তানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১৯ রান। নিজের ফর্ম আর ফিটনেস নিয়ে মালিক জানালেন, ‘সত্যি বলতে আমি যখন আয়নায় নিজেকে দেখি তখন নিজেকে ফিট দেখতে একটা জেদ কাজ করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এখনো ক্রিকেট উপভোগ করি। ফিট থাকতে চাইলে আপনাকে প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে। আর আমি সেটাই করে যাচ্ছি। ’

পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে শুরুতে ছিলেন না শোয়েব মালিক। শোয়েব মাকসুদ চোট পাওয়ায় দলে আসেন শেষ বেলায়। সুযোগটা কাজে লাগাতে পেরে খুশি মালিক, ‘বিশ্বকাপ দল ঘোষণার সময় আমি ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লিগ খেলছিলাম। দলে নিজেকে না দেখে অবশ্যই হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। সুযোগ পাওয়ার পর ক্যাম্পে দেখলাম দলটা একতাবদ্ধ। সবাই সবাইকে সাহায্য করছে। বিশ্বকাপে ভালো করতে মুখিয়ে ছিল সবাই। ’

সেমিফাইনালে সামনে এবার অস্ট্রেলিয়া। এ নিয়ে রোমাঞ্চিত মালিক, ‘মনে এখন প্রজাপতি উড়ছে। দুই দলের জন্যই ম্যাচটা কঠিন। তবে আর একটা ম্যাচ হিসেবেই দেখছি সেমিফাইনালকে। ’ মালিকের মতো অধিনায়ক বাবর আজমও পাকিস্তানের সাফল্যের কারণ মানছেন এক হয়ে খেলতে পারাটাকে, ‘পাকিস্তানে হওয়া ক্যাম্প থেকে এখন পর্যন্ত দল যেভাবে ঐক্যবদ্ধ আছে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সাল থেকে প্রায় একই দল খেলছে আমাদের। একসঙ্গে অনেক দিন খেললে অধিনায়কের কাজটা সহজ হয়ে যায়। ’ ক্রিকইনফো



সাতদিনের সেরা