kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

কোনো গ্রুপেই আপত্তি নেই মাহমুদের

২২ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কোনো গ্রুপেই আপত্তি নেই মাহমুদের

ছবি : মীর ফরিদ মাসকাট থেকে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভাবিত একটি কাণ্ড ঘটিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর হুট করে পরিবর্তন এনেছে সুপার টুয়েলভে ওঠার পথের গতিবিধি। টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণার দিন জানানো হয়েছিল, গ্রুপের অবস্থান যা-ই হোক উন্নত র‌্যাংকিংয়ের সুবাদে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা যথাক্রমে ‘বি-১’ ও ‘এ-১’ হিসেবে সেরা ১২ দলের শিরোপা লড়াইয়ে অংশ নেবে। কিন্তু সেটি পাল্টে গত পরশু জানানো হয় যে গ্রুপের ফলের ওপরই ১ ও ২ নির্ধারিত হবে। তাতে ‘বি’ গ্রুপের রানার আপ হলে বাংলাদেশ লড়বে গ্রুপ টু-তে, ওয়ান-এ নয়।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের কারণে আগেই সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করে ফেলা ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান আছে গ্রুপ টু-তে। আইসিসির পুরনো ফর্মুলায় ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানার আপ হিসেবে এদের সঙ্গেই লড়াই করার কথা মাহমুদ উল্লাহদের। কিন্তু নিয়মে পরিবর্তন আনায় অলিখিত বাছাই পর্বে বাংলাদেশ গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা দল হলেই প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড ও ‘এ-১’, সেটি শ্রীলঙ্কা। তার মানে, গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা হলে নতুন নিয়মে সুপার টুয়েলভে এশিয়ার মাত্র একটি দলের সামনে পড়তে হবে বাংলাদেশকে। পুরনো নিয়মে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মুখোমুখি হতে হতো মাহমুদ উল্লাহদের।

আমিরাতের উইকেটে এশীয় দলগুলোর দাপট নতুন কিছু নয়। তাই যেকোনো দলই শিরোপা রেসে সুপার টুয়েলভে এশীয় দলগুলোকে এড়াতে চাইতেই পারে। কিন্তু গতকাল পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে রেকর্ড জয়ের পর আত্মবিশ্বাসে ভর করে এসব অঙ্ক নিয়ে ভাবছেন না বলেই জানিয়েছেন মাহমুদ, ‘কোন গ্রুপে পড়ব, কাদের সঙ্গে খেলব—এসব ভাবছি না। যে গ্রুপেই পড়ি, আমি কোনো সমস্যা দেখছি না।’

অবশ্য গতকালের ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্ন বাংলাদেশ অধিনায়কের কাছে তোলার সময়ও নির্ধারিত হয়নি ‘গ্রুপ-বি’র ১ ও ২ নম্বর দল কোন দুটি।

এদিকে এবারের বিশ্বকাপের ওমান পর্বে আইসিসির সহযোগী দলগুলোর দাপট দেখে আপ্লুত ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক গ্রেট স্যার ক্লাইভ লয়েড। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পাপুয়া নিউ গিনির লড়াই দেখে তিনি মুগ্ধ, “আমি তো পাপুয়া নিউ গিনির ভক্ত হয়ে গেছি! কী প্যাশন! আমি মনে করি, ওদের মতো আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর বিপক্ষে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার ‘এ’ দলের নিয়মিত খেলা আয়োজন করা উচিত। এতে শীর্ষস্থানীয় দলগুলোর সঙ্গে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পাবে সহযোগী দেশগুলো।” বিশ্বকাপের আসরে ওমান পর্ব ধাঁচের লড়াইয়ে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো দলগুলোকে না খেলানোই ভালো, ‘আমার মনে হয় আইসিসির উচিত ছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাকে সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলানো।’



সাতদিনের সেরা