kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

জেতার পর উন্নতির তাগিদ মাহমুদের

আকাশে না উড়ে সতীর্থদের উন্নতির তাগিদ দিলেন তিনি, ‘আমাদের জিততেই হতো। তবে আমার মনে হয়, আরো অনেক জায়গায় উন্নতি করতে হবে আমাদের। নতুন বলে আরো ভালো করতে হবে। অনেক বেশি ওয়াইড দিয়ে ফেলেছি। ব্যাটিংয়েও রান করতে হবে শুরুর নতুন বলে। এগুলো পর্যালোচনা করে ঠিক করতে হবে। প্রথম ৬ ওভারের ব্যাটিং আর বোলিং ভালো করতে হবে আরো।’

২০ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জেতার পর উন্নতির তাগিদ মাহমুদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ম্যাচটা ছিল অগ্নিপরীক্ষা। তাতে হয়তো লেটার মার্কস পায়নি বাংলাদেশ। তবে ‘পাস’ করেছে ঠিকই। ১৫৩ রান তাড়া করতে গিয়ে ওমান ভীতি ছড়িয়েছিল শুরুতে। প্রথম ২ ওভারেই রান ২৪। মুস্তাফিজুর রহমান লাইন লেন্থ হারিয়ে নিজের প্রথম ওভারে ওয়াইড দিয়েছেন ৫টি। তবে শেষ পর্যন্ত স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে ম্যাচটা বের করে নেয় বাংলাদেশ। স্বস্তির জয়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকায় খুশি অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ। তবে আকাশে না উড়ে সতীর্থদের উন্নতির তাগিদ দিলেন তিনি, ‘আমাদের জিততেই হতো। তবে আমার মনে হয়, আরো অনেক জায়গায় উন্নতি করতে হবে আমাদের। নতুন বলে আরো ভালো করতে হবে। অনেক বেশি ওয়াইড দিয়ে ফেলেছি। ব্যাটিংয়েও রান করতে হবে শুরুর নতুন বলে। এগুলো পর্যালোচনা করে ঠিক করতে হবে। প্রথম ৬ ওভারের ব্যাটিং আর বোলিং ভালো করতে হবে আরো।’

ম্যাচ শুরুর আগে আইসিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ‘দল হারলে আমার ছেলে কাঁদে।’ এই জয়ে নিশ্চয়ই ছেলের মুখে হাসি ফুটেছে। এমন প্রশ্নে মাহমুদ উল্লাহর জবাব, ‘অবশ্যই ও খুশি। তবে বেশি খুশি দেশের মানুষ। দেশের জন্য জেতাটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।’ ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছেন মোহাম্মদ নাঈম। তাঁর সঙ্গে সাকিব আল হাসানের তৃতীয় উইকেটে ৮০ রানের জুটি গড়ে দিয়েছিল বড় ইনিংসের ভিত। মাহমুদ খুশি তাঁদের ব্যাটিংয়ে, ‘সাকিব-নাঈম দুর্দান্ত ব্যাট করেছে। ওদের দারুণ জুটিতেই রানটা ১৫০ ছাড়িয়ে যায় আমাদের। ডেথ বোলিংও ভালো হয়েছে আমাদের। ১০ ওভারের পর ম্যাচটা ধীরে ধীরে নাগালে আসে আমাদের।’

ব্যাট হাতে ৪২ রানের পর বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা সাকিব আল হাসান। দলের জয়ে খুশি হলেও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারটা এখনো পোড়াচ্ছে তাঁকে, ‘অপ্রত্যাশিত ছিল হারটা। কষ্ট পেয়েছে সবাই। ধাক্কাটা কাটিয়ে ওমানকে হারানোয় খুশি আমরা।’ ১৫৩ রানের জবাবে শুরুটা দারুণ করেছিল ওমান। ৭ ওভার শেষে ২ উইকেটে রান ছিল ৫৭। যতিন্দর সিং যতক্ষণ ছিলেন ততক্ষণ ম্যাচে ভালোভাবে ছিল ওমান। সাকিব আল হাসান তাঁকে ফেরান ১৩তম ওভারে। এরপর ১৭তম ওভারে টানা দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড়ই ঘুরিয়ে দেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে সাকিবের স্বস্তি, ‘ওমান ম্যাচে ছিল অনেকক্ষণ। আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লেগেছে। আর ওরা অনভিজ্ঞতার কারণে চাপটা সামলাতে পারেনি। ওমানের জন্য শুভ কামনা রইল।’ নাটকীয় কিছু না হলে পিএনজিকে হারালেই সুপার টুয়েলভের টিকিট পাবে বাংলাদেশ। সাকিবও আছেন সেই প্রত্যাশায়, ‘পিএনজির বিপক্ষে যদি আমরা প্রত্যাশিতভাবে বড় ব্যবধানে জিতি, তাহলে পরের পর্বে যেতে সমস্যা হবে না বলেই জেনেছি। এমনকি আমরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েও যেতে পারি।’

ওমান অধিনায়ক জিশান মাকসুদ হতাশ এত কাছে গিয়েও ম্যাচটা হারায়, ‘এই রানটা তাড়া করাই যেত। আমরা ১৫-১৬ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিলাম। বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। ক্ষমা চাইছি সবার কাছে। তবে এটাই ক্রিকেট।’



সাতদিনের সেরা