kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

সেরা তারকা

এই আফ্রিদিকেও চিনে রাখুন

২৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এই আফ্রিদিকেও চিনে রাখুন

শহীদ আফ্রিদি আর শাহীন শাহ আফ্রিদিকে এক বিন্দুতে মিলিয়ে দিল আইসিসি। আকাশের দিকে প্রসারিত দুই হাতে একই রকম উৎসব দুজনের। সেই দুটি ছবি এক ফ্রেমে টুইট করে আইসিসি লিখেছে, ‘এক নাম, এক নম্বর, দুই যুগ।’

স্পিনের পাশাপাশি ব্যাট হাতে ঝড় তুলে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করতেন শহীদ আফ্রিদি। আর শাহীন শাহ আফ্রিদি ঘায়েল করেন বিষাক্ত সুইংয়ে। দুজনের জার্সি নম্বর ১০। উইকেট নেওয়ার পর উল্লাসও করেন এক ভঙ্গিতে। শহীদ আফ্রিদির জামাইও শাহীন! তাঁর মেয়ের সঙ্গে হয়ে গেছে বাগদান। তাই দুজনকে এক বিন্দুতে মিলিয়ে আইসিসির এমন টুইট।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক বাঁহাতি এই পেসার। ওয়াসিম আকরাম থেকে মোহাম্মদ আমির—বাঁহাতি পেসারের অভাব কখনই ছিল না পাকিস্তানের। লম্বা সে তালিকায় জ্বলজ্বলে নাম এখন আফ্রিদি। রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, বিরাট কোহলির উইকেট তিনটি নিয়ে জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও। এর পরই এমন টুইট আইসিসির, যা নজর এড়ায়নি শহীদ আফ্রিদির। রিটুইটে লিখেছেন, ‘এক উৎসব, এক দল, নতুন ফল।’

শহীদ আফ্রিদির বিপক্ষে ২০১৮ সালে পিএসএলে প্রথম মুখোমুখি হয়েছিলেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। প্রথম বলেই ছক্কা শহীদের। তবে পরের বলে বোল্ড তিনি! শাহীন শাহকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আর। পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত এলাকা খাইবার জেলায় জন্ম শাহীনের। তাঁরা আট ভাই। বড় ভাই রিয়াজ আফ্রিদি পাকিস্তানের হয়ে এক টেস্ট খেলেছেন ২০০৪ সালে। শাহীন তখনো টেপ টেনিসে খেলতেন লান্ডিকোটালে পাহাড়-পর্বতের ফাঁকে যে সামান্য জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই। তাঁর ওপর চোখ আটকে যায় পাকিস্তানি সাবেক অধিনায়ক মুশতাক মোহাম্মদের। লান্ডিকোটালের স্থানীয় অনূর্ধ্ব-১৬ টুর্নামেন্টে লিকলিকে শাহীনকে বাঁ হাতে অনেক জোরে বল করতে দেখে পাকিস্তানের যুব ক্রিকেটে নিয়ে আসেন তিনিই। কায়েদে আজম ট্রফিতে সুযোগ পেয়েই নেন ৮ উইকেট। নিজেকে আরো পরিণত করা সেই শাহীন শাহ এখন পাকিস্তান ক্রিকেটের নতুন ‘শাহেন শাহ’। আইসিসি



সাতদিনের সেরা