kalerkantho

বুধবার । ১২ মাঘ ১৪২৮। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শুরুটা আফ্রিদির

১০ উইকেটের ইতিহাসও হলো

২৫ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১০ উইকেটের ইতিহাসও হলো

বিরাট কোহলিকে আউট করে বাধনহারা উচ্ছ্বাস শাহীন শাহ আফ্রিদির। এর আগে ম্যাচের শুরুতে জোড়া আঘাতে দলীয় ৬ রানের মধ্যে দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলকেও আউট করেন এই পেসার। আফ্রিদিদের আগুনে বোলিংয়ের পর মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজমের ব্যাটিং বীরত্বে বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে গল্পটা অসাধারণভাবে পাল্টে দিল পাকিস্তান। এতদিন ক্রিকেটের বৈশ্বিক মঞ্চ মানেই ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের বিজয়ের একপেশে গল্প। শারজাতে ১০ উইকেটের জয়ে বদলে গেল ওই অগৌরবের অতীত। ছবি : এএফপি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : অবশেষে! বিশ্বকাপে টানা ১২ ম্যাচ হারের গল্পটা বদলে দিল পাকিস্তান। নিজেদের প্রিয় ভেন্যু শারজায় ভারতকে হারাল ১০ উইকেটে। বিরাট কোহলি আর বাবর আজম কৃতিত্বটা দিলেন শাহীন শাহ আফ্রিদিকে। এই পেসারের গতি আর সুইংয়ে দিশাহারা ভারত পাওয়ার প্লেতে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট।

বিজ্ঞাপন

শুরুর ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠতে না পেরেই বিশ্বকাপে প্রথমবার পাকিস্তানের কাছে হারল বিরাট কোহলির দল।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে গর্বিত শাহীন শাহ আফ্রিদি, ‘বিশ্বকাপে প্রথমবার আমরা হারালাম ভারতকে, গর্ব হচ্ছে এ জন্য। যতটা সম্ভব সুইং আদায় করতে চাইছিলাম, যা এখানে পাওয়া কঠিন। কিন্তু আমি ১০০ শতাংশ আদায় করেছি। আমার মতে এই উইকেটে নতুন বল সামলানো কঠিন। তাই কৃতিত্ব বাবর ও রিজওয়ানের প্রাপ্য। দারুণ ব্যাট করেছে দুজন। ’ ভারত কখনো ১০ উইকেটে টি-টোয়েন্টি হারেনি। পাকিস্তানও ১০ উইকেটে জেতেনি এই ফরম্যাটে। দুটোই ঘটল কি না বিশ্বকাপের মঞ্চে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ১৯৭৫ সালে শুরু হলেও ভারত-পাকিস্তানের প্রথম দেখা ১৯৯২ সালে। তখন থেকে ওয়ানডেতে সাত আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা পাঁচবার হেরেছিল পাকিস্তান। ১৩তম ম্যাচে এসে বদলাল ইতিহাস। এই রেকর্ডটা মাথা থেকে ঝেরে ফেলেই নাকি খেলেছেন বাবর আজম, ‘আমাদের ওপর তেমন চাপ ছিল না। ভারতের সঙ্গে বিশ্বকাপে জিততে না পারার রেকর্ড নিয়ে ভাবিইনি। বিশ্বকাপের আগে আমাদের প্রস্তুতিটা ভালো হয়েছিল। এটাই সাহায্য করেছে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে। ’

বিশ্বকাপ যাত্রার আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক অধিনায়ক ইমরান খান তাতিয়ে এসেছিলেন দলকে। সেটাও বাবর আজম জানিয়েছিলেন ম্যাচের আগে। আর ম্যাচ শেষে দারুণ শুরু এনে দেওয়ায় প্রশংসায় ভাসালেন শাহীন শাহ আফ্রিদিকে, ‘ওর উইকেটগুলো আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছিল আমাদের। খেলতে পেরেছি নিজেদের পরিকল্পনা মতো। ৮ ওভার পর মাঠে শিশির পড়তে শুরু করে। বল ব্যাটে আসছিল। এটা কাজে লাগিয়েছি আমরা। ’

নিজের প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মাকে ফেরান আফ্রিদি। শেষ দিকে ফিরিয়েছিলেন বিরাট কোহলিকেও। ৩১ রানে ৩ উইকেট নেওয়া আফ্রিদিকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় অধিনায়ক, ‘শুরুতে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেললে ফিরে আসা খুব কঠিন। আফ্রিদি দারুণ বল করেছে। ওরা আসলে সব বিভাগে গুঁড়িয়ে দিয়েছে আমাদের। জানতাম শেষ দিকে কন্ডিশন বদলে যাবে। আরো ১০-২০ রান বেশি করতে হতো। কিন্তু পাকিস্তানের অসাধারণ বোলিংয়ে সেটা পারিনি। ’ ক্রিকইনফো



সাতদিনের সেরা