kalerkantho

রবিবার । ৯ মাঘ ১৪২৮। ২৩ জানুয়ারি ২০২২। ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

নির্ভার কোহলি, আত্মবিশ্বাসী বাবর

১৮ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভারত-পাকিস্তান মানেই ‘ব্লকবাস্টার’। সেটা যে ফরম্যাট আর মঞ্চেই হোক না কেন। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ব্যতিক্রম নয়। ২৪ অক্টোবর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই দেখতে মুখিয়ে ক্রিকেটভক্তরা।

বিজ্ঞাপন

তবে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি নির্ভার। ম্যাচটি নিয়ে রাতের ঘুম মাটি করতে রাজি নন তিনি, ‘আমার কাছে এটা আলাদা কিছু নয়। অন্য যেকোনো ম্যাচের মতো আর একটি খেলা। জানি, প্রচুর উত্তেজনা আছে ম্যাচটি ঘিরে, আছে টিকিটের চাহিদাও। আমার বন্ধুরা চারদিক থেকে টিকিট চাইছে আর আমাকে বলতে হচ্ছে নেই। বেশি টিকিট বিক্রি হওয়া ছাড়া এই ম্যাচের আলাদা কিছু আছে বলে মনে হয় না। তবে দর্শকদের কাছে ম্যাচটার গুরুত্ব অন্যরকম। আমরা খেলব অন্য ম্যাচগুলোর মত নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা। ’

পাকিস্তানি অধিনায়ক বাবর আজমের কাছেও ভারত-পাকিস্তান মানে জীবনের শেষ ম্যাচ নয়! তবে টুর্নামেন্টের শুরুটা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে হচ্ছে বলে জিততে মুখিয়ে তিনি। আরব আমিরাতে সর্বশেষ খেলা ১০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সবই জিতেছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে প্রথমবার ভারতকে হারাতে এমন পরিসংখ্যান আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি তাঁর কাছে, ‘আরব আমিরাতে অনেক ক্রিকেট খেলেছি আমরা। এই কন্ডিশনটা আমাদের উপযোগী, জানি কিভাবে খেলতে হয় এখানে। নিজের প্রথম বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা আমার জন্য অনেক বড় দায়িত্ব। ফর্মটা ভালো যাচ্ছে, রান পাচ্ছি, যা আত্মবিশ্বাস জোগাবে। প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে চাই আমরা। ’

ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার অজিত আগারকার অবশ্য পাকিস্তানকে খুব ভয়ংকর দল ভাবতে রাজি নন। বিশ্বকাপে ভারতকেই এগিয়ে রাখলেন তিনি, ‘ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচগুলো সব সময় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে থাকে। তবে সাম্প্রতিক ফর্ম আর পরিসংখ্যান বিবেচনা করলে পাকিস্তান মনে হয় না ভারতকে তেমন চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে। ’ এদিকে আইসিসিতে লেখা নিজের কলামে সুরেশ রায়না জানালেন,‘ ভারতের জন্য বার্তাটা সহজ, কোহলির জন্য জিতে নাও টুর্নামেন্টটা। ’ বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন কোহলি। এজন্যই এমন চাওয়া রায়নার।

বিশ্বকাপের দলে জায়গা হয়নি যুযবেন্দ্র চাহালের। নেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও লেগ স্পিনার রাহুল চাহারকে। এ নিয়ে কোহলির ব্যাখ্যা, ‘চাহালকে বাদ দেওয়া কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। আরব আমিরাতের পিচগুলো ধীরগতির। এখানে যে স্পিনার জোরে বল করতে পারে তারা সাফল্য পাবে। আর রাহুল স্পিনটা জোরেই করে। অশ্বিন পেয়েছে সাদা বলে ভালো খেলার পুরস্কার। ’

পাকিস্তান দলেও শেষ বেলায় পরিবর্তন হয়েছে চারটি। এগুলো দলের স্বার্থেই বলে জানালেন বাবর আজম, ‘নিউজিল্যান্ড আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দুটি স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। এ জন্য জাতীয় টি-টোয়েন্টি কাপ আয়োজন করি, যেন বুঝতে পারি বিশ্বকাপের খেলোয়াড়রা ফর্মে আছে কি না। কেউ ভালো করেছে, কেউ পারেনি। তাই কিছু পরিবর্তন এনেছি আমরা। শেষ বেলায় শোয়েব মালিকের আসাটা পুরো দলকে উদ্দীপ্ত করবে। এই ফরম্যাটে অগাধ জ্ঞান তাঁর। ২০০৯ সালে বিশ্বকাপ জেতাটা পাকিস্তানি ক্রিকেটের অনন্য অর্জন। আমরা নিজেদের উজাড় করে সেবারের মতো পারফরম করতে চাই। ’ টিওআই



সাতদিনের সেরা