kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

ম্যারাডোনার জন্মদিনে উৎসবের রং

কারো হাতে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ছবি আঁকা বিশাল ব্যানার, কেউ পরেছেন মুখোশ, কেউ জার্সি তো কেউ এনেছেন প্ল্যাকার্ড। কিংবদন্তির ৬১তম জন্মদিনে উৎসবের রংই ছিল বোকা জুনিয়র্সের মাঠ লা বোমবোনেরায়।

১ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ম্যারাডোনার জন্মদিনে উৎসবের রং

তাঁর জায়গা হূদয়ে। ভালোবাসাটাও এলো মনের গভীর থেকে। কারো হাতে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ছবি আঁকা বিশাল ব্যানার, কেউ পরেছেন মুখোশ, কেউ জার্সি তো কেউ এনেছেন প্ল্যাকার্ড। কিংবদন্তির ৬১তম জন্মদিনে উৎসবের রংই ছিল বোকা জুনিয়র্সের মাঠ লা বোমবোনেরায়।

বিজ্ঞাপন

শুধু কি বোকার মাঠ? আর্জেন্টাইন পেশাদার লিগের সব ক্লাবই উদযাপন করেছে সর্বকালের অন্যতম সেরা এই তারকার জন্মদিন। ম্যারাডোনার ১০ নম্বর জার্সির সম্মানে আর্জেন্টিনার পেশাদার লিগের সব খেলাই বন্ধ হয়ে যায় দশম মিনিটে। এরপর করতালি দিয়ে স্মরণ করা হয় তাঁকে। আর্জেন্টাইনদের বিশ্বাস, স্বর্গ থেকে এই আয়োজনে শামিল হয়েছিলেন ম্যারাডোনাও!

বোকা জুনিয়র্সের আয়োজনাটা একটু বেশিই ছিল। প্রিয় খেলোয়াড়টির জন্মদিন উদযাপনে জিমনাশিয়ার বিপক্ষে বোকার ম্যাচে ভরে উঠেছিল গ্যালারি। ম্যাচের আগে দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠে নামেন ম্যারাডোনার ছবি আঁকা টি-শার্ট পরে। মাঠে নামেন ম্যারাডোনার মেয়ে দালমাও। বোকা জুনিয়র্সের পক্ষ থেকে ম্যারাডোনার একটি জার্সি ও স্মারক উপহার দেওয়া হয় তাঁকে। দশম মিনিটে বন্ধ হয়ে যায় দুই দলের খেলা। এ সময় মাঠে থাকা জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো হয় আবেগী একটা ভিডিও। বাড়ির উঠানে ফুটবল খেলা ছেলেটা কিভাবে ’৮৬ বিশ্বকাপ মাতালেন—অল্প সময়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল সেটা।

এমন আবেগের ম্যাচটা হেরে গেছে বোকা জুনিয়র্স। ১৭তম মিনিটে পুলগা রদ্রিগুয়েজের পেনাল্টি থেকে করা গোল ১-০ ব্যবধানের জয় এনে দেয় জিমনাশিয়াকে। গোলের পরই জার্সির ভেতরে পরা টি-শার্টে আঁকা ম্যারাডোনার ছবিতে চুমু খান রদ্রিগুয়েজ। ম্যারাডোনাকে সর্বশেষ মাঠে দেখা গিয়েছিল ২০২০ সালের ৭ মার্চ। সেটাও বোকার মাঠ লা বোমবোনেরায়। সেদিনও ছিল বোকা-জিমনাশিয়ার ম্যাচ। ম্যারাডোনা তখন ছিলেন জিমনাশিয়ার কোচ। সেবার হারলেও ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর পালন করা প্রথম জন্মদিনে পাওয়া জয়টা প্রিয় তারকাটিকে উৎসর্গ করেছে এই ক্লাব।

এমন উৎসবের আবহেও অনেকের চোখ আটকে যায় ভিআইপি বক্সে রাখা একটা জার্সিতে। সেখানে ছিলেন তাঁর মেয়ে দালমা আর পরিবারের সদস্যরা। তাঁরাই একটা জার্সিতে লিখে এনেছিলেন, ‘জাস্টিস ফর ডি ১০’। ম্যারাডোনার আকস্মিক মৃত্যুর জন্য যে ডাক্তাররা দায়ী, সেটা আবারও স্মরণ করিয়ে দেন দালমা। ওলে



সাতদিনের সেরা